২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

উপজেলা চেয়ারম্যান সাবিরাকে ৬ বছরের দন্ড

-

মিথ্যা তথ্য ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বর্তমান চেয়ারম্যান সাবিরা সুলতানাকে ৬ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করেছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার ঢাকার বিশেষ জজ-৭ এর বিচারক সহিদুল ইসলাম এ দন্ডাদেশ দেন। রায়ে ৩ বছর করে মোট ৬ বছরের কারাদন্ড প্রদান করে পাশাপাশি ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেন আদালত।

তবে দুই ধারায় সাজা এক সাথে চলবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১ কোটি ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করেন আদালত। রায় ঘোষনার সময় সাবিরা সুলতানা পলাতক রয়েছেন। সে কারনে তার অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষনা করা হয়। তাকে গ্রেফতার করার জন্য গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

উল্লেখ্য-দুর্নীতি দমন কমিশন সাবিরা সুলতানাকে সম্পদের বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেন। ২০০৯ সালের ২৪ মে তিনি সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। বিবরণীতে ৫৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৩৫ টাকা সম্পদের বিষয় ভিত্তিহীন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ছাড়াও তিনি ৪৫ লাখ টাকার সম্পদের মিথ্যা তথ্য প্রদানসহ ১ কোটি ৭৮ লাখ ১৩৫ টাকার সম্পত্তি অসাধুভাবে অর্জন করেছেন বলেও অভিযোগ আনা হয়। এ ঘটনায় ২০১০ সালের ২০ জুলাই দুদকের সহকারী পরিচালক সৈয়দ আহমেদ ঢাকার ধানমন্ডি থানায় তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পাঁচ দিন পর তার বিরুদ্ধ চার্জশীট দাখিল করে দুদক। ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন আদালত। চার্জ গঠনের সময় আসামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায় বিচার দাবী করেন। এ মামলায় ৯ সাক্ষীর মধ্যে ৮ জন সাক্ষ্য প্রদান করেন। যুক্তিতর্ক শুনানী শেষে আদালত উপরোক্ত মর্মে রায় ঘোষনা করেন। রায় ঘোষনার সময় আসামী পলাতক ছিলেন।

 

আরো দেখুন : কুষ্টিয়ায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় স্ত্রী মিলি আক্তারকে হত্যা মামলায় স্বামী তরিকুল ইসলাম টিটুকে (৩৬) মৃত্যুদণ্ড ও অর্থদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুষ্টিয়ার জেলা দায়রা ও জজ আদালতের (নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল) বিচারক মুন্সী মো: মশিয়ার রহমান এ রায় দেন। এ রায় প্রদানের সময় তরিকুল পলাতক রয়েছেন।


নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আকরাম হোসেন দুলাল জানান, ১৯৯৮ সালে মিলি আক্তার ও তরিকুল ইসলাম টিটুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে তরিকুল ও তার পরিবার মিলির উপর নির্যাতন চালাতো। যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় কয়েক দফায় শ্বশুরবাড়ির লোক তাকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়।

সর্বশেষ ২০০৯ সালে ০৬ জুলাই বাপের বাড়িতে থাকা অবস্থায় বাড়ি থেকে ডেকে স্বামী তরিকুল ও তার পরিবারের লোকজন মিলিকে হত্যা করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ঘটনার দিন ভেড়ামারা থানায় মিলির ভাই জাহাঙ্গীর ইসলাম বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বিচারক আসামির অনুপস্থিতিতে ফাঁসির আদেশ ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মামলার রায়ে বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর দ্রুত মামলার রায় বাস্তবায়নের দাবি জানায়।


আরো সংবাদ

জোড়া আঘাতে বিপদে বাংলাদেশ সাবেক বিচারপতির দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন ওবায়দুল কাদেরের প্রেমের ফাঁদ : অতঃপর বিবস্ত্র করে টাকা আদায় জুডিশিয়াল ক্যু করতে ব্যর্থ হয়ে নতুন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে : আইনমন্ত্রী অটোরিকশায় তার ছিঁড়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত ৪ সঠিক কথা বলায় বিচারপতি সিনহাকে দেশত্যাগে বাধ্য করেছে সরকার : সুপ্রিম কোর্ট বার ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ : স্পিননির্ভর ভারত নিউ ইয়র্কে সুষমা-কোরেশি বৈঠক খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী : ফখরুল জাতিসঙ্ঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক যাত্রার প্রধানমন্ত্রীর ভিক্টোরিয়া হ্রদে ফেরি ডুবিতে কমপক্ষে ৪৪ জনের মৃত্যু

সকল