২১ এপ্রিল ২০১৯

রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের নয়া কৌশলে বেকায়দায় যুক্তরাষ্ট্র!

রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের নয়া কৌশলে বেকায়দায় যুক্তরাষ্ট্র! - সংগৃহীত

রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অবৈধ নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের দেশগুলোর কাছে ডলারের গ্রহণযোগ্যতা কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এ মন্তব্য করেছেন রাশিয়া ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।

মঙ্গলবার আঙ্কারায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লুর সাথে সাক্ষাতের পর এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, কয়েক বছর আগে থেকেই আমরা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নিজস্ব মুদ্রা ব্যবহারের কথা ভাবছি। ইরান ও তুরস্কের সাথে এরইমধ্যে এ ব্যাপারে সমঝোতা হয়েছে এবং চীনের সাথে সমঝোতার কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছি।

ল্যাভরভ আরো বলেন, অন্য দেশগুলোর বিরুদ্ধে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণ অবৈধ; এমনকি মার্কিন আইনের সাথেই সাংঘর্ষিক।  অচিরেই আন্তর্জাতিক লেনদেনে ডলারের প্রভাব কমতে শুরু করবে এবং বিশ্বের বহু দেশ ডলারের ব্যবহার বন্ধ করে দেবে।

সংবাদ সম্মেলনে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা আরোপের নীতির বিরোধী। ইউরোপীয় দেশগুলিও এ ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। ইরান বিরোধী মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় অংশ নেবে না তুরস্ক। আমরা আমেরিকাকে জানিয়ে দিয়েছি, আগের মতোই ইরানের কাছ থেকে গ্যাস কেনা অব্যাহত রাখব।

 

‘ইরানকে চেপে ধরতে গিয়ে নিজেই একঘরে হয়ে পড়েছে আমেরিকা’

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাওয়াদ জারিফ বলেছেন, আমেরিকার মোকাবিলায় তার দেশ বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং তেহরানের ওপর চাপপ্রয়োগ করতে গিয়ে আমেরিকাই একঘরে হয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে গিয়ে কাউকে পাশে পাননি এমনকি ইউরোপও এক্ষেত্রে ওয়াশিংটনকে সহযোগিতা করতে রাজি হয়নি।

জারিফ বুধবার রাতে ইরানের দুই নম্বর টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে একথা জানান। তিনি অবশ্য পরমাণু সমঝোতা বাস্তবায়নের ব্যাপারে ইউরোপীয় দেশগুলোকে আরো বেশি বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ইউরোপ এ পর্যন্ত পরমাণু সমঝোতা রক্ষার লক্ষ্যে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে তা ইতিবাচক হলেও যথেষ্ট নয়।

আমেরিকার আলোচনার প্রস্তাবকে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ আখ্যায়িত করে জারিফ বলেন, পরমাণু সমঝোতা সই হওয়ার আগে দুই বছর ধরে আমেরিকার সাথে যে আলোচনা হয়েছে তা ইরানের জন্য যথেষ্ট। তিনি তেহরানের ওপর আমেরিকার অর্থনৈতিক চাপকে ‘ক্ষণস্থায়ী’ আখ্যায়িত করে বলেন, ইরানি জনগণ ঐক্য ও সংহতি বজায় রাখলে অচিরেই এ সঙ্কট কেটে যাবে।

সাক্ষাৎকারে কাস্পিয়ান সাগরের সম্পদ বন্টনের ব্যাপারে সম্প্রতি এর উপকূলবর্তী দেশগুলোর মধ্যে যে কনভেনশন সই হয়েছে সে সম্পর্কেও কথা বলেন জারিফ।  তিনি বলেন, এই কনভেনশনে ইরানের সার্বভৌমত্ব পুরোপুরি রক্ষিত হয়েছে। সেইসাথে এর মাধ্যমে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো বেশি শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জারিফ বলেন, কোনো কোনো মহলের অপপ্রচারের বিপরীতে এই কনভেনশনে ইরানের জাতীয় স্বার্থ ও সুবিধা সর্বোচ্চ মাত্রায় সংরক্ষিত হয়েছে।  দেশের পররাষ্ট্রনীতির যদি একটিমাত্র লক্ষ্য থাকে তবে সে লক্ষ্যটি হচ্ছে সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়ন। 


আরো সংবাদ




iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle gebze evden eve nakliyat