২২ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

আইনজীবী ও লেখক ইমতিয়াজ মাহমুদ কারাগারে

-

খাগড়াছড়ি সদর থানায় সফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ২০১৭ সালের ২১ জুলাই তথ্য প্রযুক্তি আইনে করা একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও লেখক ইমতিয়াজ মাহমুদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বুধবার (১৫ মে) সকালে রাজধানীর বনানীর নিজ বাসা থেকে বনানী থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ।
অপর দিকে ইমতিয়াজ মাহমুদের পক্ষে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান (রচি), সাখাওয়াত হোসেনসহ (তাসলিম) বেশকিছু আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।
শুনানিতে আইনজীবীরা বলেন, তিনি সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। তার বিরুদ্ধে আইসিটি মামলা ছিল। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই চার্জশিট দাখিল পর্যন্ত তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন।
হয়তো বা কোনো একটা কাগজ আদালতে না পৌঁছানোর কারণে এ রকমটি হয়েছে। এমতাবস্থায় আমরা তার জামিন চাচ্ছি।
তখন বিচারক বলেন, ২০১৯ সালের ২১ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আর চার্জশিটও বোধহয় চলে এসেছে। তখন আইনজীবীরা বলেন, কোথাও একটা ভুল হচ্ছে।
তখন বিচারক বলেন, ভুল আপনাদের হতে পারে আবার আমাদেরও হতে পারে। আর আমার কাছে তো মূল নথি নেই। এরপর আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদি সফিকুল ইসলাম মামলায় অভিযোগ করেনÑ ২০১৭ সালের ১ জুলাই রাত সোয়া ১২টায় ইমতিয়াজ মাহমুদ ফেসবুকে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা সৃষ্টিমূলক একটা পোস্ট দেন। তার এ পোস্ট খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার যেকোনো স্থানে পাহাড়ি-বাঙালিদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রত্যক্ষ উসকানি ছিল বলে বাদি এজাহারে উল্লেখ করেন। ২ জুলাই তিনি আরেকটি মিথ্যা পোস্ট দেন দেন, যা মিথ্যা বলে বাদি উল্লেখ করেন। ৬ জুলাই এবং ১০ জুলাই তিনি আরো পোস্ট দেন। ১ জুলাই থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত আসামির দেয়া পোস্টগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের জন্য উসকানিমূলক।
পোস্টগুলোর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারীদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক উসকানি ছড়ানো হয়েছে। বাঙালি জাতিকে হেয় করে সেটলার আখ্যায়িত করা হয়েছে।’
ইমতিয়াজের পোস্টগুলো ‘পাহাড়ে দাঙ্গা’ লাগানোর জন্য পরিকল্পিত বলেও অভিযোগ করেন বাদি সফিকুল।


আরো সংবাদ




portugal golden visa
paykwik