২৪ জুন ২০১৯
গার্মেন্ট টিইউসির সমাবেশে নেতৃবৃন্দ

শ্রমিকদের বোনাসের দাবি যাতে উপেক্ষিত না হয়

-

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ ২০ রোজার মধ্যে বেসিকের সমপরিমাণ ঈদ বোনাস ও মে মাসের মজুরিসহ সব বকেয়া পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, বেসিকের সমান বোনাসের দাবি অন্যান্য বছরের মতো এবারো যাতে উপেক্ষিত না হয়।
শ্রমিকদের বেতন বোনাসের দাবিতে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের উদ্যোগে গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে শ্রমিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু ঘোষের সভাপতিত্বে এবং শ্রমিক নেতা এম এ শাহীনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শ্রমিক নেতা জলি তালুকদার, কার্যকরী সভাপতি কাজী রুহুল আমীন, কেন্দ্রীয় নেতা সাদেকুর রহমান শামীম, দুলাল সাহা, দিলীপ নাথ প্রমুখ।
মন্টু ঘোষ বলেন, দেশে সবচেয়ে বিলাসবহুল জীবন যাপন করেন গার্মেন্ট মালিকেরা; কিন্তু শ্রমিকদের পাওনার কথা এলে তারাই সবচেয়ে বিত্তহীন হয়ে যান। প্রতি বছর ঈদ উৎসবের সময় গার্মেন্ট শ্রমিকরা উৎসব বোনাস থেকে বঞ্চিত হয়। তিনি সঙ্কট নিরসনে সরকারি সংস্থাগুলোর নির্বিকার ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানান। তিনি আগামী জাতীয় বাজেটে গার্মেন্ট শ্রমিকদের আবাসন, রেশনিং ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দের দাবি জানিয়ে বলেন, যে শ্রমিকদের উদয়অস্ত শ্রমে আর অবদানে দেশের অর্থনীতি সচল আছে তাদের জন্য আজ পর্যন্ত কোনো দিন পৃথক বরাদ্দ দেয়া হয়নি। অথচ মালিকরা কর রেয়াত, শুল্ক অবকাশসহ সব প্রণোদনা ভোগ করেন।
জলি তালুকদার বলেন, দেশে জনপ্রশাসন ও সেবা খাতে এবং সরকারি-বেসরকারি নির্বিশেষে সব কর্মকর্তা-কর্মচারী মূল মজুরির সমান উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন। অথচ বেশির ভাগ রফতানি আয়ের কারিগর, সর্ববৃহৎ উৎপাদন খাত গার্মেন্ট শিল্পের শ্রমিকেরা বরাবরই বঞ্চিত।
তিনি তার বক্তব্যে বলেন, কয়েক শ’ কারখানায় ইতোমধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো বাস্তবায়ন না করা এবং কয়েক মাসের বকেয়া মজুরি নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। তিনি ২০ রমজানের মধ্যে বেসিকের সমান ঈদ বোনাস ও মে মাসের সম্পূর্ণ মজুরিসহ সব বকেয়া পরিশোধের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


আরো সংবাদ