০৬ ডিসেম্বর ২০১৯

চট্টগ্রামে পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডাকাত নিহত

-

চট্টগ্রাম নগরীতে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আব্দুল আজিজ নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। গত রোববার রাত আড়াইটায় নগরীর খুলশী থানার নাসিরাবাদ প্রপার্টিজ লিমিটেড নামে একটি আবাসিক এলাকার পেছনে ঢেবারপাড়ে এই কথিত বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের দাবি, আব্দুল আজিজ ডাকাত দলের সদস্য। সে দুটি মামলায় এক যুগ সাজা খেটে তিন মাস আগে জেল থেকে মুক্ত হয়েছে। তারপর সে আবারো ডাকাতিতে জড়িয়ে পড়েছে।
খুলশী খানার ওসি প্রণব চৌধুরী নয়া দিগন্তকে বলেন, একটি ডাকাতির ঘটনার পর আজিজকে আমরা গ্রেফতারের জন্য খুঁজছিলাম। রোববার রাতে নাসিরাবাদ প্রপার্টিজের পেছনে ঢেবারপাড় এলাকার তার উপস্থিতির খবর পেয়ে আমরা গ্রেফতার অভিযানে যাই। সেখানে আজিজ ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আমরাও পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে তারা পিছু হটে। পরে ঢেবারপাড়ে একটি টিলার ওপর আজিজের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। ওসির দাবি, এই ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, গত ১৫ নভেম্বর দুপুরে খুলশী থানার গরীবউল্লাহ শাহ হাউজিং সোসাইটি এলাকায় আরিফুল হক নামে এক ব্যক্তির বাসায় তিনজন ডাকাত ঢুকে এক নারীকে আটক করে দুটি মোবাইল সেট, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা লুট করে। এ ঘটনায় খুলশী থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ তদন্তে নামে এবং শাহজালাল, দুর্জয় বণিক ও মোহাম্মদ রফিককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুসারে রোববার রাতে আজিজকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশ ঢেবারপাড় এলাকায় গেলে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
ঝিনাইদহে চরমপন্থী দলের আঞ্চলিক কমান্ডার নিহত
হরিণাকুণ্ডু (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতা জানান,ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাদশাহ শেখ (৫১) নামে চরমপন্থী দলের এক আঞ্চলিক কমান্ডার নিহত হয়েছে। এই ঘটনায় আহত হয়েছে দুই পুলিশ সদস্য। হত্যাসহ ৯টি মামলার আসামি বাদশাহ শেখ হরিণাকুণ্ডু পৌরসভার জোড়াপুকুরিয়া গ্রামের ডা: হেলাল উদ্দিন শেখের ছেলে। গত রোববার রাত ২টায় উপজেলার হরিণাকুণ্ডু-ঝিনাইদহ সড়কগামী হরিণাকুণ্ডু মাঠের একটি মেহগনি বাগানে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি শুটার গান ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের দাবি, কথিত বন্দুকযুদ্ধের সময় হরিণাকুণ্ডু থানার এসআই গোলাম সরোয়ার ও পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানা আহত হন। ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিলু মিয়া বিশ্বাস গণমাধ্যমকে বাদশাহর নিহতের সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে-এমন সংবাদের ভিত্তিতে হরিণাকুণ্ডু পৌরসভার তেঁতুলিয়া মোড় এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের গুলিবিনিময়ের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ লাশটি শনাক্ত করতে এলাকার গ্রামবাসীকে খবর দেয়। খবর পেয়ে কয়েকজন গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি বাদশাহ শেখের বলে শনাক্ত করে।
নিহত বাদশাহ শেখ পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টির (জনযুদ্ধ এমএল) আঞ্চলিক নেতা ছিল। তার বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে একটি হত্যা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে জেল খাটছিল। উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে ফেরারি জীবন যাপনের মাধ্যমে এলাকায় সন্ত্রাসী চাঁদাবাজির মতো কমর্কাণ্ডে লিপ্ত ছিল বলে এলাকাবাসী জানায়।


আরো সংবাদ

সকল




Paykwik Paykasa
Paykwik