film izle
esans aroma Umraniye evden eve nakliyat gebze evden eve nakliyat Entrumpelung wien Installateur Notdienst Wien
১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় স্ত্রীসহ ওসির কারাদণ্ড

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ থানার সাবেক ওসি ও তার স্ত্রীকে দোষী সাব্যস্ত করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ-৪ এর বিচরক শেখ নাজমুল আলম এক জনার্কীণ আদালতে গোয়ালন্দ থানার সাবেক ওসি (অব.) সাইফুল ইসলামকে ৭ বছর ও তার স্ত্রী জাকিয়া ইসলাম অনুকে ২ বছর কারাদণ্ডেদণ্ডিত করেন। কারাদণ্ডের পাশাপাশি সাইফুল ইসলামকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তার স্ত্রীকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ৩ মাস কারাগারে থাকতে হবে। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া সম্পদ গোপন ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের আরেক মামলায় সাইফুল ইসলামকে পৃথক দুই ধারায় আরো ৭ বছর কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এ মামলায় দুদক কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় ২ বছর কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদ- এবং দুদক কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৭(১), ৫ বছর কারাদণ্ড পাশাপাশি দুই লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো ১ বছর কারাভোগ করতে হবে। পৃথক তিন ধারায় সাইফুল ইসলামের কারান্ডাদেশ একসাথে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাইফুল ইসলামকে ও তার স্ত্রী জাকিয়া ইসলাম অনুকে আসামি করে ২০১০ সালের ২২ জুন রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মোজাহার আলী সরদার।

এজাহার থেকে জানা যায়, দুদক সাইফুল ইসলাম এবং তার স্ত্রীকে সম্পদের নোটিশ জারি করে। ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সাইফুল ইসলাম নিজ নামে, স্ত্রী ও পোষ্যদের নামে অর্জিত সর্বমোট ৪২ লাখ ৫৫ হাজার ২১ টাকার সম্পদ গোপন করে কমিশনে তথ্য দেন। আর জাকিয়া ইসলাম ৩১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার তথ্য কমিশনে জমা দেন। ২ কোটি ৫০ লাখ ৫৭ হাজার ৭৮৬ টাকার যথার্থ উৎস না থাকায় এবং বিপুল পরিমান জ্ঞাতআয় বর্হিভূত সম্পদ নিজ দখলে রাখার অভিযোগ করা হয় তার বিরুদ্ধে। এছাড়া সম্পদ গোপন করে কমিশনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে জ্ঞাত আয় বর্হিভূত ২৬ লাখ ৯০ হাজার ৯২৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন অভিযোগে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে একই দিন মোজাহার আলী সরদার মামলাটি দায়ের করেন। ২০১১ সালের ৪ আগষ্ট আদালত দুই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত।


আরো সংবাদ