২৫ মে ২০১৯

  বোয়ালমারীতে আ’লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

-

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ৯ জনকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ৬টায় বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের চণ্ডিবিলা গ্রামে সংঘর্ষ হয়। আহতরা অভিযোগ করেছেন, পুলিশের সহায়তায় এ হামলা চালানো হয়েছে।
হামলায় আহতদের মধ্যে ঘোষপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি মুন্নু মোল্যা (৪২), স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রবীণ কর্মী কাজী রফিউদ্দিন (৬০), তার ছেলে কাজী শামীম (৩৫), মোস্তফা মোল্যা (৫০), সাইফুর রহমান (৫০), আবদুর রাজ্জাক (৭০), মতিয়ার রহমান (৫০), কবির হোসেন (৫৫) ও সাহেব আলীকে (২৬) ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ঘোষপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অর্থবিষয়ক সম্পাদক এস এম ফারুক হোসেন বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান চান মিয়া এবং আলাউদ্দিন আহমেদের সমর্থক ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জামাল মেম্বার ও আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠি নিয়ে ঘুমন্ত মানুষদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। আগের রাতে বোয়ালমারী থানা পুলিশের সাথে আতাত করে এ হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তবে আওয়ামী লীগ নেতা ও ঘোষপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান চান মিয়া বলেন, আগের দিন রাতে আমার লোকদের ওপর ঘোষপুর ইউপি চেয়ারম্যান ফারুক হোসেনের লোকেরা হামলা চালিয়ে আহত করে। এ কারণে এ ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে।
হামলায় আহত কাজী রফিউদ্দিনের মেয়ে কাজী শাহনাজ বলেন, ভোরে সাহরি খেয়ে আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। এরপর সকালে ঘুম ভাঙলে দেখি লাঠি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলাকারীরা আমাদের বাড়িঘর ঘিরে রেখেছে। এরপর আমার বাবা ও দুই ভাইকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে গুরুতর আহত করেছে। তিনি বলেন, ওদের সাথে আমাদের জায়গাজমি বা অন্য কিছু নিয়ে কোনো বিরোধ নেই। শুধু আধিপত্য বিস্তারের জন্যই এভাবে ওরা নৃশংসভাবে হামলা করেছে।
হামলায় আহত রাখাগাছি গ্রামের সাহেব আলী বলেন, আমরা পাঁচজন সকালে চণ্ডিবিলা গ্রামে কাজী রফিউদ্দিনের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েছিলাম। এ সময় ওরা এসে আমাদের প্রথমে পিটিয়ে সারা শরীর থেতলে দেয়। এরপর সড়কি ও রামদা দিয়ে কুপিয়ে আহত করে।
এ ব্যাপারে বোয়ালমারী থানার ওসি (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন পক্ষই থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। হামলার ব্যাপারে পুলিশের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি জানান।
প্রসঙ্গত, স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ঘোষপুর ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। সম্প্রতি ঘোষপুর ইউনিয়নের বালুমহাল ইজারাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চাঙ্গা হয়ে ওঠে। মাসখানেক আগেও দুই পক্ষের সংঘর্ষে কমপক্ষে সাতজন আহত হন।

 


আরো সংবাদ

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যপ্রাচ্যে আরো সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে কমে গেল মমতার আসন প্রথম ব্রিটিশ মুসলিম প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন সাজিদ জাভিদ! ফুলতলা উপজেলা সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সমাজে জ্ঞানের গুরুত্ব কমে গেছে : সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী শেখ হাসিনা স্বপ্ন দেখেন এবং তা বাস্তবায়ন করেন : পানিসম্পদ উপমন্ত্রী ৭টি অবকাশকালীন বেঞ্চ গঠন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জিনাত আরা ভ্যাকেশন জজ অধ্যাপক হারুন সভাপতি ডা: সালাম মহাসচিব দেশে যে কবরের শান্তি বিরাজ করছে : বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

সকল




Instagram Web Viewer
agario agario - agario
hd film izle pvc zemin kaplama hd film izle Instagram Web Viewer instagram takipçi satın al Bursa evden eve taşımacılık gebze evden eve nakliyat Canlı Radyo Dinle Yatırımlık arsa Tesettürspor Ankara evden eve nakliyat İstanbul ilaçlama İstanbul böcek ilaçlama paykasa