১০ ডিসেম্বর ২০১৮

সমঝোতা নয়, আদালতে বিশ্বাসী আসিফ

সমঝোতা নয়, আদালতে বিশ্বাসী আসিফ - সংগৃহীত

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের দায়ের করা মামলায় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এখন কারাগারে। বিষয়টি নিয়ে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে শোবিজ অঙ্গনে। যেহেতু মামলার বাদী-বিবাদী উভয়ই একই অঙ্গনের মানুষ। তাই সমাঝোতার ভিত্তিতে বিরোধ নিস্পত্তির পক্ষে মতামত দিয়েছেন অনেকে। তাছাড়া আসিফ শারীরীকভাবেও সুস্থ নন বলে জানিয়েছে তার পরিবার। এই অবস্থায় আসিফ কি সমঝোতার ভিত্তিতে সমস্যার সমাধান করতে চান কিনা জানতে চাওয়া হলে আসিফের স্ত্রী কোন কথা বলতে রাজি হননি। তবে তার পরিবারের একজন জানিয়েছন, আসিফের সাথে ৭ জুন দেখা হয়েছিল তাদের। আপোস-মীমাংসা কথা বললে আসিফ বলেছেন, ‘কোনো ধরনের মাথানত করব না। কারণ আমি কোনো অপরাধ করিনি।’ আর এ কথা আদালতে বিচারকের সামনেও বলেছেন বলে জানা যায়।

এর আগে আসিফকে বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপপরিদর্শক প্রলয় রায় পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের এবং আসামির জামিনের জন্য চাওয়া উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে বুধবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কেশব রায় চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে আসামির আইনজীবী ওমর ফারুক জানান।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে ঢাকার এফডিসি এলাকায় আসিফ আকবরের স্টুডিও থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ওই মামলায় আসিফ আকবর ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় চার-পাঁচজনকে আসামি করা রয়েছে। এ মামলায় অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন শিল্পীর ৬১৭টি গান ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে মোবাইল ফোনের কনটেন্ট হিসেবে বিক্রি করার অভিযোগ আনা হয়েছে আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে শফিক তুহিনের রচিত শতাধিক গান রয়েছে বলে এই গীতিকারের দাবি।

মামলার এজাহারে শফিক তুহিন বলেছেন, গত ১ জুন রাতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ‘গান চুরির’ বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো বিক্রি করে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

আদালত থেকে কারাগারে নেওয়া হচ্ছে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে। গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় আসিফকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারের পর বুধবার ঢাকার আদালতে নেওয়া হয়। ঘটনা জানার পর গত ২ জুন রাতে শফিক তুহিন বিষয়টি নিয়ে ফেইসবুকে একটি পোস্ট দিলে আসিফ আকবর সেখানে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য করেন এবং হুমকি দেন। পরে ফেইসবুক লাইভেও ‘অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা’ বক্তব্য এবং ‘শায়েস্তা করার হুমকি’ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

এ বিষয়ে আসিফ আকবরের বক্তব্য বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানতে পারেনি। তবে ২ জুন রাতে ফেইসবুক লাইভে তিনি দাবি করেন, জালিয়াতি করে অন্যের গান বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার যে অভিযোগ শফিক তুহিনসহ কয়েকজন শিল্পী করেছেন, তা পুরোপুরি মিথ্যা।

আসিফ ফেইসবুকে বলেন, তিনি আট বছর গান থেকে দূরে ছিলেন এবং আবার ফিরে এসে ‘চুটিয়ে’ কাজ করছেন- এটাই সবার মাথাব্যথার কারণ। ৪৬ বছর বয়সী আসিফের প্রথম অ্যালবাম 'ও প্রিয়া তুমি কোথায়' প্রকাশিত হয় ২০০১ সালে। ওই অ্যালবামের কয়েকটি গান দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।

পরের বছরগুলোতে ঢাকাই সিনেমার বহু গানে কণ্ঠ দেন আসিফ। ২০০৬ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর তার অ্যালবাম ছিল বিক্রির শীর্ষে। এক পর্যায়ে তিনি সংগীত প্রযোজনায় নাম লেখান। আর ৪৩ বছর বয়সী শফিক তুহিন তার প্রথম গান ‘এর বেশি ভালোবাসা যায় না, ও আমার প্রাণ পাখি ময়না’ দিয়েই আলোচনায় আসেন। ২০১১ সালে জিতে নেন সেরা গীতিকারের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। লেখার পাশাপাশি তিনি সুরও করেন এবং নিজে গানও করেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে ঢাকার এফডিসি এলাকায় আসিফ আকবরের স্টুডিও থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় তেজগাঁও থানায় দায়ের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ওই মামলায় আসিফ আকবর ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় চার-পাঁচজনকে আসামি করা রয়েছে।

এ মামলায় অনুমতি ছাড়াই বিভিন্ন শিল্পীর ৬১৭টি গান ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে মোবাইল ফোনের কনটেন্ট হিসেবে বিক্রি করার অভিযোগ আনা হয়েছে আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে। এর মধ্যে শফিক তুহিনের রচিত শতাধিক গান রয়েছে বলে এই গীতিকারের দাবি।

মামলার এজাহারে শফিক তুহিন বলেছেন, গত ১ জুন রাতে একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিনি ‘গান চুরির’ বিষয়টি জানতে পারেন। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আর্ব এন্টারটেইনমেন্ট এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো বিক্রি করে ‘প্রতারণার মাধ্যমে’ বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

আদালত থেকে কারাগারে নেওয়া হচ্ছে কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরকে। গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিনের করা তথ্যপ্রযুক্তি আইনের মামলায় আসিফকে মঙ্গলবার রাতে গ্রেপ্তারের পর বুধবার ঢাকার আদালতে নেওয়া হয়। ঘটনা জানার পর গত ২ জুন রাতে শফিক তুহিন বিষয়টি নিয়ে ফেইসবুকে একটি পোস্ট দিলে আসিফ আকবর সেখানে বিভিন্ন অশালীন মন্তব্য করেন এবং হুমকি দেন। পরে ফেইসবুক লাইভেও ‘অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা’ বক্তব্য এবং ‘শায়েস্তা করার হুমকি’ দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।


আরো সংবাদ

যেসব আসনে ‘ধানের শীষের’ প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে (২৮৭৩৪)বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে যারা প্রার্থী হলেন (১৩০২৭)মনোনয়ন না পাওয়া বিএনপির আনিসুল হক বললেন- ব্যক্তি নয় মার্কাই বড় (১১৮১৮)অভিমানে বিএনপি ছাড়লেন মনির খান (১১১৭৬)জোটে ২২ আর উন্মুক্তভাবে ১ আসনে লড়বে জামায়াত (১০৮৭৮)ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ (৯৭০৯)বিএনপির প্রার্থী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শাহ মোয়াজ্জেমকে লক্ষ্য করে গুলি! (৯২৭০)এত কিছু করেও মির্জা আব্বাসকে ঠেকাতে পারলেন না মেনন (৯২৪৯)বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন খন্দকার মাহবুব (৮৬১২)বিএনপির আরো চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন যারা (৭৯২০)