২৩ এপ্রিল ২০১৯

দুই দেশের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা কী এবং কেন?

নিষেধাজ্ঞা
রাশিয়ার সাবেক দ্বৈত গুপ্তচর সার্গেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়েকে নার্ভ এজেন্ট রাসায়নিক দিলে মার্চ মাসে তারা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পরে। - ছবি : বিবিসি

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বলেছে রাশিয়ার ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে দেশটি।

ব্রিটেনে বসবাসকারী রাশিয়ার সাবেক দ্বৈত গুপ্তচর সার্গেই স্ক্রিপাল এবং তার মেয়েকে নার্ভ এজেন্ট রাসায়নিক দিলে মার্চ মাসে তারা মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পরে।

যুক্তরাজ্যের সরকার রাশিয়াকে এই ঘটনার জন্য দোষ দেয় কিন্তু রাশিয়ার সরকার শক্তভাবেই কোন ধরণের যুক্ত বিষয়টি অস্বীকার করে।

কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞা গুলো কি এবং কীভাবে সেগুলো কাজ করে?

নিষেধাজ্ঞা কী?
সহজ কথায় বলতে গেলে একটা দেশ অপর একটা দেশের ওপর শাস্তি হিসেবে এই নিষেধাজ্ঞা দেয়।

যেমন, এই ক্ষেত্রে যেটা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি শিল্পের কিছু কোম্পানির মালামাল রাশিয়াতে রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে মেশিনারি এবং ইলেকট্রিক্যাল পার্টস। এই বাণিজ্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারে নিয়মনীতি যদি রাশিয়া না মেনে চলে তাহলে এই শাস্তি তিন মাসের মধ্যে আরো কঠিন হবে।

কেন দেশগুলো একে অপরের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়?

ইউনিভার্সিটি অব স্যালফোর্ড এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক মরটিজ পিয়েপার বলেছেন, ‘আপনি একটি দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারেন। কারণ আপনি ঐ দেশটির আচরণে পরিবর্তন দেখতে চান।’

বিষয়টা হলো- ‘ঐ দেশের নাগরিক তার নিজ দেশের সরকারের ওপর রাগান্বিত হবে। এবং দাবি জানাবে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতে সরকার যাতে শোধরায়।’

আবার নিষেধাজ্ঞা অনেক সময় এক দেশ আরেক দেশের ওপর প্রতিশোধ হিসেবে আরোপ করে।

যেমনটা রাশিয়া ২০১৪ সালে ইইউ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে করেছিল।

কী কী ধরণের নিষেধাজ্ঞা আছে?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেসব নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সেগুলো অর্থনৈতিক।

তারা কোম্পানিগুলোকে ব্যান করেছে রাশিয়াতে পণ্য যাতে বিক্রি না করে।

দেশগুলো একে অপরের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা আনতে পারে।

তবে নিষেধাজ্ঞা কিছু কিছু সময় কঠিন হতে পারে এবং এর একটা সামগ্রিক ফলাফল থাকে।

তবে ‘স্মার্ট নিষেধাজ্ঞা’ বলা হয় তাকে, যখন পুরো দেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করে ছোট কোনো গ্রুপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সূত্র : বিবিসি

আরো পড়ুন :
ইরানের বিরুদ্ধে কড়া নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের
বিবিসি, ০৭ আগস্ট ২০১৮
পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার পর ইরানের ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করছে যুক্তরাষ্ট্র। মূলত ইরানের মোটরযান খাতসহ স্বর্ণ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ধাতুর রপ্তানি বাজারকে ক্ষতিগ্রস্থ করার উদ্দেশ্যে গঠন করা এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় মঙ্গলবার সকাল থেকে। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রোহানি এই পদক্ষেপকে 'মনস্তাত্বিক যুদ্ধ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

এই নিষেধাজ্ঞার শর্ত ভঙ্গ করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান 'মারাত্মক পরিণামের' সম্মুখীন হবেন বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০১৫ সালের ঐ পরমাণু চুক্তির অংশ হিসেবে থাকা যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি এই মার্কিন সিদ্ধান্তে 'গভীর দু:খপ্রকাশ' করেছে। সব পক্ষকে চুক্তির প্রতিশ্রুতি মেনে পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ করেছে তারা।

কোন কোন ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে?
মি. ট্রাম্পের সই করা এক নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী নিম্নোক্ত খাতে পুনর্বহাল হবে নিষেধাজ্ঞা:

