১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগ নিয়ে শঙ্কা

নানা জল্পনা-কল্পনার পরে নতুন সড়ক পরিবহন আইন পাস হলেও রাস্তায় শৃঙ্খলা ফেরেনি মোটেও। মোটরসাইকেল চালক-আরোহীরা হেলমেট ব্যবহারসহ কিছুটা আইন মানলেও বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহন, পথচারী পারাপারের চিত্র তেমন বদলায়নি। বাসগুলোয় ধরা পড়েছে চিরাচরিত সব অনিয়ম। নতুন আইন কার্যকর করতে না করতেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবাদে পরিবহন ধর্মঘট শুরু করেছে পরিবহন সংশ্লিষ্ট চালক-শ্রমিকরা। পরিবহন শ্রমিকদের দাবি, যেভাবে আইন করা হয়েছে তাতে তাদের পক্ষে গাড়ি চালানো সম্ভব নয়।

এ দিকে নতুন সড়ক পরিবহন আইনের জামিন অযোগ্য ধারা পরিবহন চালক সঙ্কট বাড়িয়ে তুলবে বলে মনে করছেন মালিকরা। নতুন আইনকে স্বাগত জানালেও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি জামিন অযোগ্য ধারাগুলো সংশোধনের দাবি জানিয়েছে।

অপর দিকে আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত ফুটপাথ ও ফুটওভারব্রিজ কিংবা পার্কিং স্পেসের মতো ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা না দিয়েই সড়ক পরিবহনে কঠোর আইন কার্যকর করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ। ফলে আইনের সঠিক প্রয়োগ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ দিকে রাজধানীতে যে হারে বাড়ছে স্কুল-কলেজ এবং বিপণিবিতান সে তুলনায় পার্কিংয়ের জায়গায়ই বা আছে কতটুকু। আর সরকারি ব্যবস্থাপনায় পার্কিংয়ের জায়গা কি পর্যাপ্ত? এত সব প্রশ্নের সমাধান না করেই সড়কে কঠোর আইনের খড়গ নেমে আসায় ক্ষুব্ধ নগরবাসী।

তারা বলেন, পথচারীদের জন্য পর্যাপ্ত ফুটপাথ নেই, ফুটওভারব্রিজ নেই। ব্যবস্থাপনা পর্যাপ্ত না হওয়ায় সাধারণ মানুষ বেশি হয়রানি হবেন। এ দিকে গতকাল সোমবার থেকে নতুন সড়ক আইন কার্যকরে অভিযান ও মামলা দেয়া শুরু করে দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) ভ্রাম্যমাণ আদালত। প্রথম দিনেই রাজধানীর ছয়টি স্থানে আটটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নগরীর অনেক স্থানেই ফুটওভারব্রিজ নেই তার পরে জেব্রাক্রসিংয়ে যানবাহন থামে না। সেখানে পথচারীদের রাস্তা পারাপারে হাজার টাকা জরিমানা বেমানান। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত রোববার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, আইন করে জরিমানা আদায় মুখ্য উদ্দেশ্য নয়, নতুন সড়ক পরিবহন আইনের মাধ্যমে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি বলেন, সরকার চায় সবাই আইন মেনে চলুক।

পরিবহন সেক্টরের প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন সংসদে পাস হয়ে গেছে, এটি নিয়ে এখন কিছুই করার নেই। কিছু করতে হলে আবার সংসদে যেতে হবে। আইনটি করার সময় আমরা বহু দেশের সড়ক আইনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলেছি।

তিনি বলেন, চালক ইচ্ছা করে যদি কোনো দুর্ঘটনা ঘটান তাহলে ৩০২ ধারায় মামলা হবে। জামিনের এখতিয়ার আমাদের নেই, এটি আদালতে বিচারক দেখবেন। আমরা শুধু আইন করে দিয়েছি। চালকের ভূমিকা পর্যালোচনা করে বিচারক জামিন দেয়ার বিষয়টি দেখবেন। তবে কোনো কিছুই অপরিবর্তনযোগ্য নয়। আইনে কোনো অসঙ্গতি থাকলে আমরা পরীক্ষা করে দেখব। পরিবর্তনের বিষয়টি যদি যুক্তিসঙ্গত মনে হয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সড়ক পরিবহন আইনের সাথে যুক্তিযুক্ত না হয়, তাহলে বিষয়গুলো আমরা বিবেচনা করে দেখব।

বিআরটিএর পরিচালক (এনফোর্সমেন্ট) এ কে এম মাসুদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, নতুন আইন গত ১ নভেম্বর কার্যকর হলেও আজ (গতকাল) থেকে প্রায়োগিক প্রক্রিয়া শুরু করল বিআরটিএ। গত ১৮ দিন জনসচেতনতার জন্য আমরা প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছি। প্রথম দিন রাজধানীর উত্তরা, বনানী, মতিঝিল, মিরপুর, যাত্রাবাড়ী ও মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকায় আটটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সেখানে নতুন আইন প্রয়োগে জরিমানা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

মাসুদুর রহমান বলেন, প্রথম দিন হিসেবে আমরা আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ না করে সহনীয় মাত্রায় জরিমানা ও মামলা করেছি, কাউকে জেল দেয়া হয়নি। যাতে করে মানুষ সচেতন হয়। তবে ধীরে ধীরে আইনের সর্বোচ্চ ও যথাযথ প্রয়োগ করা হবে।

যাত্রাবাড়ী-মিরপুর রুটের শিকড় পরিবহনের চালক রিফাতসহ বেশ কয়েকজনের সাথে কথা বললে নতুন সড়ক আইন নিয়ে তারা বলেন, আইনে কিছু কিছু ধারা জামিনঅযোগ্য। এই আইন কার্যকর হলে তাদের পক্ষে রাস্তায় গাড়ি চালানো অসম্ভব। তারমধ্যে রাস্তার পরিস্থিতি খুবই খারাপ। রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা নিয়ম কানুন মানে না।

এ ছাড়া তারা দাবি করেন, ঢাকা শহরের অধিকাংশ চালকই নতুন আইন সম্পর্কে কিছুই জানে না।

পরিবহন শ্রমিক নেতারা বলছেন, দুর্ঘটনার মামলায় জামিনযোগ্যসহ সড়ক আইনের কয়েকটি ধারায় সংশোধন চান চালকরা। তাদের দাবি, আইন সংশোধনের পরই এটি কার্যকর করা হোক। তারা বলেন, সরকারের বিভিন্ন দফতরে বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও আইনটি সংশোধন ছাড়াই বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়া হয়। এতে শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

খুলনা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি নুরুল ইসলাম বেবী বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকরের প্রতিবাদে শ্রমিকরা বাস চালাচ্ছেন না। খুলনা জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: আনোয়ার হোসেন জানান, শ্রমিকরা ফাঁসি ও যাবজ্জীবনের ভয়ে গাড়ি চালানো বন্ধ করে দিয়েছে।

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটের আনন্দ পরিবহনের একটি বাসের চালক মজিদ বলেন, আইনের যেসব ধারা সংশোধনের দাবি উঠেছে, সেগুলো ঠিক করেই নতুন আইন কার্যকর করা হোক। নইলে রাস্তায় গণপরিবহন সঙ্কট দেখা দেবে।

তিনি বলেন, যেভাবে আইন করা হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে সব দায় গাড়ি চালকদের। কিন্তু যাত্রীদের কি কোনো দায় নেই? যাত্রীদের যতটা সচেতন হওয়া দরকার সেটা তারা হচ্ছে না। সে ব্যাপারে কোনো ব্যবস্থাও নেই।

জুরাইন এলাকার বাসিন্দা ওবায়দুল্লাহ বলেন, এই আইনের সঠিক প্রয়োগ নিয়ে আমার মধ্যে এক ধরনের শঙ্কাও সংশয় দেখা দিয়েছে। এই ধরুন, জুরাইনে রাস্তার কাজ চলছে। রেললাইনের উপর দিয়ে একটা ব্রিজ হচ্ছে। এ ছাড়া রাস্তার দু’পাশে কাজ চলছে। বাস যত্রতত্র দাঁড়িয়ে থাকে, রিকশা যাওয়া-আসার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই। যে যেমনে পারছে চালাচ্ছে। এরমধ্যে দিয়ে পথচারীরা রাস্তা পার হচ্ছে। অনেক সময় রিকশা এতটাই বেশি থাকে যে ডান সাইট দিয়ে বাস যেতে না পেরে বাম সাইট দিয়ে যাচ্ছে। মানুষ যে যেমনে পারছে রাস্তা পার হচ্ছে। এমন চিত্র ঢাকা শহরের অধিকাংশ জায়গায়।

তিনি আরো বলেন, কোনো জেব্রা ক্রসিংয়েই গাড়ি স্লো করে না। অনেক জায়গায়ই সড়ক পারাপারে ফুটওভার ব্রিজ নেই। তো সাধারণ পথচারীরা কোথা থেকে রাস্তা পার হবে? প্রশ্ন রাখেন তিনি। আবার রাস্তা পারাপারে জরিমানা করা হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এটা কিভাবে বাস্তবায়ন হবে বোধগম্য নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। অন্য এক পথচারী বলেন, উন্নত ট্রাফিকব্যবস্থাপনা, পর্যাপ্ত ফুটপাথ ও ফুটওভার ব্রিজ কিংবা পার্কিং স্পেসের মতো ন্যূনতম সুযোগ-সুবিধা না রেখেই এই আইন কার্যকর করা পথচারী ও পরিবহন শ্রমিক সবার জন্যই একটা খড়গ।

তিনি বলেন, আইনতো আগেও ছিল। কিন্তু কতটুকু কার্যকর হয়েছে। সেটাওতো প্রয়োগ হয়নি। চালকরা কি আগেও কখনো আইন মেনে গাড়ি চালিয়েছে? বহুবার সড়কে শৃঙ্খলা ফেরানোর চেষ্টা করা হয়েছে কিন্তু ব্যর্থ হতে হয়েছে শ্রমিক আন্দোলনের কারণে। ফলে নতুন আইন কতটা কার্যকর হবে যেটা নিয়ে আমরা সন্দিহান।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, আইন যেটা সরকার চাচ্ছে কার্যকর হবে কিন্তু কিছু কিছু ধারায় অসামঞ্জস্য রয়েছে। সেগুলো সমাধান করতে হবে। সমাধান না করে আইন প্রয়োগ করলে তাতে পরিস্থিতি জটিল হবে।

তিনি বলেন, আইন প্রয়োগ নিয়ে আমাদের কোনো দাবি নেই। তবে আমরা পরামর্শ দিয়েছিলাম সময়টা বাড়ানোর জন্য। এখন সবাই বিআরটিএতে লাইন দিচ্ছে লাইসেন্স বা ফিটনেস করানোর জন্য। অনেক ভিড় সেখানে। আইনকে সম্মান করেই হোক আর যে কারণেই হোক সবাই যাচ্ছে বিআরটিএতে। সেই সময়টুকু তাদের দেয়া দরকার। তিনি বলেন, দেশে গণপরিবহনের সংখ্যা পাঁচ লাখের মতো কিন্তু প্রাইভেটকারসহ নানা ধরনের গাড়ির সংখ্যা ৪০ লাখের উপরে। অথচ গণপরিবহনের উপরেই চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বেশি।

