১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সাতক্ষীরায় আ’লীগের ২ গ্রুপে সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ আহত ২০

-

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। প্রায় দুই ঘণ্টার এ সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কমপক্ষে ২৯ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। এ সময় সংঘর্ষে জড়িত পাঁচজন পুলিশের ছোড়া শটগানের গুলিতে আহত হন। এ ঘটনায় দু’জন অফিসারসহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে পুলিশ দাবি করেছে।
গতকাল রোববার বেলা ২টায় শ্যামনগর উপজেলার বংশীপুর বাসস্ট্যান্ডে ঈশ্বরীপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শোকর আলী এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকারী নেতা সাদেকুর রহমান সাদেমের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে আক্তার আলী, আব্দুস সালাম, আব্দুল আলিম, আবু সাইদ, নুর মোহাম্মদ, আবদুল বারেক, আওসাফুর, সফিকুল ও শাহ আলমের নাম জানা গেছে। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ আক্তার আলী, আব্দুস সালাম, আব্দুল আলিম, আবু সাইদ, নুর মোহাম্মদকে প্রথমে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদেরকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রোববার ভোরে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শোকর আলীর সমর্থক আব্দুল আলিম সাদেকুর রহমানের সমর্থক আসমতকে মারধর করে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুপুরে উভয় পক্ষের সমর্থকরা লাঠিসোটা নিয়ে বংশীপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেয়। পরে একপক্ষ অপর পক্ষকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান জানান, উভয়পক্ষ ঢাল, লাঠি, রামদা, সুড়কিসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। ঘটনাস্থলে মার্ডার হওয়ার আশঙ্কা ছিল। জনগণের জানমাল রক্ষা ও নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ২৯ রাউন্ড শটগানের গুলি ছোড়ে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে উল্লেখ করে ওসি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন আছে। কী কারণে এমন ঘটনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


আরো সংবাদ