২৪ এপ্রিল ২০১৯

জার্মানির স্বার্থেই তুরস্কের শক্তিশালী অর্থনীতি দরকার : মারকেল

জার্মানির স্বার্থেই তুরস্কের শক্তিশালী অর্থনীতি দরকার : মারকেল - সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুরস্কের বর্তমান টানাপড়েন সম্পর্কের মধ্যেই আঙ্কারার সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছে জার্মান।

সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের সাথে টেলিফোন আলাপে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মারকেল দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক শক্তিশালী করার ঘোষণা দেন। 

মারকেল বলেন, তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক শক্তিশালী করতে তার সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সর্বোচ্চ পর্যায়ের সফরের মধ্যদিয়ে সে সম্পর্ক এগিয়ে নেয়া হবে। জার্মানির স্বার্থেই তুরস্কের শক্তিশালী অর্থনীতি দরকার।

আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগান জার্মানি সফরে যাবেন। এছাড়া, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তুরস্কের অর্থমন্ত্রী বেরাত আলবায়রাকের সঙ্গে জার্মান অর্থমন্ত্রী পিটার আল্‌তমেয়ারের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

কূটনৈতিক নানা টানাপড়েনের মাঝে সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প  তুরস্কের পণ্যের ওপর নানারকম বাড়তি শূল্ক আরোপের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তুরস্ক মার্কিন সকল ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যের ওপর শুল্কহার দ্বিগুণ করেছে। আর এমন টানাপড়েনের মাঝেই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ট মিত্র জার্মান তুরস্কের পাশে দাঁড়াল।

ইরানের পক্ষে জার্মান-ফ্রান্স-ব্রিটেন-রাশিয়া-ভারত

২০ জুলাই ২০১৮

ইরানের সাথে সরাসরি লেনদেনে যাচ্ছে ইউরোপের শক্তিশালী দেশ জার্মানি, ফ্রান্স ও ব্রিটেন। দেশ তিনটি ইরানের সাথে সরাসরি ব্যাংকিং লেনদেন শুরু করার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে তেহরানকে অবহিত করেছে। ২০১৫ সালে ছয় জাতিগোষ্ঠীর সাথে সই হওয়া ইরানের পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার জন্য এটি ইউরোপের পক্ষ থেকে প্রথম বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

একাধিক ইউরোপীয়ান কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ফ্রান্স, ব্রিটেন এবং জার্মান সরকার ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা আইসিবি'র সাথে একাউন্ট খোলার বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে এবং তেহরান ও তাদের জাতীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সরাসরি লেনদেন প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে করণীয় প্রক্রিয়া শুরু করেছে।


ত্রি দেশীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরান, ফ্রান্স জার্মানি এবং ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠকে তেহরানের কাছে এসব পরিকল্পনা পেশ করা হয়েছে। এসব প্রচেষ্টা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বের করতে এখনো আলোচনা চলছে বলেও তারা জানিয়েছেন।

ইউরোপের এসব প্রচেষ্টা যদি সত্যিকার অর্থে বাস্তবায়িত হয় তা হবে পরমাণু সমঝোতা টিকিয়ে রাখার জন্য তাদের পক্ষ থেকে নেয়া প্রথম বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ। এর ফলে মার্কিন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে ইউরোপের কোম্পানিগুলো ইরানের কাছে সরাসরি অর্থ স্থানান্তর করার সুযোগ পাবে।

এছাড়া অস্ট্রিয়া এবং সুইডেনও একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে ওই কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তেহরান এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

ইরান সিরিয়ায় যে সামরিক উপদেষ্টার ভূমিকা পালন করছে তা সম্পূর্ণ বৈধ কারণ দামেস্ক সরকারের অনুরোধে ইরানি উপদেষ্টারা সেখানে কাজ করছেন। বুধবার রাশিয়ার দৈনিক কোমেরসান্ত পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তেহরানে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিভান জাগারিয়ান একথা বলেছেন।

সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে ইরান ও রাশিয়ার যৌথ লড়াইয়ের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দু দেশের প্রচেষ্টায় এখন সিরিয়ায় রাজনৈতিক সমাধানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, রুশ সেনাদের পাশাপাশি ইরানি সামরিক উপদেষ্টারা সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী লড়াইয়ে লিপ্ত রয়েছে।

সিরিয়া থেকে ইরানি সামরিক উপদেষ্টাদের সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ইসরাইলে সাম্প্রতিক আহ্বান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, দু’  পক্ষের মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের বিষয়ে মস্কো স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন তবে এমন সংঘাত ঠেকাতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

রুশ রাষ্ট্রদূত জোর দিয়ে বলেন, ‘ইরান এমন দেশ নয় যার ওপর চাপ সৃষ্টি করা যায়; শুধুমাত্র ইরানকে প্রভাবিত করে কাজ করা সম্ভব। ইরান হচ্ছে বিশাল দেশ এবং স্বাধীন নীতি অনুসরণ করে। দেশটির ওপর চাপ সৃষ্টি করে লাভ হয় না।’

গত সপ্তাহে রাশিয়া সফরে গিয়ে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সিরিয়া থেকে ইরানি সামরিক উপদেষ্টাদের ফিরিয়ে নেয়ার দাবি জানান। তবে ইরান বলেছে, সিরিয়া সরকার ছাড়া কারো কথায় সিরিয়া থেকে সামরিক উপদেষ্টাদের ফেরত আনা হবে না।

ইরানের সাথে দীর্ঘময়াদি সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে চায় ভারত এবং তৃতীয় কোনো দেশের হস্তেক্ষেপে তেহরানের সাথে নয়াদিল্লির সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইরান থেকে ভারতকে তেল না কিনতে যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক আহ্বানের প্রেক্ষেতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জেনারেল (অব.) বিনয় কৃষ্ণ সিং দেশটির জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ লোকসভায় বুধবার একথা বলেছেন। তিনি বলেন- জ্বালানি, বাণিজ্য ও চবাহার বন্দর নিয়ে ইরানের সাথে ভারত দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে জড়িত। জেনারেল সিং বলেন, ইরান ও ভারতের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিজের ওপর নির্ভর করে এবং তৃতীয় কোনো দেশের প্রভাবে ভারতের সম্পর্ক নির্ধারিত হয় না।

তিনি বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৬ সালে ইরান সফর করেছেন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি ২০১৮ সালে ভারত সফর করেছেন। উঁচু পর্যায়ের এসব সফরের সময় প্রতিষ্ঠিত সমঝোতার ভিত্তিতে দুই পক্ষ জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে। এছাড়া, বাণিজ্য সম্পর্ক ও বিনিয়োগ সহযোগিতা গভীর করতে চায় দুই দেশ।

২০১৫ সালে পরমাণু ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে ছয় জাতিগোষ্ঠীর যে সমঝোতা সই হয় তাতে যুক্তরাষ্ট্র সই করেছিল। পরবর্তীতে সে সমঝোতা জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদ অনুমোদন করে। কিন্তু গত ৮ মে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এরপর তিনি ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, আগামী ৪ নভেম্বরের পর কোনো দেশ ইরানের কাছ থেকে জ্বালানি তেল কিনতে পারবে না। ভারত হচ্ছে ইরানি তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা। সেক্ষেত্রে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করা যায়।


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat