২১ আগস্ট ২০১৯

ইলিশের গবেষণায় নতুনদ্বার উন্মোচনের আশাবাদ

-

বিশ্বে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশের জীবন রহস্য উন্মোচনের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। প্রথমবারের মতো ইলিশের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকেয়েন্সিং এবং ডি নোভো এসেম্বলি সম্পন্ন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেয়া হয়। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সহযোগী গবেষক প্রফেসর ড. মুহা. গোলাম কাদের খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ইলিশের জীবন রহস্য উন্মোচনের ঘোষণা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. জসিমউদ্দিন খান, মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. গিয়াস উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। সহ ইলিশের জীবনরহস্য উন্মোচনকারী গবেষকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের শিক্ষক, মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পিএইচডি গবেষক ও মাস্টার্স গবেষকরা
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রধান গবেষক প্রফেসর ড. মো: সামসুল আলম ও সহযোগী গবেষক অধ্যাপক ড. মো: বজলুর রহমান মোল্যা।
মূল প্রবন্ধে গবেষকরা বলেন, আবিষ্কারের কেবল সূচনা ঘটেছে। আবিষ্কারটি বুঝতে ও সুফল পেতে আরও ধারাবাহিক গবেষনণা করা প্রয়োজন। ইলিশ রক্ষায় অনেক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে যেমন অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা ইত্যাদি এটা সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে হচ্ছে কি না এমন অনেক বির্তক রয়েছে। ইলিশ নদীতে কেন আসে আবার প্রজননের পর আদৌ সাগরে ফিরে যায় কি না এমন অনেক তথ্যই এখন আমরা জানতে পারবো এই আবিষ্কারের তথ্যকে কাজে লাগিয়ে। এ গবেষণার সাহায্যে ইলিশের প্রজনন, বিচরণ ক্ষেত্র ও অভয়াশ্রম, জীবনচক্র সবকিছু নির্ভুলভাবে জানা যাবে এবং আগামী গবেষণায় ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ বলেন, নিঃসন্দেহে এ আবিষ্কার দেশের ইলিশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের সহায়তায় মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য গবেষণা ইন্সটিউিটের গৃহীত নানা পদক্ষেপের ফলে দেশে প্রতিবছর ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে ইলিশ ভূমিকা রাখছে। এ জীবন রহস্য আবিষ্কারের ফলে ইলিশের গবেষণা আরও সহজ হবে। বর্তমান সরকার গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি অন্যান্য মাছের ক্ষেত্রেও এমন গবেষণার আহ্বান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলী আকবর বলেন, জাতীয় মাছ ইলিশের জীবন রহস্য উন্মোচনের এমন গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা দেশের দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে কাজে লাগাতে হবে। এ গবেষণার ফলে ইলিশের অন্যান্য গবেষণা অনেক সহজেই করা যাবে। তিনি এ গবেষকদের ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এ ধরণের গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।


আরো সংবাদ

ট্রেনে আসমাকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয় যেকোনো সময় গ্রেফতার হতে পারেন ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী চিদম্বরম শিশু ধর্ষকের রহস্যজনক মৃত্যু, কী হবে বাচ্চাটির? ১২৮ বছর বয়সের বৃদ্ধের আকুতি : ‘বাবা আমাকে বাঁচাও, ওরা আমারে খেতে দেয় না’ ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট : বারুদের স্তূপে কাশ্মির, যেকোনো সময় বিস্ফোরণ বক্তব্যকে ভুলভাবে নেয়া : যা বললেন জাকির নায়েক সপ্তম কাউন্সিল : বিএনপির লক্ষ্য নেতাকর্মীদের হতাশার বৃত্ত থেকে বের করে আনার চেষ্টা বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষিকী আজ ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ১৫তম বার্ষির্কী বুধবার সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে ৬ ভারতীয় সেনা নিহত শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ মোদির

সকল




bedava internet