১৬ অক্টোবর ২০১৯

অধিক সার ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর : কৃষি মন্ত্রী

-

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আবদুর রাজ্জাক বলেছেন, নাইট্রোজেন ব্যবহার ফসলের উৎপাদন ৩০-৩৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ায়। আবার অধিক নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার ব্যবহারে জমির ঊর্বরতা কমে যায়। অনেক কৃষক সারের সঠিক ব্যবহার না জেনে জমিতে বেশি বেশি সার ব্যবহার করে। যার ফলে সারের নাইট্রোজেন বাতাসে মিশে পরিবেশ দূষণ করে, আবার পানিতে মিশে মানুষের জন্য ক্ষতির কারণ হয়। তাই সার ব্যবহার পরিমিত করতে হবে এবং পর্যায়ক্রমে কমিয়ে আনতে হবে।
গতকাল রোববার রাজধানীর লেক ক্যাসেল হোটেলে ইন্টারন্যাশনাল নাইট্রোজেন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সাউথ এশিয়া রিজিউনাল ডেমোনস্ট্রেশন ওয়ার্কশপে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে আইএনএমএসের পরিচালক প্রফেসর ড. মার্ক এ সুত্তন, ভারতের নয়াদিল্লির এসএএনসির পরিচালক প্রফেসর ড. নান্দুলাল রাঘুরাম ও প্রফেসর ড. তপনকে অধ্যায়, বিরির মহাপরিচালক, ড. মো: শাজাহান কবীর, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. মো: গিয়াস উদ্দিন মিয়া বক্তৃতা করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ড. মো: মিজানুর রহমান।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে। সরকারের সবার জন্য লক্ষ্য নিরাপদ ও পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চত করা, এর জন্য কৃষকদের সচেতন করতে হবে। অধিক সার ব্যবহারের ফলে পরিবেশ ও মানুষের জন্য বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তা কৃষকদের জানাতে হবে। কৃষি কর্মে জৈব সার ও রাসায়নিক সার প্রয়োগের মাধ্যমে নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়। আমাদের কৃষি কর্মের প্রয়োজনে হেক্টর প্রতি আবাদি জমিতে রাসায়নিক সারের ব্যবহার অনেক বেশি। তিনি বলেন, অতীতে ফসল উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন মূলত জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমেই মেটানো সম্ভব হতো কিন্তু আজ তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ফলে রাসায়নিক পদ্ধতিতে ডাই-নাইট্রোজেন অণু ভেঙে হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হচ্ছে রাসায়নিক সার। গাছপালা কার্যত সারের মাত্র অর্ধেক নাইট্রোজেন ব্যবহার করে থাকে আর বাকি অর্ধেক নানা ধরনের বিক্রিয়াক্ষম নাইট্রোজেন অণুতে রূপান্তরিত হয়ে মাটি, পানি ও বাতাসে মিশে যায়। এভাবে বিক্রিয়াক্ষম নাইট্রোজেন দিন দিন বাড়তে থাকে আর শুরু হয় পরিবেশ দূষণের নতুন মাত্রার নাইট্র্রোজেন দূষণ।


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum