১৭ নভেম্বর ২০১৯

ককটেল বিস্ফোরণে দুই শিক্ষার্থী আহত

ভোলায় ককটেল বিস্ফোরণে রনি ও শাহাদাত নামের দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দুটি ককেট উদ্ধার করেছে। বুধবার (১৬ অক্টোবর) সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জমাদ্দার বাড়ীর বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের জমাদ্দার বাড়ীর বাগানে দুপুরের দিকে শান্ত, সুলতান, সাব্বির ককটেল বিস্ফোরণ করছিলো। শব্দ শুনে চরজংলা রফিকুল ইসলাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ৩য় শ্রেণীর ছাত্র মোঃ রনি পিতা- আঃ সাত্তার ও ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্র শাহাদাত হোসেন পিতা- মাকসুদুর রহমান বাগানে যায়।

এসময় একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়ে রনির পেটে ও শাহাদাত হোসেনের পায়ে ও মাথায় আঘাত লাগে। শিশু রনি দৌঁড়ে বাড়ি চলে যায় এবং শাহাদাত হোসেন পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা রনি ও শাহাদাত হোসেনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানোর সাথে জড়িত শান্ত ও সাব্বির এর পিতা-মোঃ বিল্লাল হোসেন এবং সুলতানের পিতা-রাইসুল হক।

বর্তমানে আহতরা ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে। খবর পেয়ে ভোলা সদর থানার এসআই সুবীর এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম বাগানে অভিযান চালিয়ে ২টি ককটেল উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, শিবপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এসব ককটেল আনা হতে পারে। সেগুলো এখন শান্ত, সাব্বির, সুলতান বাগানে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

আহত রনি ও সাহাদাত হোসেনের পরিবার এ ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

এব্যাপারে ভোলা থানার ওসি এনায়েত কবির বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে ২টি ককটেল উদ্ধার করেছে। তদন্ত করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরো সংবাদ