১৫ অক্টোবর ২০১৯

ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ৯৬ জনের বিরুদ্ধে লুটের মামলা

-

ভাঙচুর ও লুটতরাজের অভিযোগে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চেয়ারম্যান ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দেলোয়ার হোসেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পরিচালক সাইফুল ইসলাম শিশির, গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মর্তুজা আলী বাবুসহ ৯৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে মোহাম্মদ আলী বাদি হয়ে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
এজাহারে মোহাম্মদ আলী উল্লেখ করেন, আশুলিয়ার পাথালিয়া মৌজাস্থিত এস এ ৯ আর এস-১৬৬ নং খতিয়ানের সিএস ও এসএ-৫২৪ আরএস-১১৫০ নং দাগে ৪.২৪ একর সম্পত্তি আমিসহ তাজুল ইসলাম ও আনিছুর রহমান কেনার মাধ্যমে ভোগদখলে রয়েছি। ১নং বিবাদি ডা: জাফরুল্লাহ আমাদের সম্পত্তি অবৈধভাবে দখলের উদ্দেশ্যে পাঁয়তারাসহ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করায় আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি ও মামলা দায়ের করি। গত বুধবার রাত সাড়ে ৩টায় ১নং বিবাদীর হুকুমে অন্যরা ভেকু নিয়ে অনধিকার প্রবেশ করে দুই সিকিউরিটি গার্ডকে মারধর করে তিনটি কম্পিউটার, ৮২টি চেয়ার, ২৮টি সিলিংফ্যান, তিনটি ফায়ার এক্সটেনগুইশার হাতিয়ে নেয়। এ ছাড়া বিবাদিরা ভাঙচুর করে ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি করে।
জানতে চাইলে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মীর মুরতজা আলী বলেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জমি ও স্থাপনা মোহাম্মদ আলী ও তার সঙ্গীরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে জবর দখল করে রেখেছে। তারা একাধিক মামলা দিয়ে তিনিসহ ট্রেজারার দেলোয়ার হোসেন ও প্রতিষ্ঠানের বয়োবৃদ্ধ চেয়ারম্যান জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে হয়রানি করে আসছে। জমিসংক্রান্ত মামলায় উল্লেখিত ৪.২৪ একর জমি গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পক্ষে আদালত রায় প্রদান করেন। হঠাৎ এ ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহ করতে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বাউন্ডারি ঘেরা স্থাপনা জবর দখলকৃত মোহাম্মদ আলী গংরা ভেঙে ফেলে উল্টো হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলায় আমাদের জড়িয়েছে। উল্লিখিত ঘটনার সাথে তিনি ও মামলার এজাহারের কেউ জড়িত নন। এটি বানোয়াট ও সাজানো মামলা বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 


আরো সংবাদ




astropay bozdurmak istiyorum