২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ছাত্রলীগের কমিটি পরিবর্তনের এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদ্মা সেতুর টোল নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি : সেতুমন্ত্রী

-

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, পদ্মা সেতুর নির্মাণপ্রক্রিয়া এগিয়ে চলেছে; কিন্তু টোলের ব্যাপারটা নির্ধারণ হওয়ার আগেই কিভাবে আগাম কথা বলব। মূলত পদ্মা সেতুর টোলের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গতকাল বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। মহাসড়কে টোল আরোপের বিষয়ে সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, যাত্রীবাহীসহ সব গাড়িকেই টোল দিতে হবে। পৃথিবীর সব দেশেই রাস্তা ব্যবহারে টোল দিতে হয়। কোন মহাসড়কে কত এবং কোন গাড়ির জন্য কত টাকা টোল ধার্য হবে, সে বিষয় একটি নিয়মের মধ্যে আনা হচ্ছে। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি বলেন, জাতীয় মহাসড়কের মধ্যে যেগুলো চার, ছয় ও আট লেনের বা নতুন করে নির্মাণ করা মহাসড়ক, আপাতত সেগুলোতেই আমরা টোল আরোপের চিন্তাভাবনা করছি।
ছাত্রলীগের কমিটি পরিবর্তনের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আসছে কি না, জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বিষয়ে সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও যাচাই-বাছাই করে ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করেছেন। আমি নেত্রীর পক্ষ থেকে ঘোষণা দিয়েছি। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি, ইউনিভার্সিটি ও ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ একসাথে প্রেসিডেন্ট-সেক্রেটারিদের নাম ঘোষিত হয়েছিল। এটা নেত্রী নিজেই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এখন যদি ছাত্রলীগের এই কমিটির ব্যাপারে নতুন কোনো বিবেচনা আসে, সংযোজন বা পরিবর্তনের কোনো প্রশ্ন আসে, আমি মনে করি নেত্রী নিজেই করতে পারেন। যেহেতু কমিটিটা তিনিই করেছেন, কাজেই কমিটির ব্যাপারে কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন-সংযোজনের প্রয়োজন হয় সেটি তিনি নিজেই করবেন। এটা একমাত্র নেত্রীর এখতিয়ার।
ছাত্রলীগের আগাম সম্মেলনের কোনো সম্ভাবনা আছে কি নাÑ জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমি এখন পর্যন্ত আগাম সম্মেলনের কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি, পেলে জানাব। ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনিয়মের বিষয়গুলো আপনি কিভাবে দেখছেনÑ সাংবাদিকেরা জানতে চাইলে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা আমাদের পার্টির একদম ইন্টারনাল ব্যাপার। ছাত্রলীগের বিষয়টি নেত্রী সরাসরি নিজেই দেখেছেন। বিষয়টি এখন যে পর্যায়ে আছে, সিদ্ধান্ত আকারে কোনো কিছু যদি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় না যায়, এর আগে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মন্তব্য করা সমীচীন হবে না। নেত্রী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন, দলের চারজনকে ছাত্রলীগের বিষয়টি দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়েছেন।
ছাত্রলীগের বর্তমান কর্মকাণ্ডে আপনারা সন্তুষ্ট নাকি অসন্তুষ্টÑ এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমি এই মন্তব্য এখন করব না। আমি সব সময় ভালো কাজের প্রশংসা করি, দলের ভেতরেও খারাপ কাজ হলে, ডিসিপ্লিন ভঙ্গ হলে সে জন্য যদি কাউকে তিরস্কার করতে হয়, আমি সেটির পক্ষে। ভালো কাজের পুরস্কার দেয়া উচিত। এটা আমরা আওয়ামী লীগে করে থাকি।

 


আরো সংবাদ