১১ ডিসেম্বর ২০১৮

জুতার দাম ১৪২ কোটি টাকা

শত কোটি টাকার জুতা - ছবি : সংগ্রহ

দুবাইয়ের বুর্জ আল খলিফায় হীরাখচিত এক জোড়া স্যান্ডেল প্রদর্শনের জন্য রাখা হয়েছে। আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য পাশে দামও উল্লেখ করা হয়েছে। ট্যাগে উল্লেখিত দাম এক কোটি সত্তর লাখ ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় যা ১৪২ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

বুর্জ আল খলিফার শীর্ষ তলায় একটি কাঁচের বাক্সে জুতাটি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। সোনালি রঙের চামড়ায় তৈরি জুতাটিতে সাদা রঙের স্বর্ণের ওপর শতাধিক ক্যারেটের নিখুঁত হীরা বসানো হয়েছে। এগুলোর মাঝে বসেছে ১৫ ক্যারেটের দুই খণ্ড হীরা। দামি জুতার হীরাতো দীর্ঘস্থায়ী রয়ে যাবে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে চামড়ার স্থায়িত্ব তুলনামূলক কম। সেজন্য প্রতিষ্ঠানটি জুতাটির ক্ষেত্রে সারা জীবনের ওয়ারেন্টি দিয়েছে। অর্থাৎ জুতাটি কখনো ছিঁড়ে গেলে তা পাল্টে দেয়া হবে।

৯ মাসের পরিকল্পনায় জুতাটি তৈরি করেছে প্যাসন জুয়েলার্স। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিমানি করমচন্দনি বলেন, আমরা এখানে জুতা জোড়ার কয়েকজন সম্ভাব্য ক্রেতা দেখেছি। আসলে দুবাই হলো মিলিওনিয়ার-বিলিওনিয়ারদের শহর। তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও আমরা এ ধরনের বিভিন্ন নকশার জুতা তৈরি করব। সেগুলো শুধু হীরার হবে না, রুবি ও নীলকান্তমনি দিয়েও আমরা জুতাগুলো সাজাবো।

দামি এ জুতাটির ধারণাটি এসেছে করমচান্দানির সহযোগী ২৬ বছর বয়সী ব্রিটিশ-রোমানিয়ান নাগরিক মারিয়া মাজারি থেকে। দুবাই ও লন্ডনে পড়াশোনা করা মারিয়ার দৃষ্টিতে ধরা পড়ে, দুবাইয়ের বাজারে অনেক দামি কাপড় ও ব্যাগ রয়েছে। কিন্তু সে তুলনায় দামি জুতা একেবারেই নেই। এ ধারণা থেকেই তৈরি এক কোটি সত্তর লাখ ডলারের এ জুতাজোড়ার।

আরো পড়ুন: ৮৯ হাজার টাকা ছিঁড়ে কুচি কুচি

টাকা পয়সা যত সাবধানে রাখা যায় ততই ভাল। আর বাড়িতে পুঁচকে ছেলে-মেয়ে থাকলে তো কথাই নেই। তার হাতের কাছে যাতে কোনোভাবেই নোট বা কয়েন না যায়- সে ব্যাপারে সাবধান থাকা। কারণ, নোট যেমন সে ছিঁড়ে ফেলতে পারে তেমনি কয়েন গিলে ফেলারও আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এই কথা শোনে আর কয়জন। এমনই এক অসাবধানতার খেসারত দিতে হলো এক মার্কিন দম্পতিকে।

যুক্তরাষ্ট্রের উটার বাসিন্দা জ্যাকি এবং বেন বেনলাপ। প্রায় এক বছর ধরে তারা টাকা জমাচ্ছিলেন স্থানীয় ফুটবল লিগের সিজন টিকিট কিনবেন বলে। টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন একটি মুখবদ্ধ খামে। উদ্দেশ্য ছিল টিকিট কিনতে গিয়ে এক্কেবারে খুলবেন খামের মুখ। একদিন বাদেই টিকিট কিনতে যাওয়ার কথা ছিল। তাই মুখবন্ধ খামটি টেবিলের উপর রেখে কাজে বেরিয়ে যান দু'জনেই।


কিন্তু কপালে না থাকলে কি আর ভাল কিছু পাওয়া যায়। দম্পতির কষ্টের সেই সঞ্চয়ের খামটি চলে যায় বছর দুইয়ের ডানপিটে ছেলে লিওর হাতে। প্রথমে সে খামটিকে ভাল করে দেখে। কী জিনিস বুঝতে না পেরে একটি যন্ত্রের মধ্যে ফেলে কুচি কুচি করে কাটে। তারপর এক জায়গায় ডলারের টুকরোগুলো রেখে চলে যায়।

বাড়িতে ফিরে এই কাণ্ড দেখে চোখ কপালে বেনের। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট করে সে জানায় ওই খামটির ভিতরে এক হাজার ৬০ মার্কিন ডলার ছিল। বাংলাদেশী মুদ্রায় দাড়ায় প্রায় ৮৯ হাজার টাকা। এতো টাকা একসাথে এভাবে নষ্ট হওয়ায় বেশ কষ্ট পেয়েছেন এই দম্পতি।

নেটিজেনরা অবশ্য এতে কষ্টের চেয়ে মজাই বেশি পাচ্ছেন। ক্ষুদের কীর্তিকে অনেকেই হাসি ঠাট্টার ছলে নিচ্ছেন। এসবের মধ্যে ওই দম্পতির একটি সান্ত্বনার কারণও রয়েছে অবশ্য। যুক্তরাষ্ট্রে এই ছেড়া নোটের জন্য সরকারের আলাদা দফতর আছে। সেখানে নোটের ছেড়া অংশগুলি জমা দিলে এক-দু বছরের মধ্যেই তারা টাকা ফেরতও পেয়ে যাবেন।


আরো সংবাদ