বিআরটিএর অভিযান শুরু : বিআরটিএ গতকাল থেকে অভিযানে নেমেছে। প্রথম দিনে নগরীর ৬ স্থানে ৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। রাজধানীর সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় দু’টি পৃথক ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৩০টি মামলা এবং ২৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর মধ্যে আদালত-৮ এর অধীনে ১০টি মামলা এবং সাড়ে ১২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। তিনটি ধারায় এক পরিবহনকে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার এবং একটি ধারায় সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। অন্য দিকে আদালত-৭ এ ২০টি মামলা ও ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সর্বোচ্চ জরিমানা করা হয় ৫০০ টাকা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) আদালত-৮ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ সাদিয়া তাজনীন সাংবাদিকদের বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন প্রয়োগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। প্রথম দিন হিসেবে জরিমানার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রয়োগ না করে সচেতনতার জন্য আইনের মধ্যে থেকেই কম জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, জরিমানা ও মামলা করার ক্ষেত্রে দেখা গেছে, অধিকাংশ যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন বা কাগজপত্র ঠিক থাকলেও ফিটনেস নেই, সংরক্ষিত সিটের নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অনুমোদিত সিটের বাইরে অতিরিক্ত সিট বসানো হয়েছে। ভাড়ার চার্ট নির্ধারিত স্থানে নেই। চালকের ক্ষেত্রে লাইট (হালকা) লাইসেন্স নিয়ে ভারী যানবাহন চালাতে দেখা গেছে, যা নতুন আইনের ব্যত্যয়। তাই মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বিপরীত লেনে ভ্রাম্যমাণ আদালত-৭ এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদ হাসান পাটোয়ারী বলেন, আজকের অভিযানে নতুন আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতাকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। তবে গাড়ির ফিটনেস না থাকা, ট্যাক্স টোকেন না থাকা, হালকা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে ভারী পরিবহন চালানোয় মামলা ও জরিমানা করা হয়েছে।

এ দিকে নতুন আইনে জরিমানার পরিমাণ বেশি হওয়ায় এ নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে। ম্যাজিস্ট্রেট এম এম সামিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, জরিমানার সর্বোচ্চ মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। তবে সর্বনিম্নটা বলা হয়নি। জরিমানার পরিমাণ নির্ভর করছে অপরাধের পরিমাণ ও আদালতের ওপর। অনেকের মধ্যে ভীতি সঞ্চারও হয়েছে এটা নিয়ে যে ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলেই ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। কিন্তু এটা হচ্ছে সর্বোচ্চ পরিমাণ।

রাজধানীর কাকলীতে ভ্রাম্যমাণ আদলতের সামনে আসা মনিরুজ্জামান নামে এক বাস মালিক বলেন, আমাদের কথা কেউ বলে না। সব জগাখিচুড়ি অবস্থা। যা যায় সব মালিকের ওপর দিয়া। তিনি অভিযোগ করে বলেন, মামলার পর মামলা হয়, কিন্তু দ্রুত তার ফয়সালা হয় না।

চালকদের লাইসেন্স প্রক্রিয়াতে বিআরটিএর ওপর ক্ষোভ ঝেড়ে তিনি বলেন, একটা লাইসেন্স করতে সাত-আট হাজার টাকা লাগে। ড্রাইভার গরিব, এত টাকা কই পাবে। আর একবার নবায়ন করতে দিলে দিনের পর দিন পার হয়, কাগজ বের হয় না, আর রাস্তায় নামলেই মামলা খায়।


আরো সংবাদ

দৃশ্যমান হচ্ছে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রিকেট স্টেডিয়ামের (২১৫৬৩)মাংস রান্নার গন্ধ পেয়ে বাঘের হানা, জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে জ্যান্ত খেল নারীকে (১৯৯০৭)ব্রিটেনের প্রথম হিজাব পরিহিতা এমপি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আপসানা (১৫০৪৮)ব্রিটেনে বাংলাদেশ-ভারত-পাকিস্তানের যারা নির্বাচিত হলেন (১৩৩৬১)চিকিৎসার নামে নারীর গোপনাঙ্গে হাত দিতেন ভারতীয় এই চিকিৎসক (১২১৫০)বিক্ষোভের আগুন আসামে এতটা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছড়াবে, ভাবেননি অমিত শাহেরা (১০৪৮৬)৪ বোনের জন্ম-বিয়ে একই দিনে! (১০৪৬৩)নির্দেশনার অপেক্ষায় বিএনপির তৃণমূল (৯৭২৬)দৈনিক সংগ্রাম কার্যালয়ে হামলা, সম্পাদক পুলিশ হেফাজতে (৯৫১৮)কোন রীতিতে বিয়ে করলেন সৃজিত-মিথিলা? (৮৬৯৫)



hacklink Paykwik Paykasa
Paykwik