২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

‘অ্যাকর্ড’ পোশাক কারখানা পরিদর্শনে আরো ২৮১ দিন সময় পেল

-

বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের ইউরোপিয়ান ক্রেতাদের সমন্বয়ে গঠিত কারখানা পরিদর্শন ও উপসম পরামর্শ সংক্রান্ত ইউরোপিয়ান এজেন্সি জোট ‘অ্যাকর্ডের’ কার্যক্রম চালাতে আরো ২৮১ দিন সময় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এরপর বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়ে সব দায়-দায়িত্ব বিজিএমইএকে হস্তান্তর করতে হবে।
গতকাল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ অ্যাকর্ডের সময় আবেদনের শুনানির সময় বিজিএমইএ’র সাথে অ্যাকর্ডের সমঝোতা স্মারক চুক্তি তারিখ থেকে (৮ মে) থেকে এ সময় বৃদ্ধির আদেশ দেন। একইসাথে এ সময়ের মধ্যে অ্যাকর্ড বিজিএমইএ’র সাথে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুসারে সব দায়িত্ব বিজিএমইএ’কে হস্তান্তর করবে। পাশাপাশি অ্যাকর্ডের ভেতর বিজিএমইএ’র একটি সেল গঠন করা হবে এবং অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএ যৌথভাবে কারখানা পরিদর্শন ও এর নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাকর্ডের সময় আবেদনের শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা। এছাড়াও বিজিএমইএ’র পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম এবং অ্যাকর্ডের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সালাউদ্দিন আহমেদ।
এ বিষয়ে ইমতিয়াজ মইনুল ইসলাম বলেন, অ্যাকর্ড ও বিজিএমইএ’র মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই স্মারকের শর্তানুসারে অ্যাকর্ডকে এই সময় দেয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে রানা প্লাজা ধসের পর একই বছরের ১৫ মে ইউরোপের ২০টি দেশসহ উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার ২০০ ব্র্যান্ড এবং খুচরা ক্রেতা ও কয়েকটি ট্রেড ইউনিয়নের সমন্বয়ে অ্যাকর্ড গঠিত হয়। সরকারের সাথে চুক্তি অনুযায়ী, ৫ বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে সরকারের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত ৬ মাস সময় এ দেশে কাজ করার সুযোগ দেয়া হয় অ্যাকর্ড এবং অপর ক্রেতাজোট উত্তর আমেরিকার অ্যালায়েন্সকে। বর্ধিত সেই মেয়াদও শেষ হয়।
এরপর হাইকোর্ট বিভাগ বাংলাদেশে অ্যাকর্ডের কার্যক্রম নিয়ে চূড়ান্ত রায় দিয়ে বাংলাদেশ থেকে কার্যক্রম গুটিয়ে নিতে অ্যাকর্ডকে নির্দেশ দেন। হাইকোর্টের রায়ের পর আপিল বিভাগে মামলাটির নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ায় বারবার সময় আবেদন করে আসছিল অ্যাকর্ড। গতকাল আপিল বিভাগ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

 


আরো সংবাদ