২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

একরামের পরিবারের থেকে কেউ অভিযোগ করেননি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

-

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়ার বিষয়টি একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করবেন। ওই ম্যাজিস্ট্রেট্রের দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ যদি প্রলুব্ধ হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা এত কথা বলছেন অথচ একরামের পরিবারের থেকে কেউ আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেননি।

মন্ত্রী বলেন, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়, কেউ যদি স্বপ্রণোদিত হয়ে এই কাজ করে তাহলে তার বিচার অবশ্যই হবে। আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, রিপিট করে বলতে চাই, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত অডিও প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অডিওটি অফিসিয়ালি আমাদের কাছে আসেনি। কেউ অফিসিয়ালি এই ঘটনার তথ্য দেয়নি। অডিও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যা করার করবো।

অডিও শুনে কি এটা মাদকবিরোধী অভিযানের বন্দুকযুদ্ধ মনে হয়েছে? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান চলবে, মাদকের কারণে যুব সমাজ পথ হারাবে, মেধা হারিয়ে যাবে। সর্বস্তরের মানুষ এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে। তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপরাধীকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা দেয়া, মামলা দেয়া হচ্ছে। নিরপরাধকে ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গ. ২৯ মে দিবাগত রাত ১টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের নোয়াখালিয়াপাড়ায় র‌্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন টেকনাফ পৌরসভার তিনবার নির্বাচিত কাউন্সিলর একরামুল হক। তিনি টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী পাড়ার মৃত আবদুস সাত্তারের ছেলে।

এছাড়াও তিনি টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের ১৩ বছর দায়িত্বপালনকারী সাবেক সভাপতি, টেকনাফ বাস স্টেশন ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও টেকনাফ মাইক্রো শ্রমিক ইউনিয়নের আহ্বায়ক ছিলেন।


আরো সংবাদ