২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯

তিতুমীরের শিক্ষার্থী রাজীবের ক্ষতিপূরণের বিষয়ে রায় ২০ জুন

-

সড়ক দুর্ঘটনায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আগামী ২০ জুন পুনরায় রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো: খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের দিন ধার্যের আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আবেদনকারী আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস। বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাতার হোসেন সাজু।

এর আগে গত ১৯ মে ক্ষতিপূরণসহ কয়েকটি বিষয়ে রুলের শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ মে) রায়ের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন হাইকোর্ট। তবে এ বিষয়ে রায় ঘোষণা না করে আদালত পুনরায় শুনানি করেন। কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট যানের ইনস্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, সে বিষয়ে আদালতে শুনানি হয়। শুনানি নিয়ে আদালত রায়ের জন্য পুনরায় দিন ধার্য করেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারান ছাত্র রাজীব। দুই বাসের চাপায় তার ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেয়া হয়। পরদিন ৪ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তবে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীবের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। ১৩ দিন চিকিৎসার পর ১৬ এপ্রিল মধ্যরাতে সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাজীব।

এরপর তার মৃত্যুর সংবাদ আদালতকে অবহিত করেন রিটকারী আইনজীবী। পরে আদালত রিটের শুনানি নিয়ে তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে কেন এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে জারি করেন। যার ধারাবাহিকতায় ওই রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে আদালত এ মামলার রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামের রাজীব তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মা এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবাকে হারান। ঢাকার মতিঝিলে খালার বাসায় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন স্নাতকে। কখনো টিউশনি করে, কখনো বা পার্টটাইম কাজ করে নিজে পড়াশোনা করেছেন এবং দুই ভাইকেও বানিয়েছেন কোরআনের হাফেজ।


আরো সংবাদ

বাগেরহাটে ভাইরাসের কারণে চিংড়ি শিল্পে বিপর্যয় আরব লিগ এবং ওআইসি : আস্থার সঙ্কট ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে দেশ ও বাইরে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অকালে চুল পেকে যাওয়া ঠেকাতে খাবার তালিকায় রাখুন এই খাবার পেঁয়াজের ঝাঁজে অস্থির ক্রেতা, নতুন করে বেড়েছে ডিম-মুরগির দাম হাতিরঝিলে ভেসে উঠলো লাশ, পরিচয় খুঁজছে পুলিশ অপরিকল্পিত নির্মাণাধীন ভবন থেকে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু ১৩০’র বেশি দেশ ভ্রমণ করেছেন যে অন্ধ পর্যটক মায়ের কাছ থেকে টাকা আদায়ে চাচা-বন্ধুদের সাথে মিলে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রের অপহরণ নাটক ধানমন্ডি ক্লাবের বার সিলগালা কাশ্মির ইস্যুতে ট্রাম্প- ইমরান বৈঠক সোমবার

সকল