২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

কঠোর হুমকি সত্ত্বেও ইরানের পাশে থাকবে তুরস্ক

কঠোর হুমকি সত্ত্বেও ইরানের পাশে থাকবে তুরস্ক - সংগৃহীত

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তার দেশ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে। তিনি এমন সময় এ প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন যখন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে যেসব দেশ ইরানের সাথে বাণিজ্য করবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আমেরিকার কঠোর হুমকি রয়েছে।

আঙ্কারা সফররত ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির বিশেষ প্রতিনিধি মাহমুদ ওয়ায়েজি’র সাথে এক বৈঠকে এ ঘোষণা দিলেন তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমরা বহুবার বলেছি ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আমরা মানব না।

মেভলুত চাভুসওগ্লুর সাথে সাক্ষাতের আগে ওয়ায়েজি তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে প্রেসিডেন্ট রুহানির একটি বার্তা হস্তান্তর করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ৬ আগস্ট ইরানের বিরুদ্ধে প্রথম দফা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি গত ৮ মে ইরানের পরমাণু সমঝোতা থেক বেরিয়ে গিয়ে তেহরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহালের হুমকি দেন।

প্রেসিডেন্ট রুহানির বিশেষ প্রতিনিধি ওয়ায়েজির সাথে সাক্ষাতে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী চাভুসওগ্লু আরো বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও ইরান এ সমঝোতায় অটল থেকে বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। আমেরিকা ছাড়া ইরান বিরোধী নিষেধাজ্ঞা আর কোনো দেশ মানবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া অন্যায্য নিষেধাজ্ঞা মানবে না তুরস্ক
রয়টার্স, ২৬ জুলাই ২০১৮

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগ্লু বলেছেন,  ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অন্যায্য। কাজেই ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া নিষেধাজ্ঞা তুরস্ক মানবে না। তুরস্কের এ সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে জানানো হয়েছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন অর্থ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদল তুরস্ক সফর করেছেন। ওই প্রতিনিধি দলকে তুরস্কের এই অবস্থানের কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছে।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি তুরস্ক নিষেধাজ্ঞা মানবে না। আমরা উপযুক্ত শর্তে ইরানের কাছ থেকে তেল কিনে থাকি। এর বাইরে অন্য কী অপশন রয়েছে? আমরা বলেছি মার্কিন নিষেধাজ্ঞাকে আমরা ন্যায্য বলে মনে করি না।

গত ৮ মে পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়ে বলেছেন, তিনি ইরানের তেল বিক্রি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনবেন। ট্রাম্প তার হুমকি বাস্তবায়নের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।


আরো সংবাদ