১৮ আগস্ট ২০১৯

অর্থ পাচারের মামলায় মামুনের ৭ বছর কারাদণ্ড

-

ছয় কোটি টাকা লন্ডনে পাচার করার মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ১২ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে মামুনের দুই অ্যাকাউন্টে থাকা ছয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দেয়া হয়েছে। গতকাল ঢাকার বিশেষ-৩ এর বিচারক আবু সৈয়দ দিলজার হোসেন এ আদেশ দেন। আদেশ দেয়ার সময় আসামি গিয়াস উদ্দিন আল মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিটিএল ও গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালের চেয়ারম্যান এম শাহজাদ আলী রেলওয়ের সিগন্যাল সিস্টেম আধুনিকায়নের টেন্ডার পান। কিন্তু কার্যাদেশ চূড়ান্ত করার সময় মামুন তার কাছে অবৈধ কমিশন দাবি করেন। অন্যথায় কার্যাদেশ বাতিলের হুমকি দেন। হুমকি দিয়ে মামুন ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে ছয় কোটি এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তা বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে পাচার করেন। ওই ঘটনায় ২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থানায় দুদক মামলা করে। ২০১২ সালের ২৯ এপ্রিল মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো: ইব্রাহিম।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন গিয়াস উদ্দিন আল মামুন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে। ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর মামুনকে অপর এক অর্থপাচার মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত। রায়ে কারাদণ্ডের পাশাপাশি মামুনকে ৪০ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়। পাচার করা ২০ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ৬১৩ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেন আদালত।


আরো সংবাদ




bedava internet