২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সমূদ্র দূষিত হলেও পৃথিবী বাঁচবে না : পরিবেশ মন্ত্রী

-

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, সমূদ্র হচ্ছে পৃথিবীর শরীরের রক্তপ্রবাহ। রক্ত প্রবাহ দূষিত হলে যেমন মানুষ বাঁচে না, তেমনি সমূদ্র দূষিত হলেও পৃথিবী বাঁচবে না।

 শুক্রবার রাজধানীর হোটেল সোনার গাঁয়ে পরিবেশ মন্ত্রণালয়, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (IMO) ও সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভার্নমেন্টাল প্রোগ্রাম (SACEP)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘লন্ডন প্রটোকল’-এর ওপর অনুষ্ঠিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ উপমন্ত্রী হাবিবুন নাহার এমপি ও পরিবেশ সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী।

মন্ত্রী বলেন, পরিবেশের একটি বড় অংশ এবং পানির প্রধান উৎস হচ্ছে সমূদ্র। এই প্রধান উৎসকে আমরা নষ্ট করে দিচ্ছি নানা রকম দূষণের মাধ্যমে। মানব সমাজের আচরণ দেখে মনে হয় বর্জ্য অপসারণের সবচেয়ে উপযোগী স্থান হচ্ছে সমূদ্র, যা মোটেই উচিত হচ্ছে না। বছরে ২৫০ মিলিয়ন টন বর্জ্য নিক্ষিপ্ত হচ্ছে সমূদ্রে। সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে প্লাস্টিক বর্জ্য দ্বারা সমূদ্র দূষণ। তারপর রয়েছে তেলজাতীয় পদার্থ ও জাহাজ থেকে নিক্ষিপ্ত অন্যান্য বর্জ্য। আমাদের এই আচরণ থেকে সরে আসতে হবে যদি আমরা সমূদ্রকে বাঁচাতে চাই। বিশ্বব্যাপী আজ সচেতনতা তৈরির সময় হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ উপমন্ত্রী বলেন, শুধু সমূদ্র নয়, নদীমাতৃক এই দেশকে দেশের পরিবেশকে রক্ষা করতে হলে আমাদের নদীগুলোকে দূষণের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। যারা নদী দূষণ করছে আমরা চেষ্টা করছি তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য। পাশাপাশি জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উলেøখ্য বর্জ্য ও অন্যান্য পদার্থের ডাম্পিং দ্বারা সামূদ্রিক দূষণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষে ১৯৭২ সালে ৮৭টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় সংক্ষিপ্ত লন্ডন কনভেনশন। সামূদ্রিক দূষণের উৎসগুলি চিহ্নিত করা, দূষণ প্রতিরোধে বর্জ্য পদার্থ এবং অন্যান্য বিষয়গুলির কার্যকর নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল ওই কনভেনশনের লক্ষ্য। তারই ধারাবাহিকতায় কনভেনশনের সিদ্ধান্তসমূহ আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করার জন্য ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত হয় ‘লন্ডন প্রটোকল’। বাংলাদেশসহ ৫১টি রাষ্ট্র এতে স্বাক্ষর করে। ২০০৬ সালের ২৪ মার্চ থেকে ৫১টি রাষ্ট্রের স্বাক্ষরিত লন্ডন প্রটোকল কার্যকর হয়। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন সাউথ এশিয়া কো-অপারেটিভ এনভার্নমেন্টাল প্রোগ্রাম (SACEP)-এর ডিরেক্টর জেনারেল ড. আবাস বাসির ও ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (IMO)-এর প্রতিনিধি এন্ড্রো ব্রিকেনও।

 


আরো সংবাদ

জি কে শামীমের সাথে দু’টি ছবি নিয়ে না’গঞ্জে তোলপাড় কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে : ড. আব্দুর রাজ্জাক এরশাদের স্মরণসভায় জি এম কাদের জাতি দুর্নীতিমুক্ত সমাজ দেখতে চায় সমুদ্র নিরাপত্তা ও ব্লু-ইকোনমি বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত জাতিসঙ্ঘের অধিবেশনে যোগ দিতে টেলিলিংক গ্রুপ চেয়ারম্যানের ঢাকা ত্যাগ শিশুদের যৌন হয়রানি রোধে ডুফার কর্মশালা আশুলিয়ায় গার্মেন্টে চাকরি নিতে এসে তরুণী ধর্ষিত হাতিরঝিল লেক থেকে লাশ উদ্ধার ভিক্টর ক্লাসিক বাসের চালক-সহকারী গ্রেফতার বাংলাদেশের শুভ সূচনা শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে

সকল