১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

নম্বর পরিবর্তন না করেই অন্য অপারেটরের সেবা

মোবাইল ফোন ব্যবহারের ছবিটি প্রতীকী - ছবি : ইন্টারনেট

বুধবার থেকে দেশে চালু হচ্ছে নম্বর পরিবর্তন না করে অন্য অপারেটরের সেবা নেওয়ার সুযোগ- মোবাইল নাম্বার পোর্টেবেলিটি বা এমএনপি সেবার কার্যক্রম। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৭০টির মতো দেশে এমএনপি সেবা চালু রয়েছে।

বাংলাদেশে এমএনপি চালু হলে একজন মোবাইল ফোন গ্রাহক কিভাবে লাভবান হবেন? বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলছিলেন, ‘মূল উদ্দেশ্য হল একটা মোবাইল সিম কিনে, যাতে করে প্রত্যেকটা সিম কিনতে না হয়। যেমন গ্রামীণের সিম দিয়ে রবি তে কথা বলতে পারবে।’

কিন্তু এখনো মোবাইল গ্রাহকরা বিভিন্ন অপারেটরের সিমে ফোন করতে পারেন, সেক্ষেত্রে পার্থক্যটা কী হবে? তিনি বলেন, এখন কথা বলতে গেলে কল রেটের তারতম্য হয় অর্থাৎ বাংলালিংক থেকে গ্রামীণে কথা বলতে গেলে হয়ত কলরেট বেশি হতে পারে; কিন্তু এক্ষেত্রে কলরেট একই রকম থাকবে।

‘মোবাইল নাম্বার পোর্টেবেলিটি বা এমএনপি সেবা চালু হলে একজন গ্রাহকের লাভবানের জায়গা হল যদি তার একটা গ্রামীণের নম্বর আছে সে কথা বলতে চায় টেলিটকে, সে সরাসরি টেলিটকে কথা বলতে পারবে। এই সুবিধা সে পাবে’ বলছিলেন বিটিআরসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

তবে এক্ষেত্রে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে 'অফনেট-অননেট রেট' ঠিক করতে হবে।'অফনেট-অননেট রেট' যদি ঠিক করা যায় তাহলে এমএনপি করলে খুব লাভ হবে। এখন সব কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে আছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

টেলিটক এবং বিটিসিএল এখনো পর্যন্ত প্রস্তুত হয়নি বলে তিনি জানান, তবে বাকি অপারেটররা প্রস্তুত আছে। তবে একই নম্বর দিয়ে অন্য অপারেটরে কথা বলার এই সেবা চালু করতে বাড়তি কোন অর্থ খরচ করতে হবে না।

আরো পড়ুন : বাংলাদেশে চালু হচ্ছে ফাইভজি

দেশে পঞ্চম প্রজন্মের ইন্টারনেট সেবা ফাইভজি চালু করতে যাচ্ছে সরকার। এ লক্ষ্যে বুধবার এই সেবার পরীক্ষামূলক প্রদশর্নী হবে।  প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি–বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি  মঙ্গলবার জানান, এই মুহূর্তে আমি ট্রাফিকে আটকে আছি কিন্তু ঢাকাতে বসেই ঠিক আমেরিকার মতোই ৪জি ইন্টারনেট সেবা পাচ্ছি। আমরা কয়েকমাস আগে ৪জি সেবা চালু করলেও ইতোমধ্যেই কাভারেজ বেশ ভালো বলে মনে হচ্ছে। এর জন্য টেলিকম কোম্পানিগুলোকে আমি ধন্যবাদ জানাই। আওয়ামী লীগ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আরেকটি মাইলফলক অর্জন।


আন্তর্জাতিক টেলিকম সংস্থা হুয়াওয়ের সহযোগিতায় সরকার এই পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু করবে- গত ১২ জুন এক বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে যার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।

ফোরজি-র সম্প্রচার তরঙ্গ নিলামে বিক্রির চারমাস পর ফাইভজি নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। যদিও এখনো মোবাইল ফোন অপারেটররা ফোরজি নেটওয়ার্ক পুরোপুরিভাবে চালু করতে পারেনি।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এর আগে বলেছিলেন, আমরা তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করেছি,  চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্বদানকারী দেশ হিসেবে এখন বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ২০২০ সালে সারা পৃথিবী ফাইভজিতে প্রবেশ করবে। এ থেকে দেশকে পিছিয়ে থাকতে দেয়া যাবে না।

আরো পড়ুন: আসছে নয় ক্যামেরার স্মার্টফোন!
মার্কিন ডিজিটাল ফটোগ্রাফি ও ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লাইট এবার পাঁচ থেকে নয় ক্যামেরার স্মার্টফোন বানাতে কাজ শুরু করেছে। লাইট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে নতুন স্মার্টফোনটি দিয়ে ৬৪ মেগাপিক্সেল এর ছবি ধারণ সহ কম আলোতে ভালো কার্যকর এবং বাস্তবধর্মী ডেপথ এফেক্ট আনা যাবে। অ্যাপলের আইফোনের চেয়ে খুব বেশি পুরু হবে না স্মার্টফোনটি। ছবিগুলো একসঙ্গে জোড়া লাগাতে অভ্যন্তরীণ প্রসেসিং ব্যবহার করবে।

স্মার্টফোনটি তৈরিতে ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটিতে বিনিয়োগ করেছে ফক্সকন। চলতি বছরের শেষ দিকে একের অধিক লেন্সযুক্ত স্মার্টফোনটি উন্মোচন করতে পারে লাইট। প্রতিটি আলাদা ছবি ধারণের জন্য ব্যবহৃত লেন্স এবং সেগুলো একসঙ্গে জোড়া দিতে যে প্রসেসিং ক্ষমতা দরকার তা সস্তা নয়। ১৬টি লেন্সের একটি লাইট ক্যামেরার দামই পড়ে প্রায় দুই হাজার মার্কিন ডলার। ২০১৫ সালে ১৬টি লেন্সযুক্ত এল১৬ ক্যামেরা উন্মোচন করেছে লাইট। ২০১৭ সালে বাজারে আসা এই ক্যামেরা দিয়ে ৫২ মেগাপিক্সেল ছবি ধারণা করা যায়। এটির ফলাফল আকর্ষণীয়, বিশেষকরে আকার বিবেচনা করলে। এটি আসলেই পকেটে রাখা যায়। বর্তমানে অধিকাংশ গ্রাহক এমন একটি স্মার্টফোন চান যাতে আসল ক্যামেরার সব ক্ষমতা থাকে।


আরো সংবাদ