২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

কন্ঠশিল্পী আসিফ এর মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ২০ ফেব্রুয়ারি

কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইন ও প্রতারণার অভিযোগের মামলায় তদন্ত অগ্রগতির প্রতিবেদন ২০ ফেব্রুয়ারি। সোমবার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোন প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেনি। সেজন্য ঢাকার মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন মামলার নথি পর্যালোচনা করে উপরোক্ত মর্মে তারিখ ধার্য্য করেন।

আদালত সূত্র জানায়, গত ৪ জুন সন্ধ্যায় গীতিকার, সুরকার ও গায়ক শফিক তুহিন বাদী হয়ে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন। ৫ জুন রাতে আসিফকে তার মগবাজারের অফিস থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। মামলায় আসিফ ছাড়াও আরও অজ্ঞাত চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১ জুন আনুমানিক রাত ৯টার দিকে চ্যানেল ২৪-এর সার্চলাইট নামের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে শফিক তুহিন জানতে পারেন যে, আসিফ আকবর অনুমতি ছাড়াই তার সংগীতকর্মসহ অন্যান্য গীতিকার, সুরকার ও শিল্পীদের ৬১৭টি গান সবার অজান্তে বিক্রি করেছেন।

পরে তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগ করে জানতে পারেন, আসিফ আকবর আর্ব এন্টারটেইনমেন্টের চেয়ারম্যান হিসেবে অন মোবাইল প্রাইভেট লিমিটেড কনটেন্ট প্রোভাইডার, নেক্সনেট লিমিটেড গাক মিডিয়া বাংলাদেশ লিমিটেড ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গানগুলো ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে ট্রু-টিউন, ওয়াপ-২, রিংটোন, পিআরবিটি, ফুলট্রেক, ওয়াল পেপার, অ্যানিমেশন, থ্রি-জি কন্টেন্ট ইত্যাদি হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহার করে অসাধুভাবে ও প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ উপার্জন করেছেন।

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি গত ২ জুন রাত ২টা ২২ মিনিটে তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমোদন ছাড়া গান বিক্রির এ ঘটনা উল্লেখ করে একটি পোস্ট দেন। তার ওই পোস্টের নিচে আসিফ আকবর নিজের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অশালীন মন্তব্য ও হুমকি দেন। পরদিন রাত ৯টা ৫৯ মিনিটে আসিফ আকবর তার প্রায় ৩২ লাখ লাইকার-সমৃদ্ধ ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে লাইভে আসেন। ৫৪ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড লাইভ ভিডিওর ২২ মিনিট থেকে তার বিরুদ্ধে অবমাননাকর, অশালীন ও মিথ্যা-বানোয়াট বক্তব্য দেন।

ভিডিওতে আসিফ আকবর তাকে (শফিক তুহিন) শায়েস্তা করবেন-এ কথা বলার পাশাপাশি ভক্তদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘তাকে যেখানেই পাবেন, সেখানেই প্রতিহত করবেন।’ এ নির্দেশনা পেয়ে আসিফ আকবরের ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। আসিফ আকবরের এ বক্তব্য লাখ লাখ মানুষ দেখেছে। তিনি উস্কানি দিয়েছেন। এতে তার (শফিক তুহিন) মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় শফিক তুহিন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।


আরো সংবাদ

Hacklink

ofis taşıma Instagram Web Viewer

canli radyo dinle

Yabanci Dil Seslendirme