২০ জুলাই ২০১৯

ডেনমার্ক থেকে ৪টি কনটেইনার জাহাজ পাচ্ছে বিএসসি

-

ডেনমার্ক থেকে চারটি কনটেইনার জাহাজ পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৬০ কোটি টাকা। ২৫ বছর মেয়াদে ১ দশমিক ৮ শতাংশ সহজ সুদে এ টাকা ঋণ হিসেবে দেবে ডেনমার্ক। আগামী ছয় মাসের মধ্যে এ বিষয়ে সমঝোতাস্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিজ উইনি এস্ট্রাপ পিটারসেন গতকাল মঙ্গলবার নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরীর সাথে সচিবালয় অফিসে সাক্ষাৎকালে এ আগ্রহের কথা জানান। এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আবদুস সামাদ, বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর ইয়াহইয়া সৈয়দ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, চারটি জাহাজ নির্মাণে প্রায় ১০০ মিলিয়ন ইউরো ব্যয় হবে। প্রতিটি জাহাজ এক হাজার ৫০০টি কনটেইনার (২০ ফুটের কনটেইনার) বহন করতে পারবে। জাহাজগুলো চট্টগ্রাম-কলম্বো এবং চট্টগ্রাম-সিঙ্গাপুর ফিডার রুটে চলাচল করবে। এমওইউ স্বাক্ষরের তিন বছরে মধ্যে জাহাজগুলো পাওয়া যাবে।
এর আগে বিএসসিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে গত আট বছরে দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চীন থেকে ছয়টি জাহাজ সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে চীন আর্থিক সহায়তা দিয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকারের। এ ছাড়া চীন থেকে বিএসসির বহরে আরো ছয়টি জাহাজ সংযুক্ত করা হবে। এ জন্য প্রাথমিকভাবে এর ব্যয় ধরা হয়েছে ২ দশমিক ৫০ কোটি মার্কিন ডলার। ইতোমধ্যে একনেকে এর অনুমোদনও পাওয়া গেছে।
সংগৃহীত জাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে, এমভি বাংলার জয়যাত্রা, এমভি বাংলার সমৃদ্ধি, এমভি বাংলার অর্জন, এমটি বাংলার অগ্রযাত্রা, এমটি বাংলার অগ্রদূত ও এমটি বাংলার অগ্রগতি।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সময় বিএসসির যাত্রা শুরু হয়। করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৮টি জাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছিল। বয়সজনিত কারণে এবং বাণিজ্যিকভাবে অলাভজনক বিবেচিত হওয়ায় বিভিন্ন পর্যায়ে ৩৬টি জাহাজ বিক্রয় করা হয়। বর্তমানে বিএসসির বহরে আটটি জাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ছয়টি নতুন ও দু’টি পুরনো।

 


আরো সংবাদ




gebze evden eve nakliyat instagram takipçi hilesi