২১ আগস্ট ২০১৯

খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করার দাবি

-

খাদ্য নিরাপত্তার জন্য সামাজিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি থাকা সত্ত্বেও দেশের মোট জনসংখ্যার ১২.৯ শতাংশ এখনো অতিদরিদ্র। যার অর্ধেক বেশি কম ও অপর অর্ধেক অল্প কম খেতে পায়। প্রধানত এ জনগোষ্ঠীই দরিদ্র বলে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টি পায় না। অপর দিকে, সমাজে আয়বৈষম্যের কারণে শীর্ষ ১০ ভাগ ধনী পরিবারের আয় মোট জাতীয় আয়ের ৩৮ শতাংশ এবং নিম্নে অবস্থানকারী ১০ ভাগ অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠী মোট জাতীয় আয়ের মাত্র ১ শতাংশের মালিক। এ পরিস্থিতি দেশের সব মানুষের মৌলিক অধিকারÑ খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বস্ত্র ও বাসস্থান প্রতিষ্ঠার বিষয়কে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন করে তুলেছে।
উপর্যুক্ত প্রেক্ষাপটে অবিলম্বে ‘খাদ্য অধিকার আইন’ প্রণয়নে উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে অতিদরিদ্র ও দরিদ্র মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। গতকাল ঢাকায় ইকনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে ইকো কো-অপারেশনের সিভিক এনগেজমেন্ট এলায়েন্স প্রোগ্রাম ও ক্রিশ্চিয়ান-এইড এর সহায়তায় খাদ্য অধিকার বাংলাদেশ ও ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত ‘খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন।
ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সংলাপে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ে উপস্থাপনা তুলে ধরেন খাদ্য অধিকার বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক ও ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। বক্তব্য দেন ইকো কো-অপারেশনের লবি অ্যান্ড অ্যাডভোকেসি এক্সপার্ট আরশাদ সিদ্দিকী। সংলাপ সঞ্চালনা করেন ইআরএফ সাধারণ সম্পাদক এস এম রাশিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ইআরএফ কয়েকজন সদস্যও বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা বলেন, সংবিধান খাদ্য অধিকারকে স্বীকৃতি প্রদান করেছে কিন্তু সময়ের প্রেক্ষাপটে এখন প্রয়োজন আইন তৈরি করা। বাংলাদেশ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধন করেছে এবং ক্রমাগতভাবে দারিদ্র্যের হার কমে আসার ক্ষেত্রেও ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু এরপরেও এখনো বাংলাদেশের দুই কোটি ৫০ লাখ মানুষ অপুষ্টির শিকার। যার মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ নারী রক্ত স্বল্পতায় ভুগছে। উত্তরবঙ্গসহ দারিদ্র্যপ্রবণ ৯ জেলায় ও এর বাইরে নদীভাঙন এলাকা, চরাঞ্চল ও হাওর এলাকা, রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন মহানগরের বস্তিবাসী, চা বাগানের শ্রমিক, হরিজন ও বেদে সম্প্রদায়, হিজড়া সম্প্রদায়, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যা এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্যান্য অংশ মানবেতর জীবনযাপন করে। এদের খাদ্য ও পুষ্টির দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে এবং তা নিশ্চিতে খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়ন জরুরি বলে মত প্রদান করেন বক্তারা।
বক্তারা আরো বলেন, দেশের উন্নয়নে মেগা প্রকল্প যেমন প্রয়োজন রয়েছে, পাশাপাশি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দরিদ্র এবং অতিদরিদ্রদের জীবনমান উন্নয়নের জন্যও প্রকল্প নিতে হবে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হবে এবং এর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষ নিজেরাই নিজেদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে।


আরো সংবাদ

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে : প্রধানমন্ত্রী সেই বৃদ্ধ বন্দর আলীর দায়িত্ব নিলো সন্তানরা বিপিএলে নতুন নয় পুরোনো নিয়মের পক্ষেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স চিকিৎসাও নিতে পারছে না কাশ্মিরীরা মিয়ানমারে ভয়াবহ সংঘর্ষে ৩০ সেনা নিহত ‘দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলে নিরলসভাবে কাজ করছে দুদক’ চিড়িয়াখানায় একই দিনে এলো দুই নতুন অতিথি ধান ক্ষেতের আইলে অবৈধ বৈদ্যুতিক তারে যুবকের মৃত্যু, মামলা নিচ্ছে না পুলিশ  রোহিঙ্গাদের শৃঙ্খল ব্যতীত হারানোর কিছু নেই নৌকার কর্মীকে সিগারেটের ‘ছ্যাঁকা’ দিলো আ. লীগ কর্মীরা আদালতে জবানবন্দি দিলো অন্তঃসত্ত্বা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী

সকল




mp3 indir bedava internet