১৫ অক্টোবর ২০১৯

দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কারণেই জাহালম কাণ্ড

-

জাহালমকে আবু সালেক রূপে চিহ্নিত করায় জন্য যে ভুলটি হয়েছে তা দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কারণেই ঘটেছে। তবে, তাদেরকে ভুল পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা এবং অ্যাকাউন্টের ভুয়া ব্যক্তিকে পরিচয়দানকারীরা।

বিনা অপরাধে ভুল আসামি হয়ে জাহালমের তিন বছর কারাভোগ করার জন্য দায়ী কে সংক্রান্ত ২৮ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তবে, আজ এই প্রতিবেদনের উপর শুনানি না করে দুদকের আইনজীবী সময় নিয়েছেন। দুদকের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবেদনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুলাই দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট। সে দিন এই বিষয়ে বিস্তারিত শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এ আগে আজ বেলা ২টার দিকে বৃহস্পতিবার দুদকের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে হলফনামা আকারে জমা দেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

প্রতিবেদনে তদন্তকারীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমার নিকট প্রতীয়মান হয়েছে জাহালমকে আবু সালেক রূপে চিহ্নিত করায় জন্য যে ভুলটি হয়েছে তা দুদকের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কারণেই ঘটেছে। তবে, তাদেরকে ভুল পথে পরিচালিত করতে সহায়তা করেছে ব্র্যাক ব্যাংক ও অন্যান্য ব্যাংকের কর্মকর্তারা এবং অ্যাকাউন্টের ভুয়া ব্যক্তিকে পরিচয় দানকারীরা।

বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে প্রতিবেদন দাখিল করার পর আগামী মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেন।

প্রসঙ্গত, সোনালী ব্যাংকের ঋণ জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের করা ৩৩ মামলায় বিনা অপরাধে তিন বছর কারাভোগ করেছেন টাঙ্গাইলের পাটকলশ্রমিক জাহালম। ঘটনাটি পত্রিকায় প্রকাশের পর সেটি একজন আইনজীবী হাইকোর্টের নজরে আনেন। গত ৩ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষে আদালত সোনালী ব্যাংকের অর্থ জালিয়াতির ঘটনায় দুদকের মামলা (৩৩ মামলা) থেকে জাহালমকে অব্যাহতি দিয়ে সেদিনই মুক্তি দিতে নির্দেশ দেন। ওইদিন রাতেই গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে মুক্তি পান জাহালম।

দেখুন:

আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum