২৩ এপ্রিল ২০১৯

চোখ খুলেছেন কবি আল মাহমুদ

হাসপাতালে কবির শয্যাপাশে এক স্বজন (দুই তিন আগের ছবি) - সংগৃহীত

চোখ খুলেছেন ‘সোনালী কাবিন’-এর কবি আল মাহমুদ। অসুস্থ্য হবার পর রোববার পর্যন্ত তার অবস্থা সংকটাপন্ন থাকলেও সোমবার থেকে অবস্থার উন্নতি হয়েছে। আল মাহমুদের বড় ছেলে মীর শরীফ মাহমুদ জানান, কবি এখনো ধানমন্ডী ইবনে সিনা হাসপাতালের অইসিইউতে থাকলেও থেকে চোখ মেলেছেন। ইশারায় কথা বলারও চেষ্টা করছেন। সব মিলিয়ে অবস্থা উন্নতির দিকে।

শরিফ জানান, আল মাহমুদের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল হাই তাদের জানিয়েছেন আরো দুইদিন হাসপাতালে থাকার পর তারা কবিকে বাসায় নিয়ে যেতে পারবেন। তবে এখনো আইসিইউতে থাকা কবির কাছে তার পরিবারের সদস্য ছাড়া কাউকে যেতে দেয়া হচ্ছে না।

এর আগে শনিবার রাতে গুরুতর অসুস্থ কবিকে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের ভর্তির পর তাকে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, আল মাহমুদ নিউমোনিয়াসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছেন। হাসপাতালে ভর্তির পর কবিকে প্রথমে সিসিইউতে ও পরে আইসিইউতে নেয়া হয়। সেখানে তিনি অধ্যাপক ডা. মো. আবদুল হাইয়ের তত্ত্বাবধানে আছেন।

বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে সক্রিয় থেকে যিনি আধুনিক বাংলা কবিতাকে নতুন আঙ্গিকে, চেতনায় ও বাক্ভঙ্গিতে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করেছেন, তিনি কবি আল মাহমুদ। আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবিও তিনি। তার প্রকৃত নাম মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ। একাধারে একজন কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক তিনি।

আল মাহমুদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের একটি ব্যবসায়ী পরিবারে ১১ জুলাই ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। একুশ বছর বয়স পর্যন্ত এ শহরে এবং কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি থানার অন্তর্গত জগতপুর গ্রামের সাধনা হাইস্কুলে এবং পরে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড হাইস্কুলে পড়াশোনা করেন। এ সময়েই লেখালেখি শুরু।

তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার তিরিশ দশকীয় ভাবধারায় ভাটি বাংলার জনজীবন, গ্রামীণ দৃশ্যপট, নদীনির্ভর জনপদ, চরাঞ্চলের কর্মমুখর জীবনচাঞ্চল্য ও নর-নারীর চিরন্তন প্রেম-বিরহের বিষয়কে অবলম্বন করে আধুনিক বাংলা ভাষার প্রচলিত কাঠামোয় অত্যন্ত স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততায় আঞ্চলিক শব্দের সুন্দর প্রয়োগে কাব্যরসিকদের মধ্যে নতুন পুলক সৃষ্টি করেন।

তিনি ১৯৭১-এর স্বাধীনতার সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭৫-এ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির গবেষণা ও প্রকাশনা বিভাগের সহপরিচালক পদে যোগদান করেন। পরে ঐ বিভাগের পরিচালক হিসেবে ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে তিনি অবসর নেন। কবিতা, ছোট গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধের বই মিলিয়ে শতাধিক। আল মাহমুদ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদকসহ বেশ কিছু সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।


আরো সংবাদ

মানবতাবিরোধী অপরাধ : নেত্রকোনার ২ জনের রায় কাল যৌন হয়রানিতে ফাঁসানো হয়েছে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে! ফরিদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের ভিডিও ফেসবুকে : আটক ১ ফিলিস্তিনে ইব্রাহিম (আ.) মসজিদ বন্ধ করে দিয়েছে ইসরাইল পদ্মা সেতুতে বসলো ১১তম স্প্যান, দৃশ্যমান হলো ১৬৫০ মিটার পাঁচ দফা দাবিতে নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের খালেদা জিয়া কখনোই অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি : রিজভী পাকিস্তান গুলি ছুড়লেই গোলা ছুড়বে ভারত : অমিত শাহ সাড়ে ১২ শ’ গার্মেন্টস বন্ধে ৪ লাখ শ্রমিক বেকার : টিআইবি ২৫ বলে টর্নেডো সেঞ্চুরি! বিকেলে সার্চ কমিটির চূড়ান্ত বৈঠক : ছাত্রদলের নয়া কমিটির সিদ্ধান্ত আসছে

সকল




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat