১৬ ডিসেম্বর ২০১৯

ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ২০ প্রস্তাব যাত্রী কল্যাণ সমিতির

জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়ক থেকে ফিটনেসবিহিন যানবাহন, নসিমন-করিমন, ইজিবাইক, অটোরিক্সা, ব্যাটারি ও প্যাডেল চালিত রিক্সার পাশাপাশি মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধসহ ২০ দফা প্রস্তাবণা দেয়া হয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে। এর পাশাপাশি মোটরসাইকেলে ঈদযাত্রা নিষিদ্ধ করা এবং গার্মেন্টস ও অন্যান্য শিল্প কলকারখানা রেশনিং পদ্ধতিতে ছুটির ব্যবস্থার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিগ্নে করতে সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাম্মেল হক চৌধুরী এক বিবৃতিতে এ প্রস্তাব দেন। প্রতিবছর ঈদ আনন্দ যাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় বহুলোকের প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে এখান থেকে উত্তোরণ ঘটিয়ে সড়ককে নিরাপদ করার জন্য দীর্ঘগতি ও দ্রুতগতির যানবাহনের জন্য আলাদা লেন চালুর দাবি জানান তিনি।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, এবারের ঈদে লম্বা ছুটি পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগিয়ে রেশনিং পদ্ধতিতে ঈদযাত্রা নিশ্চিত করা গেলে ভোগান্তি ও দূর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করা সক্ষম হবে মনে করে সংগঠনটি। এই জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ২০ দফা প্রস্তাবনা অনুসরনের দাবি জানানো হয়। এ দফার মধ্যে রয়েছে টোল প্লাজার সবকটি বুথ চালু করা ও দ্রুত গাড়ি পাসিং এর ব্যবস্থা করা। মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী হাটবাজার উচ্ছেদ করা। দূর্ঘটনা প্রতিরোধে স্পিডগান ব্যবহার ও উল্টোপথের গাড়ি চলাচল বন্ধ করা। মহাসড়ক অবৈধ দখল ও পার্কিংমুক্ত করা। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য বন্ধ করা। অযান্ত্রিক যানবাহন ও পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রীবহণ নিষিদ্ধ করা। ঈদের আগে ও পরে সড়কে যানবাহন থামিয়ে চাঁদাবাজী বন্ধ করা। লাইসেন্সবিহীন ও অদক্ষ চালক ঈদযাত্রায় নিষিদ্ধ করা। বিরতিহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো নিষিদ্ধ করা। জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের ফুটপাত, জেব্রাক্রসিং, পদচারী সেতু, আন্ডারপাস, ওভারপাস দখলমুক্ত করে যাত্রীসাধারণের যাতায়াতের ব্যাবস্থা রাখা। ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দ্রুত মেরামতের ব্যবস্থা করা। ফেরীঘাট, লঞ্চঘাট, নগরীর প্রবেশমুখ ও সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন সমূহে দ্রুত গাড়ি পাসিংএর ব্যবস্থা করা। যাত্রা বিরতিকালে খাবার হোটেলে যাত্রীসাধারণ যাতে মানসম্পন্ন সাশ্রয়ীমূল্যে সেহেরি ও ইফতারি গ্রহণ করতে পারে তার ব্যবস্থা করা। দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহন দ্রুত উদ্ধার আহতদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করা। অপ্রত্যাশিত যানজটের কবলে আটকে পড়া যাত্রীদের টয়লেট ব্যবহারের সুবিধা রাখা, ইফতারির সুবিধার্থে পানীয় জলের ব্যবস্থা রাখা। জাতীয় মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারসেকশন, মিডিয়ান গ্যাপ ও বাঁকে যানজট নিরসনের ব্যবস্থা রাখা। সড়কে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের ঈদের ছুটি বাতিল করা।


আরো সংবাদ




hacklink Paykwik Paykasa
Paykwik