২২ এপ্রিল ২০১৯

মিস আয়ারল্যান্ড প্রিয়তির পোস্ট নিয়ে তোলপাড়

মিস আয়ারল্যান্ড প্রিয়তির পোস্ট নিয়ে তোলপাড় - ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত সাবেক মিস আয়ারল্যান্ড মাকসুদা আখতার প্রিয়তির একটি পোস্ট নিয়ে বাংলাদেশে তোলপাড় চলছে। সেখানে তিনি বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের ছবিসহ একটি পোস্ট দিয়ে রফিকুলের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন। রফিকুল ইসলাম রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা।

বছর তিনেক আগে রফিকুলের কোম্পানির একটি পণ্যের বিজ্ঞাপনে কাজ করার পর নিজের পারিশ্রমিক আনতে গিয়েছিলেন প্রিয়তি। সেই সময় রফিকুল অফিসেই তাকে যৌন নির্যাতন করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

চলতি সপ্তাহে ফেসবুকে দেয়া ভিডিও বার্তা এবং স্টাটাসে তিনি এমন অভিযোগ করে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। 
মাকসুদা প্রিয়তি তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে দাবি করেন, ২০১৫ সালের মে মাসে রফিকের অফিসে তিনি গিয়েছিলেন তাদের প্রোডাক্ট প্রমেক্সের বিজ্ঞাপনে কাজ করার পারিশ্রমিক আনতে। 

তিনি রফিকের রুমেই বসা ছিলেন। এ সময় সেখানে বসা ছিলেন রংধনু গ্রুপের জেমরিনা জামানও। প্রিয়তির সাথে ব্যক্তিগত কথা আছে, জানিয়ে রফিক জেমরিনা জামানকে রুম থেকে বের করে দেন। এরপরই রফিক তার টেবিল থেকে ওঠে এসে মাকসুদা প্রিয়তির সাথে অসভ্যতা শুরু করেন। তাকে তিনি যৌন হেনস্তা করেন।

প্রিয়তি অভিযোগ করেছেন, সেদিনের ঘটনার পর মুখ না খোলার জন্য বেশ কয়েকবার প্রিয়তিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন রফিক। প্রিয়তি তার স্ট্যাটাসে বলেন, ঘটনার সময় তিনি রফিকের হাত থেকে কোনো মতে নিজেকে রক্ষা করেন এবং রুম থেকে বাইরে এসে জেমরিনা জামানকে পুরো ঘটনাটি খুলে বলেন এবং তাকে জড়িয়ে হাউমাউ করেও কেঁদেছিলেন। ঘটনাটি তিনি সুজনকে জানিয়েও কেঁদেছিলেন বলে স্টাটাসে উল্লেখ করেন প্রিয়তি। 

প্রিয়তি আপে নিয়ে লিখেন, রফিকুল ইসলাম রফিককের হাতে গণমাধ্যমগুলোও জিম্মি। তাই এ ব্যাপারে তারা কেউ তাকে নিয়ে লিখবে না। এই স্ট্যাটাসের পর অনেকেই তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন এমন আশঙ্কাও করেছেন তিনি। স্টাটাসে তিনি বলেন, বাংলাদেশে মি টু মুভমেন্ট কিভাবে হবে? এই লোককে নিয়ে কেউ কোনো নিউজ করবে না, কারণ গণমাধ্যম তাদের ভয় পায়, সাংবাদিকদের চাকরি চলে যাবে। কারণ বেশির ভাগ টিভি চ্যানেল ও পত্রিকা তাদের হাতের মুঠোয়। মেয়েরা কিভাবে খুলবে মুখ? যেখানে জানাবে তাদের কিছুই হবে না।

এ ছাড়া তিনি লিখেন, ‘এই পোস্টের পর হয়তো আমার নামে মানহানির মামলা হবে, না হয় বলবে অসৎ উদ্দেশ্য আছে আমার ইত্যাদি ইত্যাদি। বাংলাদেশের মেয়েরা তত দিন মুখ খুলবে না। ভারতের মতো যত দিন ওরা অনুভব করবে তাদের জন্য। তিনি লিখেন ‘আমি শুধু এতটুকু বলতে চাই, পুরো ঘটনাটি লজ্জায় লিখতে পারিনি কারণ ঘটনা এর চেয়ে ভয়াবহ ছিল।’

এ ছাড়াও একটি স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেছেন তার জীবন এখন হুমকির মুখে। তাকে যেকোনো সময় খুন করা হতে পারে। আর এ জন্য দায়ী থাকবেন রফিকুল ইসলাম। এমনটি জানিয়ে তিনি লিখেন, রংধনু গ্রুপের ওয়েবসাইট অলরেডি ওরা বন্ধ করে দিয়েছে। তিনি লিখেন, ‘আমার জীবনের যদি কোনো তি হয় অর্থাৎ প্রাণহানি করার ঘটনা ঘটে তাহলে রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম দায়ী থাকবেন। কারণ তিনি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছিলেন তিন বছর আগেই, এমনকি আয়ারল্যান্ডে এসেও আমাকে মেরে ফেলা তার জন্য নাকি দুই পয়সার ব্যাপার।’

প্রিয়তি সর্বশেষ আরো একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেন ‘দেখুন গিয়ে আজ রাতেই পালিয়ে যাচ্ছে মি. রফিক সিঙ্গাপুরে, কারণ তার বৈধ/অবৈধ ব্যবসায় পরিচালনা হয় সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া থেকে আমি যতখানি জানতাম। রংধনু গ্রুপের ওয়েবসাইট উধাও করে ফেলার কারণ কি, তা কি বোঝার আর বাকি আছে কারও? যাতে তাদের কোনো ছবি ও ইনফরমেশন না পায়, এই কারণে।’
এ ব্যাপারে রফিকুল ইসলামের সাথে কথা বলতে বারবার চেষ্টা করেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat