২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮

খালেদার রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষ, আদেশ ১২ জুলাই

-

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার আপিল ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ রিভিউ চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে।

সোমবার (৯ জুলাই) এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুলাই দিন নির্ধারণ করেছেন নির্ধারণ করেছেন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৪ সদস্যের বেঞ্চ।

খালেদা জিয়ার পক্ষে মওদুদ আহমদ, এ জে মোহাম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এই মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল করে জামিন আবেদনের পর খালেদা জিয়াকে ১২ মার্চ চার মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট।

এর বিরুদ্ধে দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের পর গত ১৬ মে তা বহাল রেখে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছিলেন উচ্চতর আদালত। পরে খালেদা জিয়া ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল মামলার নিষ্পত্তিতে আপিল বিভাগের আদেশ পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে আবেদন করেন। এ আবেদনের পর ৫ জুলাই আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ৯ জুলাই শুনানির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠানোর আদেশ দেন। সে অনুসারে সোমবার এ আবেদনের ওপর শুনানি হয়।


এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দি। বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুইজন হলেন, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পলাতক তিনজন হলেন-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড গ্রাউন্ডে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আখতারুজ্জামান মামলাটিতে খালেদা জিয়ার পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন। একইসঙ্গে খালেদার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

রায় ঘোষণার ১১ দিন পর ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রায়ের সার্টিফায়েড কপি বা অনুলিপি হাতে পান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। এরপর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় ২০ ফেব্রুয়ারি তারা এ আবেদন করেন। ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ এবং অর্থদণ্ড স্থগিত করে নথি তলব করেন। এরপর ৭ মার্চ অপর আসামি মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামালের আপিলও শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। ১০ মে আরেক আসামি শরফুদ্দিনের আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন আদালত।

 


আরো সংবাদ

মুন্সীগঞ্জে র‌্যাবের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ব্যবসায়ী নিহত ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগের পরই শতরান! ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন : প্রফেসর আসিফ নজরুলের বিশ্লেষণ আফগানিস্তান নিয়ে যা বললেন ধোনি কিশোরগঞ্জের মালা-রুমা বেগমদের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প রাঙ্গামাটির কাউখালীতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ২২টি দোকান পুড়ে ছাই আত্মহত্যার চেষ্টা করলেই কারাদণ্ড বা জরিমানা ভেনিজুয়েলাকে একঘরে করতে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের আহ্বান আন্তর্জাতিক সকল বিরোধ নিষ্পত্তি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিশ্ব নেতাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ভারতে বন্যায় ১০ জনের প্রাণহানি ভিয়েতনামে ছুরিকাঘাতে একই পরিবারের ৩ সদস্য নিহত

সকল