film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Ezhel Şarkıları indirEzhel mp3 indir, Ezhel albüm şarkı indir mobilhttps://guncelmp3indir.com Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০

শেখ হাসিনাকে হত্যাচেষ্টার মামলায় ৫ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড

তিন দশক আগে ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গুলি চালিয়ে ২৪ জনকে হত্যা ও শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এই রায় দেন। এর আগে রোববার এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আত্মসমর্পণকারী চার আসামির জামিন বাতিল করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।

মামলার আসামির হলেন- চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) তৎকালীন কন্সটেবল মোস্তাফিজুর রহমান, প্রদীপ বড়ুয়া, শাহ মো: আবদুল্লাহ ও মমতাজ উদ্দিন। মামলায় অপর অভিযুক্ত সিএমপির কোতোয়ালি অঞ্চলের পেট্রোল ইনসপেক্টর জে সি মণ্ডল পলাতক আছেন।

এর আগে গত ১৪ জানুয়ারি ৫৩তম সাক্ষী আইনজীবী শম্ভুনাথ নন্দীর সাক্ষ্য দেয়ার মধ্য দিয়ে মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন আদালত যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ১৯ জানুয়ারি দিন ঠিক করেন। এরপর রোববার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী যুক্তি উপস্থাপন শেষে পাঁচ আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন। পরে আদালত আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য সোমবার দিন রেখেছিলেন। কিন্তু আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন না করায় আদালত রায় ঘোষণার সময় ঠিক করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সালের ২৪ জানুয়ারি বন্দরনগরী চ্ট্গ্রামের লালদীঘি মাঠে আওয়ামী লীগের জনসভার দিন বেলা ১টার দিকে শেখ হাসিনাকে বহনকারী ট্রাক আদালত ভবনের দিকে এগোনোর সময় নির্বিচারে গুলি ছোড়া শুরু হয়। গুলিবর্ষণের পর আইনজীবীরা মানববেষ্টনি তৈরির মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে রক্ষা করে তাকে আইনজীবী সমিতি ভবনে নিয়ে গিয়েছিলেন।

ওই দিনের ঘটনায় মো: হাসান মুরাদ, মহিউদ্দিন শামীম, স্বপন কুমার বিশ্বাস, এথলেবার্ট গোমেজ কিশোর, স্বপন চৌধুরী, অজিত সরকার, রমেশ বৈদ্য, বদরুল আলম, ডি কে চৌধুরী, সাজ্জাদ হোসেন, আব্দুল মান্নান, সবুজ হোসেন, কামাল হোসেন, বি কে দাশ, পঙ্কজ বৈদ্য, বাহার উদ্দিন, চান্দ মিয়া, সমর দত্ত, হাসেম মিয়া, মো: কাসেম, পলাশ দত্ত, আব্দুল কুদ্দুস, গোবিন্দ দাশ ও শাহাদাত হোসেন নিহত হন।

সে সময় নিহতদের কারো লাশ পরিবারকে নিতে দেয়নি স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকার। হত্যার পর সবাইকে বলুয়ার দীঘি শ্মশানে পুড়িয়ে ফেলা হয়। এরশাদের পতনের পর ১৯৯২ সালের ৫ মার্চ আইনজীবী মো: শহীদুল হুদা বাদী হয়ে এঘটনায় মামলা দায়ের করেন। দুই দফা তদন্ত শেষে ১৯৯৮ সালের ৩ নভেম্বর আট পুলিশ সদস্যকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি।


আরো সংবাদ

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানালেন মমতা লক্ষ্মীপুর আইনজীবী সমিতির সভাপতি শাহাদাত, সম্পাদক হাবিব ১৯৪৭ সালেই মুসলিমদের পাকিস্তানে পাঠানো উচিত ছিল : ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শ্রীপুরে আগ্নেয়াস্ত্রসহ ৩ অপহরণকারী আটক, অপহৃত উদ্ধার ফরিদপুরে শহীদ দিবসে জামায়াতের আলোচনা সভা সিএএ-বিরোধী সমাবেশে তরুণীর ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান, এরপর... ‘ফিলিস্তিন থেকে ইহুদিবাদীদের বহিষ্কারের উৎসব পালন হবে দামেস্কে’ ময়মনসিংহে বিনম্র শ্রদ্ধায় পালিত হলো আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আমতলীতে মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ঘরে ঘুমিয়ে স্বামী, প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে চুপিসারে ঢুকে স্ত্রীর ‘কুকীর্তি’! মিরসরাইয়ে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয়

সকল