২৩ এপ্রিল ২০১৯

হাজার হাজার কোটি টন হীরে মজুত ভূগর্ভে!

হাজার হাজার কোটি টন হীরে মজুত ভূগর্ভে! - ছবি : সংগৃহীত

পায়ের নিচে ছড়িয়ে রয়েছে বিশাল হীরকভাণ্ডার। উত্তেজিত হবেন না, তার নাগাল পেতে গেলে কয়েক হাজার কিমি পাতালপ্রবেশ করতে হবে।

পৃথিবীর গভীরে জমে রয়েছে কয়েক লক্ষ কোটি টন হীরা। ভূস্তরের গভীরে সিসমিক রশ্মি পাঠিয়ে এমনই তথ্য জেনেছে আমেরিকার ভূতত্ত্ব বিভাগ, যা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে 'জিওকেমিস্ট্রি, জিওফিজিক্স, জিওসিস্টেম' জার্নালে। জানা গেছে, নীল গ্রহের অভ্যন্তরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট পর্যালোচনা করতে এবং ভূকম্পন সংক্রান্ত তথ্য অনুসন্ধান করতে অত্যাধুনিক সিসমোগ্রাফের সাহায্য নেয়া হয়। এমনকি তার মাধ্যমে পৃথিবীর অন্তঃস্থলের ফটোগ্রাফিও সম্ভব বলে জানা গেছে।

বেশ কয়েক বছর যাবত একটি ধাঁধার উত্তর খুঁজছিলেন ভূ-বিজ্ঞানীরা। দেখা যায়, ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৬১ কিমি গভীরে সিসমিক রশ্মি স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত গতিতে ছুটে চলে। জানা গেছে, এই অঞ্চলে ক্রেটোনিক শিকড়ের সমাবেশ রয়েছে। পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জোশুয়া গার্বারের মতে, বজ্রকঠিন প্রাচীন পাথরে তৈরি হেঁটমুণ্ড পাহাড়ের আকৃতির এই সমস্ত শিকড়ের উপর ভর করে দাঁড়িয়ে রয়েছে মহাদেশগুলো। পৃথিবী সৃষ্টির প্রথম দুই কোটি বছরে এই সব পাথরের জন্ম হয়।

আগ্নেয়গিরির উদ্গীরণ থেকে মেলে প্রাচীন পাথরের সন্ধান

কয়েকটি বিরল আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্‍পাতে পৃথিবীর গভীর থেকে যে তপ্ত ম্যাগমা উদ্গীরণ হয়, তা পরীক্ষা করেই প্রাগৈতিহাসিক পাথরের হদিশ পাওয়া যায় প্রথম। কিন্তু ক্রেটোনিক শিকড়ের সঠিক উপাদান এবং কী কারণে তার ভিতরে প্রবেশ করলে সিসমিক রশ্নমির গতি বেড়ে যায়, সেই রহস্যের সমাধান এতদিন হয়নি।

সাম্প্রতিক পরীক্ষায় গবেষকরা সিসমিক তথ্যাবলী পর্যালোচনা করে ওই পাথরের উপাদান সমষ্টি বুঝতে চেষ্টা করেন। পাওয়া যায়, প্রচলিত যাবতীয় হিসেব উল্টেপাল্টে যাওয়ার মতো তথ্যাবলী। গার্বারের কথায়, 'ভূগর্ভের ওই স্তরে সিসমিক রশ্মির গচতিবৃদ্ধির পিছনে শুধুমাত্র পাথরের উপরিভাগের ভূমিকা নেই। বরং তার চেয়েও বহু গুণ শক্ত কোনো বস্তুর উপস্থিতি রয়েছে।'

আর সেই পদার্থ খুঁজতে গিয়েই মেলে বিস্ফোরক জবাব। জানা য়ায়, পৃথিবীর বুকে জমা রয়েছে রাশি রাশি হিরের স্তূপ। হিসেব বলছে, ক্রেটোনিক শিকড়ের অন্তত ২% শুধুমাত্র হীরে দিয়েই তৈরি।

অফুরন্ত হীরের খবর পাওয়া গেলেও, মানুষের পক্ষে কখনো কি তা উদ্ধার করা সম্ভব?

গার্বার জানিয়েছেন, 'এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রযুক্তির দ্বারা তা সম্ভব নয়। নথি বলছে, মানুষ সবচেয়ে গভীর খুঁড়েছে ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১২.২৩১ কিমি পর্যন্ত। তাই কয়েক শ' কিমি গভীর গর্ত তৈরি করা দিবাস্বপ্নের সামিল।'

কে জানে, হয়তো ভবিষ্যত্‍ প্রজন্মের কাছেই মিলবে হীরে উদ্ধারের সমাধান।

 

আরো পড়ুন :

মাটি খুঁড়লে বেরিয়ে এলো হীরা!

পতিত জমিতে মাটি খুঁড়তে গিয়ে মহামূল্যবান হীরার টুকরা পেয়েছেন এক গরিব কৃষক। নিজের ভাগ্যটাকেই এবার বদলাতে চলেছেন তিনি। কারণ মাটি খুঁড়ে পাওয়া হীরার টুকরাটির মূল্য অন্তত ১৮ লাখ টাকা (১৫ লাখ রুপি)। গত সপ্তাহে ভারতের মধ্যপ্রদেশে বুন্দেলখান্ডের পাতি কৃষ্ণ কল্যাণপুরে এই ঘটনা ঘটে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, হীরার টুকরা পাওয়া ওই কৃষকের নাম সুরেশ যাদব। রতœপাথরের গুণসম্পন্ন হীরার টুকরাটির ওজন ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট।
সুরেশ যাদব বলেন, ‘চাষবাস করে সংসার চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছিল। এখন চাষাবাদের পরিবেশও নেই আর। তাই গত বছর নিজের এক খ জমি ছেলেকে দিয়ে দিই। সিদ্ধান্ত নিই, পাতি কৃষ্ণ কল্যাণপুরে জমি ইজারা নিয়ে হীরার খোঁজে খোঁড়া শুরু করব। এতে ভাগ্য ফিরলেও ফিরতে পারে। ব্যস জমি ইজারা নিয়ে কাজ শুরু করে দিলাম। দিনে অন্যের জমিতে দিনমজুরের কাজ করতাম। আর সকাল ও রাতে চলত হীরার জন্য খোঁড়াখুঁড়ি।’


এভাবে ৬৪ বর্গমিটার জমি খুঁড়তে খুঁড়তে গত সপ্তাহে এক খ পাথর হাতে আসে সুরেশের। কিন্তু নিছক পাথর ভেবে তা তিনি ফেলে দেননি। হীরা বিশেষজ্ঞদের দেখালে তারা বলেন, এই পাথর খ আসলে ৫ দশমিক ৮২ ক্যারেট ওজনের সবচেয়ে ভালো হীরার খ । যার মূল্য ১৫ থেকে ২০ লাখ রুপি পর্যন্ত হতে পারে।
জেলার খনিবিষয়ক কর্মকর্তা সন্তোষ সিং বলেন, বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সুরেশের পাওয়া হীরা খুবই উন্নতমানের। এখন সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ওই হীরা নিলামে তোলা হবে। এ থেকে যে দাম পাওয়া যাবে, তার ১১ দশমিক ৫ শতাংশ রাষ্ট্র রেখে দেবে। আর বাকি অর্থ ওই হীরা খুঁজে পাওয়া ব্যক্তিকে দিয়ে দেয়া হবে। ইন্টারনেট।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat