film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০

সরকারি কর্মচারীদের অনুপস্থিতিতে বেতন কর্তনে বিধিমালা

-

সরকারি চাকুরেদের অফিসে নিয়মিত উপস্থিতির বিষয়ে নতুন বিধিমালা জারি করেছে সরকার। গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ পরিমার্জন করে নতুন এই বিধিমালা জারি করা হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন-২০১৮-এর আওতায় সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সরকারি কর্মচারী (নিয়মিত উপস্থিতি) বিধিমালা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।
এ দিকে ১৯৮২ সালের গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ আদালতের রায় অনুযায়ী বাতিল হয়ে গেছে। এখন ওই অধ্যাদেশটি যুগোপযোগী করে নতুন বিধিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে। মূলত অধ্যাদেশের বিষয়গুলোই বিধিমালায় এসেছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে।
বিধিমালায় বলা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী নিজ কর্মে অনুপস্থিত থাকতে পারবে না। কোনো কর্মচারী অনুমতি ছাড়া অফিসে অনুপস্থিত থাকলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে কর্মচারীর প্রতিদিনের অনুপস্থিতির জন্য এক দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কেটে নিতে পারবে। এ ছাড়া উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী অফিস ত্যাগ করতে পারবেন না। তবে শর্ত থাকে যে, জরুরি প্রয়োজনে অফিস ত্যাগের ক্ষেত্রে সহকর্মীকে অবগত করে অফিস ত্যাগ করা যাবে। সংরক্ষিত রেজিস্টারে অফিস ত্যাগের কারণ, সময়, তারিখ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করতে হবে। কোনো সরকারি কর্মচারী যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া দেরিতে অফিসে উপস্থিত হতে পারবেন নাÑ উল্লেখ করে বিধিমালায় বলা হয়েছে, এই বিধান লঙ্ঘন করলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে কারণ দর্শানোর সুযোগ দিয়ে প্রতি দুই দিনের বিলম্বে উপস্থিতির জন্য এক দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে। এ ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ৩০ দিনের মধ্যে একাধিকবার বিনা অনুমতিতে অফিসে অনুপস্থিতি, অফিস ত্যাগ ও দেরিতে অফিসে উপস্থিত হলে ওই কর্মচারীর আরো অতিরিক্ত সাত দিনের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ কাটা যাবে। বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বেতন কাটা হলে তিনি তিন কার্যদিবসের মধ্যে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আদেশ পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করতে পারবেন। পুনর্বিবেচনার কোনো আবেদন করা হলে আদেশ প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ দিয়ে, বেতন কর্তনের আদেশ সংশোধন বা বাতিল রাখতে পারবে। পুনর্বিবেচনার আবেদন শুনানির ক্ষেত্রে সাক্ষ্যের সংক্ষিপ্তসার, প্রাপ্ত তথ্যাদি এবং সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মচারীর মাসিক বেতন বিল থেকে দণ্ডে অর্থ কেটে আদায় করতে হবে। ওই কর্মচারী নিজের বিল নিজে উত্তোলনকারী হলে তাকে বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কাটার নির্দেশ দিতে হবে। নির্দেশের কপি সংশ্লিষ্ট হিসাব শাখায় পাঠাতে হবে। ওই কর্মচারী বেতন বিল থেকে দণ্ডের অর্থ কর্তন না করলে হিসাবরক্ষণ অফিস তা কেটে বিল পাস করবে।


আরো সংবাদ

স্বাধীনতার গৌরব থেকে বামপন্থীদের বাদ দেয়া যাবে না : মেনন ঢাকা ট্যাকসেস বারের সভাপতি ইকবাল সম্পাদক সূফী মামুন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে দিয়ে আ’লীগ নিজেদের ফাঁদে পড়েছে : হাসান সরকার বাহান্নর ভাষা আন্দোলনেই স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ বপন হয়েছিল : জি এম কাদের প্রতিবন্ধকতার দেয়াল ভেঙে নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী সাংবাদিক সুমন হত্যাচেষ্টা মামলায় আরো একজন গ্রেফতার খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে উচ্চ আদালতের দিকে তাকিয়ে বিএনপি ইনসাফ প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করতে হবে : খেলাফত মজলিস দেশ ত্যাগের সময়ে বিমানবন্দরে জালনোটসহ গ্রেফতার ৪ দুর্ঘটনায় ৪ নেতার মৃত্যুতে ছাত্রদলের শোক দেড় কেজি স্বর্ণসহ গ্রেফতারকৃত নীলুফা রিমান্ডে

সকল