২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

সেরা ষোলোতে দুই বয়স্ক শাটলার

সেরা ষোলোতে দুই বয়স্ক শাটলার। ছবি - সংগৃহীত

সামার ওপেন ব্যাডমিন্টনে তরুণ তরুণী শাটলারদের লজ্জা দিয়ে সেরা ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছেন পুরুষ বিভাগে ৫৭ বছর বয়স্ক সারোয়ার হোসেন ও মহিলা বিভাগে ৪১ বছর বয়স্ক লিজা হোসেন। বয়স তাদের কাবু করতে পারেনি। বরং হয়েছে উন্নতির লক্ষ্যে পাথেয়। ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তারা উদাহরন হয়ে রইলেন।

লিজা হোসেনের স্বামী ভুলু সাবেক জাতীয় চ্যাম্পিয়ন ও বিমান দলের কোচও ছিলেন। ১৯৮৯ সালে ওই সময়ই তাদের পরিণয় ও বিয়ে। বর্তমানে দুই সন্তানের জননী তিনি। লিজা ব্যাডমিন্টন অ্যাকাডেমির লিজা জানান, ‘আমার স্বামীর প্রেরণাতেই আমি এখনো খেলোয়াড়। টুর্নামেন্টের আগে অসুস্থ না থাকলে এবং আমার চাচা মারা না গেলে আরো ভালো খেলতে পারতাম। হাসব্যান্ড যতদিন উৎসাহ দিবেন, ততদিন খেলবো।’

র‌্যাংঙ্কিংয়ের ব্যাপারে তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের চেয়ে বর্তমানে মেয়েরা সুযোগ সুবিধা টাকা পয়সা বেশি পাচ্ছে। আনসার, পুলিশ, আর্মিতে চাকরি করছে। কিন্ত আমাদের মতো তাদের ব্যাডমিন্টনের প্রতি ভালো বাসা নেই। অনেকে এসেই চ্যাম্পিয়ন হতে চান। পরিশ্রম করতে চান না। ফিকশ্চারের সুযোগ নিতে চান। কোচরাও তাদের অনৈতিক সুবিধা দিতে চান। খেলার প্রতি ভালোবাসা চলে গেছে বলেই উন্নত প্লেয়ার আসছে না।’

সারোয়ার নিজেই একজন অ্যাকাডেমি চানান। তিনি প্রশিক্ষকও। বয়সকে তিনি কোন বাধা মানছেন না। তার কথায়, ‘মানসিকভাবে এগ্রেসিভ ছিলাম। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট সম্বন্ধে পরিস্কার ধারণা আছে। বয়সের সাথে ফিটনেস ধরে রাখলে অনেক কিছুই সম্ভব। বিশ্বাস ছিল পারবো এবং পেরেছি। সেরা আটে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও পারিনি। আমাদের শাটলারদের মেধা আছে। সঠিক দিক নির্দেশনা পায় না বলেই পিছিয়ে থাকে। উদীয়মান শাটলারদের যদি সঠিক দিক নির্দেশনা দেয়া হয় তাহলে ঠিকই একদিন তারা বিশ্ব আসরে নাম লিখাবে। আমি আশাবাদি এবং সে লক্ষ্যে কাজ করছি।’


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme