১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

খালেদা জিয়ার বিচার : কারাগার এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা

ফাইল ছবি -

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিচার উপলক্ষে আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে। সকাল থেকে কারাগারের সামনের সড়কে যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের বিভিন্ন স্থানে বসানো হয়েছে তল্লাশি চৌকি। কারাগারের ফটকের সামনে নিরাপত্তা অন্যান্য দিনের চেয়ে আরো জোরদার করা হয়েছে। গলির মুখে মুখেও রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। বন্ধ রয়েছে ওই এলাকার দোকানপাট।

সকাল থেকে কারাগারের সামনে অবস্থান নেন গণমাধ্যমকর্মী, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ও নেতাকর্মীরা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রস্তুত রাখা হয়েছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের গাড়ি।

বিশেষ আদালত-৫-এর কর্মকর্তা তাজুল ইসলাম সকাল সোয়া ১০টায় জানান, ‘এরই মধ্যে আসামি ও বাদীপক্ষের আইনজীবীদের বলে দেয়া হয়েছে, তাদের ছয়জন করে মোট ১২ জন কারা অভ্যন্তরে বসা আদালতে যেতে পারবেন। ছয়জন আইনজীবীর তালিকা জমা দেয়ার জন্য আসামিপক্ষের প্রধান আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজলকে বলা হয়েছে।’

কারাগারে সাংবাদিকরা যেতে পারবেন। তবে সেখানে কোনো ক্যামেরাপাসন যেতে পারবেন না। সাংবাদিকদের মোবাইল রেখে শুধু আইডি কার্ড নিয়ে যেতে পারবেন বলে জানান তাজুল ইসলাম।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কারা অভ্যন্তরে আদালত বসা নিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। তবে একে ‘আইন পরিপন্থী’ বলেছেন খালেদা জিয়ার দল বিএনপি ও তার আইনজীবীরা।

গেজেটে বলা হয়, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের টাকা আত্মসাৎ-সংক্রান্ত কার্যক্রম ঢাকা মহানগরের বকশীবাজার এলাকার সরকারি আলিয়া মাদরাসা ও সাবেক ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার সংলগ্ন মাঠে নির্মিত অস্থায়ী আদালত ভবনে পরিচালিত হচ্ছে। এসব মামলার বিচার কার্যক্রম চলাকালীন এলাকাটি জনাকীর্ণ থাকে তাই নিরাপত্তাজনিত কারণে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের কক্ষটিকে অস্থায়ী আদালত ঘোষণা করা হয়েছে।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসনকে ঢাকার পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়ার পর থেকে তিনি অন্য কোনো মামলায় আর হাজিরা দেননি অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। এই পরিস্থিতিতে আদালতকেই কারাগারে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মঙ্গলবার গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।

সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় যে আদালত দণ্ড দিয়েছেন, সেখানে আরও একটি মামলা শেষ পর্যায়ে আছে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় গত ১ ফেব্রুয়ারি আসামি জিয়াউল হক মুন্নার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন শেষ হয়। পুরান ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের দিন নির্ধারণ করেন।

এই মামলায় এখন কেবল খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন বাকি। কিন্তু সাত মাসেও তার এই যুক্তি উপস্থাপন হয়নি। ফলে এই মামলার শুনানি কবে শেষ হবে, সেটি নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।


আরো সংবাদ

কোন মতে রক্ষা ভারতের জবিতে সমাবর্তনের দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ কেরানীগঞ্জে পিতা-পুত্র হত্যা মামলার আবার রায় আজ দলীয় সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের সুযোগ নেই : বাম গণতান্ত্রিক জোট খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য আইজি প্রিজনের মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শন এলজিইডির টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ সংসদীয় কমিটিতে শিশু অধিকারবিষয়ক সংসদীয় ককাসের সাথে এএসডির মতবিনিময় সুমুদ্রগামী জেলেদের উন্নয়নে নতুন প্রকল্প গ্রহণের আশ্বাস মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর নৌপ্রধানের যুক্তরাষ্ট্র গমন পতনের ভয়ে সরকার আতঙ্কিত : রিজভী সৈয়দ আশরাফ গুরুতর অসুস্থ : সংসদে ৯০ কার্যদিবসের ছুটি মঞ্জুর

সকল