১৭ আগস্ট ২০১৯
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের জরিপ

তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপনে আইন মানা হচ্ছে না

-

তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ হচ্ছে না। বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বিজ্ঞাপনে শতভাগ আইন লঙ্ঘন হচ্ছে। ক্যাম্পেইন ফর টোব্যাকো ফ্রি কিডস-এর সহযোগিতায় ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ পরিচালিত এক জরিপে উঠে এসেছে এমন সব তথ্য। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের মানিক মিয়া হলে তামাকজাত পণ্য বিষয়ে পরিচালিত এ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
এতে জানানো হয়, দেশের কোনো তামাকপণ্যের দোকানেই শতভাগ আইন মানা হয় না। ৬৬ শতাংশ দোকানে তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন দেখা না গেলেও, প্রোডাক্ট ডিসপ্লে হিসেবে সব দোকানেই তামাকপণ্যের খালি প্যাকেট সাজিয়ে রাখা হয়। ১৮ শতাংশ দোকানে তামাকপণ্যের স্টিকার, ১৪ শতাংশ দোকানে পোস্টার, ৮ শতাংশ দোকানে ব্র্যান্ড মার্কিং, ১ শতাংশ দোকানে ব্যানার দেখা যায়। বিভিন্ন দোকানে তামাকপণ্যের ব্র্যান্ড এবং লোগোসংবলিত ডিসকাউন্ট কুপন, উপহারসামগ্রী, দোকানির টি-শার্ট ব্যবহার করা হয়, যা তামাকপণ্যের পরোক্ষ বিজ্ঞাপন। অনেক দোকানে এখানে ন্যায্য মূল্যে সিগারেট পাওয়া যায়Ñ এমন স্টিকার লাগানো থাকে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দামও লেখা থাকে। এগুলোও এক ধরনের বিজ্ঞাপন, যা আইনে নিষিদ্ধ।
জরিপের ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের এপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা: সোহেল আহমেদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ড. নাসির উদ্দিন আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) উপ সচিব খন্দকার জাকির হোসেন, বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির যুগ্ম সচিব অধ্যাপক ডা: গোলাম মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য বিভাগের সাবেক সচিব রুহুল কুদ্দুস, ডা: আহমেদ খায়রুল আবরার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, আইনে তামাকপণ্যের সব ধরনের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ হলেও দোকানিরা কোম্পানিগুলোর ফাঁদে পড়ে বুঝে অথবা না বুঝেই এসবের বিজ্ঞাপন প্রচার করছেন। তাই তামাকপণ্যের বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা বন্ধে কঠোর আইনের প্রয়োগ এবং আইন লঙ্ঘনের জন্য দোকানিদের পাশাপাশি কোম্পানিগুলোকেও শাস্তির আওতায় আনতে বর্তমান আইনের সংশোধন প্রয়োজন।


আরো সংবাদ




bedava internet