ইরান সরকারের মার্কিন ডলার কেনা বা সংগ্রহ; স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু কেনাবেচার ক্ষেত্রে; গ্রাফাইট, অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, কয়লা ও শিল্প কারখানার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের আমদানি; ইরানি রিয়াল সংক্রান্ত লেনদেন; ইরানের সার্বভৌম ঋণ খাত; মোটরযান খাত;বন্দর কার্যক্রম, জ্বালানি, জাহাজ ও জাহাজ নির্মাণ সংক্রান্ত খাত; পেট্রোলিয়াম বা জ্বালানি তেল সংক্রান্ত লেনদেন ও ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাথে বিদেশী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক লেনদেন।

এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা আশা করবো সব রাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নেবে যার ফলে ইরানের সামনে যে কোনো একটি পথ খোলা থাকে: হয় তারা বৈশ্বিক অস্থিতিশীলতা তৈরী করা ও বিশ্বের জন্য হুমকিস্বরুপ কার্যক্রম বন্ধে করে বিশ্বের অর্থনীতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করবে, অথবা সারা বিশ্ব থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।’

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কী বলছে?
এবিষয়ে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ইউরোপিয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে যেখানে বলা হয়েছে পরমাণু চুক্তি বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে 'গুরুত্বপূর্ণ' ভূমিকা পালন করছিল।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে ইউরোপের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেন ইরানের সাথে লেনদেনের ক্ষেত্রে বাধাগ্রস্থ না হয় তা নিশ্চিত করতে কি ধরণের আইন রয়েছে সেটিও উল্লেখ করা হয় ঐ বিবৃতিতে।

ট্রাম্প প্রশাসনের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা তাঁর এক বক্তব্যে জানান মে মাসে পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসার পর এরই মধ্যে অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ইরান। ইরানের মূদ্রা রিয়াল প্রায় ৮০% মূল্যহ্রাস হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন এরদোগান
আনাদোলু এজেন্সি, ০৪ আগস্ট ২০১৮
তুরস্কের দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধেও পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান। তিনি বলেছেন, তুরস্কে আমেরিকার আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্পদ জব্দ করা হবে। শনিবার আঙ্কারায় নিজ দল জাস্টিস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টির এক নারী সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

এরদোগান বলেন, আমি আজ আমার বন্ধুদের নির্দেশনা দিচ্ছি। মার্কিন আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর যদি এখানে তাদের কোনও সম্পদ থাকে, তাহলে তা জব্দ করা হবে।

তুর্কি মন্ত্রীদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কোনও যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেন এরদোয়ান বলেন, কৌশলগত মিত্রের বিরুদ্ধে তারা যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা সঠিক নয়। নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে আমেরিকার হটকারী এবং তাদের বোকামিপূর্ণ সিদ্ধান্তে তুর্কি জাতি পিছু হটবে না।

এর আগে গত ১ আগস্ট বুধবার তুরস্কের দুই প্রভাবশালী মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র সারাহ স্যান্ডার্স এই ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোইলু এবং আইনমন্ত্রী আবদুলহামিত গুল-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আমেরিকান ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রানসনকে মুক্তি না দেওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোভুক্ত কোনও দেশে যুক্তরাষ্ট্রের এমন নিষেধাজ্ঞা এটাই প্রথম। যুক্তরাষ্ট্রে থাকা তুরস্কের উল্লিখিত দুই মন্ত্রীর স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে। আমেরিকায় তাদের কোনও সম্পদ গচ্ছিত থাকলে তা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে দুই বছর ধরে তুরস্কে আটক অবস্থায় রয়েছেন খ্রিস্টান ধর্মযাজক অ্যান্ড্রু ব্রানসন। তার বিরুদ্ধে আনা সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, আমেরিকান খ্রিস্টান ধর্মজাযক অ্যান্ড্রু ব্রানসনকে ২০১৬ সাল থেকে আটকে রাখার পেছনে এই দুই মন্ত্রী মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনেরও অভিযোগ তুলেছে ওয়াশিংটন।

ইস্তানবুলের অভিযোগ, ওই মার্কিন যাজক তুরস্কের বিচ্ছ্ন্নিতাবাদী কুর্দি বিদ্রোহীদের সমর্থন করেন।

