Naya Diganta

আইন ভেঙ্গে ফেঁসে যাচ্ছেন ট্রাম্প!

আইন ভেঙ্গে ফেঁসে যাচ্ছেন ট্রাম্প!

পরিবেশগত আইন ভাঙার অভিযোগে শিকাগোতে অবস্থিত ‘ট্রাম্প ইন্টারন্যাশনাল হোটেল এন্ড টাওয়ার’ এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিওনিস অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি অভিযোগ এনেছেন, ট্রাম্প টাওয়ার অনুমতি ছাড়াই শিকাগো নদী থেকে কমপক্ষে দুই কোটি গ্যালন পানি উত্তোলন  করে ও ছেড়ে দেয়। 

লিস ম্যাডিগান তার মামলায় আরো অভিযোগ এনেছেন যে, ভবনটির এমন উত্তোলন ও ছেড়ে দেওয়ায় তা নদীর মাছের ওপর কিরকম প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে কোনো অনুসন্ধান করেনি ট্রাম্প টাওয়ার। 

‘ট্রাম্প অর্গানাইজেশন’ এর এক মুখপাত্র বলেছেন, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে পাঠানো এক ই-মেইলে সংগঠনের মুখপাত্র জ্যানেট ইজাবেলি বলেন, ম্যাডিসনের মামলা দায়ের করার বিষয়ে ট্রাম্প সংগঠন মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছে। এই ধরণের বিষয় সাধারণত প্রশাসনিক পর্যায় সামলিয়ে থাকে। একজন এই মামলা থেকে এই সিদ্ধান্তেই পৌঁছাতে পারে যে, এর পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য জড়িত। 

ম্যাডিসন মঙ্গলবার ইলিওনিসের ‘কুক কাউন্টি সার্কিট কোর্ট’-এ মামলাটি দায়ের করেন।  তিনি বিরোধীদলীয় ডেমোক্রেটিক পার্টির একজন সদস্য এবং ২০০৩ সাল থেকে রাজ্যটির অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। 

মামলায় তিনি অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প টাওয়ার প্রতিদিন ভবনটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও ভেন্টিলেশন ব্যবস্থার জন্য নদী থেকে ২ কোটি গ্যালন পানি উত্তোলন করে থাকে। এরকমভাবে পানি উত্তোলনের সময় নদীতে বাসকারী প্রাণীগুলো আটকা পড়ে যেতে পারে। আর ফেডারেল আইন অনুসারে, শিকাগো নদীর মৎস জনসংখ্যার ওপর এটা কি প্রভাব ফেলবে সে বিষয়ে গবেষণা করার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প টাওয়ার  ২০১৩ সালে এমন একটি গবেষণা প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তারা তা জমা দেয়নি। এছাড়া নদীতে গরম পানি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তাদের যে লাইসেন্স ছিল সেটির মেয়াদও গত বছরের আগস্টে শেষ হয়ে গেছে। তবুও তারা পানি উত্তোলন ও ছেড়ে দেওয়া অব্যাহত রেখেছে। 

ট্রাম্প টাওয়ারে আগুন
গার্ডিয়ান, ০৯ জানুয়ারি ২০১৮

আগুন লেগেছে ট্রাম্প টাওয়ারে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টায় নিউ ইয়র্কের দমকল বিভাগের কাছে ভবনটিতে আগুন লাগার খবর আসে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগুন নেভানোর কাজ অব্যাহত ছিল। টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ফুটেজে ম্যানহাটনের ফিফথ এভিনিউ ও ইস্ট ফিফটি সেভেন্থ স্ট্রিটে অবস্থিত আকাশচুম্বী ভবনটির ছাদে দমকল কর্মীদের দেখা গেছে। 

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডটি খুব গুরুতর নয়। খুব সম্ভবত, বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে এর সূত্রপাত হয়েছে। খবর পাওয়ার পর, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে ৮৪ জন দমকল কর্মী আগুন নেভাতে পৌঁছান। কিন্তু এক ঘণ্টা পরে মাত্র কয়েকজনকেই ছাদে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। 

টাওয়ারটিতে বেশ কয়েকটি বাসভবন ও ব্যবসায়িক কার্যালয় রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও সেখানে বাসভবন রয়েছে। আগুন লাগার সময় তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত হোয়াইট হাউজে অবস্থান করছিলেন।