১৯ জুন ২০১৯

জবি ছাত্রলীগের কার্যক্রম স্থগিতের পর শোডাউনে বহিষ্কৃত নেতারা

-

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ক্যাম্পাসে শাখা ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিতের পর ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামে দু’টি গ্রæপ অবস্থান নিয়ে মহড়া দেয়ায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ দিকে শোডাউনের নেতৃত্বে বহিষ্কৃত সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের উপস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কমিটির সাংগঠনিক কার্যক্রম না থাকায় বহিষ্কৃত নেতাদের দ্বারা যেকোনো অনাকাক্সিত ঘটনা ঘটার আশঙ্কায় আছে জুনিয়র কর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
জানা যায়, গত ৩ ফেব্রæয়ারি শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রæপের সংঘর্ষের জের ধরে ক্যাম্পাসে সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এরপর গত মঙ্গলবার সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর গ্রæপ ও বুধবার সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের নামে আরেকটি গ্রæপ ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়। যার নেতৃত্বে থাকা আশরাফুল আলম জবি ছাত্রলীগের সহসভাপতি পদ পাওয়ার পরপরই স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেয়, যুগ্ম সম্পাদক হোসনে মোবারক রিশাত ও মশিউর রহমান লিজনকে চাঁদাবাজির দায়ে কেন্দ্রীয় সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়। এবং শোডাউনে থাকা কর্মীপর্যায়ের বেশ কয়েকজন ক্যাম্পাসে মারামারি ও সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার হন।
জবি ছাত্রলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসে আমাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। বেশ আগ থেকে একটি চক্র ক্যাম্পাসে নাশকতার পরিকল্পনা করছে। তারা যদি কেন্দ্রীয় সংগঠনের নাম ভাঙায় তাদের ব্যবস্থাও কেন্দ্রীয় সংগঠন করবে।
এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ জয়নুল আবেদীন রাসেল বলেন, ক্যাম্পাসে আমাদের কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম নেই। ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে যারা শোডাউন দিচ্ছে তাদের অনেকেই বহিষ্কৃত। এখন ক্যাম্পাসে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলে তার দায়ভার আমাদের না।


আরো সংবাদ