২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯

রাজধানীতে জেএমবির চার সদস্য গ্রেফতার

-

রাজধানীর উত্তর বাড্ডা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত উগ্রবাদী সংগঠন জেএমবির চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। তারা হলেনÑ রফিকুল ইসলাম ওরফে ইউসুফ, আলমগীর হোসেন, মহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুল্লাহ এবং হারুন-অর-রশিদ। গত মঙ্গলবার রাতের এ অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে উগ্রবাদী কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধকরণের ৭টি বই, একটি ম্যাগাজিন, একটি নোটবুক, ২টি ল্যাপটপ, একটি কি-বোর্ড, ৭টি মোবাইল ফোন, ১৫টি সিমকার্ড এবং ২ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল সারওয়ার-বিন-কাশেম জানান, ফরিদপুরে জন্ম ইউসুফ ২০০৭ সালে হাফেজি পাস এবং ২০০৯ সালে দাশেরহাটি কওমি মাদরাসা থেকে শুনানি শেষ করেন। ২০১১ সাল থেকে বিভিন্ন মাদরাসায় হেফজ শিক হিসেবে চাকরি করেন। রাজীব নামে একজনের মাধ্যমে তিনি জেএমবিতে জড়িয়ে পড়েন। তারা দু’জনসহ নাঈম, রাসেল, ইমন, রায়হান, জহিরসহ আরো ২-৩ জন উগ্রবাদী একত্রে টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নেন। মাসখানেক সেখানে অবস্থানের পর নিরাপত্তার স্বার্থে বাসা পরিবর্তন করে সাইনবোর্ড এলাকায় বাসা নেন।
কুমিল্লায় জন্ম আলমগীর ২০০৩ সালে হাফেজি এবং ২০১০ সালে মুফতি পাস করে। ২০১১ সালে দাওরায়ে হাদিস পাস করেন। তারপর তিনি বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসায় ইমাম ও খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১-১২ সালে মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানির মাদরাসায় পড়াশুনা ও চাকরির সময়ে উগ্রবাদে উদ্ধুদ্ধ হন। পরে মুফতি জসিম উদ্দিন রহমানি গ্রেফতার হলে আলমগীর আত্মগোপনে চলে যান। ২০১৪ সালে ইউসুফের মাধ্যমে তিনি জেএমবিতে যোগ দেন।
বাগেরহাটে জন্ম সাইফুল্লাহ পঞ্চম শ্রেণীর পর আর পড়াশুনা করেননি। আলমগীর ও ইউসুফের সাথে পরিচয় ও সখ্যের মাধ্যমে তিনি জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়েন।
ঢাকায় জন্ম হারুন-অর-রশিদ ২০০৮ সালে হাফেজি এবং ২০১৭ সালে মাওলানা পাস করে। ২০১৮ সালের শেষের দিকে ঢাকায় একটি আয়ুর্বেদিক ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি নেন। ২০১৯ সালে আলমগীর ও ইউসুফের সাথে পরিচয় হয় এবং জেএমবিতে যোগ দেন।


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat Paykasa buy Instagram likes Paykwik Hesaplı Krediler Hızlı Krediler paykwik bozdurma tubidy