এখন বিক্ষুব্ধ তুর্কিদের দাবি অনুযায়ী যদি তুরস্কে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়া হয়, তাহলে দুই ন্যাটো মিত্রের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা চরম হুমকির মুখে পড়বে। ১৯৭৪ সালে তুরস্ক উত্তর সাইপ্রাসে অভিযান চালানোর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে এতটা অবনতি আর ঘটেনি।

উ. কোরিয়ার ওপর নতুন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা
রয়টার্স, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
নিজেদের ষষ্ঠ ও সবচেয়ে শক্তিশালী পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর ফলে ফের জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে উত্তর কোরিয়া। ৩ সেপ্টেম্বর চালানো ওই পরীক্ষার কারণে এবার দেশটির টেক্সটাইল রফতানি ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্যের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে দেশটির ওপর এসব নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। উত্তর কোরিয়া এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা ব্যবস্থার হুমকি দিয়েছে।

এই নিয়ে ২০০৬ সাল থেকে দেশটির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদ নবমবারের মতো সর্বসম্মতভাবে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল। দেশটির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করা প্রাথমিক খসড়া প্রস্তাবটি আরো অনেক কঠোর ছিল কিন্তু উত্তর কোরিয়ার মিত্র ও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী দুই সদস্য চীন ও রাশিয়ার সমর্থন আদায়ের জন্য প্রস্তাবটি অনেকটা নমনীয় করা হয়। ২০১৬ সালে উত্তর কোরিয়ার প্রধান রফতানি পণ্য কয়লা ও অন্যান্য খনিজ রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল নিরাপত্তা পরিষদ। এবার দেশটির দ্বিতীয় প্রধান রফতানি পণ্য বস্ত্রের ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলো। কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন সংস্থার তথ্যানুযায়ী, এতে দেশটি বার্ষিক ৭৫ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলারের রফতানি আয় হারাবে।

দেশটির রফতানি করা বস্ত্রের ৮০ শতাংশ চীনে যেত। দেশটির তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বার্ষিক ২০ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত পেট্রলিয়াম পণ্য ছাড়াও উত্তর কোরিয়ার অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার আমদানি করা অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের বেশির ভাগই চীন সরবরাহ করত। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে নিরাপত্তা পরিষদের আলোচনার বিষয়ে জ্ঞাত এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বার্ষিক প্রায় ৪৫ লাখ ব্যারেল পরিশোধিত পেট্রলিয়াম পণ্য ও ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে উত্তর কোরিয়া। নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাবে ভোটাভুটির পর জাতিসঙ্ঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি বলেন, ‘নিষেধাজ্ঞা আরো জোরদার করে আমরা আনন্দিত না। আমরা যুদ্ধের দিকে তাকিয়ে নেই, কারণ উত্তর কোরিয়ার শাসকরা এখনো ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্ন’ পার করেনি।’ তিনি বলেন, ‘দেশটি যদি পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে রাজি হয়, ভবিষ্যৎ ফিরে পাবে তারা; আর যদি দেশটি বিপজ্জনক পথেই চলতে থাকে, আমরা আরো চাপ দেয়া অব্যাহত রাখব।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের ‘দৃঢ় সম্পর্কের’ কারণেই নিষেধাজ্ঞা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা সফল হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিয়ংইয়ংয়ের প্রত্যাখ্যান

রয়টার্স জানায়, জাতিসঙ্ঘের আরোপ করা নতুন বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা মানবে না জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে শিগগিরই ‘কল্পনাতীত কষ্ট’ দেয়ার হুমকি দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। জেনেভায় জাতিসঙ্ঘের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এক সম্মেলনে মঙ্গলবার পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রদূত হান তায়ে সং বলেন, ‘উন্নতির প্রায় চূড়ান্তপর্যায়ে উপনীত হওয়া উত্তর কোরিয়ার পরমাণু উন্নয়ন কার্যক্রমের লাগাম টেনে ধরার আদিম খেলায় মত্ত যুক্তরাষ্ট্র রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক সঙ্ঘাতের কারণে ধ্বংস হবে।’


আরো সংবাদ

iptv al Epoksi boya epoksi zemin kaplama Daftar Situs Agen Judi Bola Net Online Terpercaya Resmi

Hacklink

Bursa evden eve nakliyat
arsa fiyatları tesettür giyim
Canlı Radyo Dinle hd film izle instagram takipçi satın al ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme

instagram takipçi satın al
hd film izle
gebze evden eve nakliyat