২৩ অক্টোবর ২০১৯

পাঁচ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী পরিচয়পত্র গ্রহণ করেছেন

-

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ এবং জাতিসঙ্ঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, ইউএনএইচসিআর কর্তৃক যৌথভাবে নিবন্ধিত হয়েছেন। তাদের পরিচয়পত্র দেয়া হয়েছে।
তাদের বেশির ভাগের ক্ষেত্রে এটাই তাদের জীবনের প্রথম পরিচয়পত্র প্রাপ্তি। এই কার্ডটি বায়োমেট্রিক তথ্যসংবলিত এবং এটি নকল/জাল করা সম্ভব নয়। ১২ বছরের অধিক বয়সী যাচাইকৃত সব শরণার্থীকে এই কার্ডটি প্রদান করা হচ্ছে। সর্বাঙ্গীণ নিবন্ধন প্রক্রিয়া বাংলাদেশে অবস্থানরত শরণার্থী সম্পর্কিত তথ্যের যথাযথ তা নিশ্চিত করে, যা জাতীয় কর্তৃপক্ষ এবং মানবিক সংস্থাগুলোকে শরণার্থী জনগোষ্ঠী এবং তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে সম্যক ধারণা প্রদান করবে। সঠিক তথ্যভাণ্ডার কর্মরত সংস্থাগুলোকে তাদের কর্মসূচি পরিকল্পনা করতে এবং নারী ও শিশু কর্তৃক পরিচালিত পরিবার এবং প্রতিবন্ধীসহ সবচেয়ে অসহায় অবস্থায় থাকা মানুষদের জন্য বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করতে সক্ষম করবে।
নিবন্ধনের সময় সংগৃহীত বায়োমেট্রিক তথ্য ব্যবহার করে ইউএনএইচসিআর গত সপ্তাহে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা স্থাপনায় প্রথমবারের মতো গোবাল ডিস্ট্রিবিউশন টুল (এউঞ) উদ্বোধন করেছে। আঙুলের ছাপ অথবা চোখের মণির স্ক্যান যাচাই করার মাধ্যমে এই পদ্ধতি সাহায্য বিতরণ ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করে। এটি নকল/জাল প্রতিরোধী এবং সাহায্য প্রদানের ক্ষেত্রে যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় তা নিশ্চিতের জন্য সংস্থাগুলো ব্যবহার করতে পারে। সাহায্য পাওয়ার ক্ষেত্রে কেউ যাতে বাদ না পড়ে সেটির নিশ্চয়তা দেয়া হয় এই পদ্ধতির মাধ্যমে। সামনের সপ্তাহগুলোতে এ পদ্ধতিকে আরো অন্যান্য স্থাপনায় প্রয়োগ করা হবে।
ইউএনএইচসিআর-বাংলাদেশের প্রতিনিধি স্টিভেন করলিস বলেন, ‘এটি আমাদের নিবন্ধন কর্মকাণ্ডে একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। এই কার্ডটি থাকায় নিবন্ধিত শরণার্থীরা আরো নিরাপদ বোধ করবেন এবং বাংলাদেশে অবস্থানকালে তাদের প্রয়োজনীয় সেবাগুলো গ্রহণ করতে পারবেন। এ ছাড়াও এই কার্ডে স্পষ্ট করে উল্লেখ রয়েছে যে তাদের মূল দেশ মিয়ানমার। তারা যখন নিজের দেশে ফিরে যেতে চাইবে তখন এই কার্ডটি তাদের নিজের দেশে ফেরার অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
কক্সবাজারের ঘনবসতিপূর্ণ আবাসনে ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করেন যাদের মধ্যে সাত লাখ ৪০ হাজার ২০১৭ সালের আগস্ট মাসের পর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসেছেন বলে ধারণা করা হয়।
এই নিবন্ধন প্রক্রিয়াটি ২০১৮ সালের জুন মাসে শুরু হয়। বর্তমানে সাতটি কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গাকে নিবন্ধন করা হচ্ছে। ২০১৯ সালের শেষ তিন মাসের মধ্যে সব শরণার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ৫৫০ জনেরও বেশি কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে।
শরণার্থী নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় তাদের মৌলিক তথ্যসহ, পারিবারিক সংযোগ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নথিভুক্ত করা হয়। ইউএনএইচসিআরের বায়োমেট্রিক পরিচয় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি বায়োমেট্রিক তথ্য যেমন- আঙুলের ছাপ, চোখের মণির স্ক্যানকৃত তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রত্যেক শরণার্থীর অনন্য পরিচয় নিশ্চিত করে।


আরো সংবাদ

এক সেনা হত্যার বদলা নিতে গিয়ে ৯ সেনা হারালো ভারত! (৬৯৬৯৮)সিনিয়রদেরকেও ‘স্যার’ বলতে বাধ্য করতেন ওমর ফারুক চৌধুরী : আরেক রূপ প্রকাশ (৩৭৪৬২)ভোলার ঘটনায় ফেসবুকে স্ট্যাটাস, যুবক আটক (২৩৪৯১)কাউন্সিলর রাজীবের গাড়ি প্রীতি (১৮৩২৩)কঠোর অবস্থানে মন্ত্রণালয় মন্ত্রীর সাথে সচিব অতিরিক্ত সচিবদের রুদ্ধদ্বার বৈঠক (১৮২৬১)বিয়ের আগেই ছেলে সন্তানের মা হলেন নবম শ্রেণীর ছাত্রী (১৬৪৩৬)লজ্জিত এমপি বুবলী, বরখাস্ত করেছেন এপিএসকে (১৫০৭৮)তুর্কিদের মোকাবেলায় এবার ইসরাইলের দ্বারস্থ কুর্দিরা (১৩৬৯২)আন্দোলনকারীদের ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম (১৩২৬০)বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের ধর্মঘট নিয়ে যা বললেন সৌরভ (১৩০৩৯)



portugal golden visa
paykwik