২৩ আগস্ট ২০১৯

বাণিজ্যমেলায় ১৫ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে মিনিস্টার

-

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় ১৫ শতাংশ নগদ ছাড় দিচ্ছে মিনিস্টার হাইটেক পার্ক। সবধরনের গৃহস্থালি ও কিচেন-পণ্যে এ ছাড় দেয়া হচ্ছে। ফ্রিজ, টেলিভিশন ও এয়ার কন্ডিশনারের ক্ষেত্রে দেয়া হচ্ছে একটির সাথে একটি পণ্য ফ্রি। আবার বিকাশের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধ করলে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ব্যাক করা হচ্ছে সবধরনের পণ্যেই। এত কিছুর পরও কিছু পণ্যে দেয়া হচ্ছে বিশেষ মূল্যছাড়। ফলে বাণিজ্যমেলার ৪৩ নম্বর প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়নে লক্ষ করা গেছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
এবারের বাণিজ্যমেলায় কেবল মিনিস্টার ব্র্যান্ডের পণ্য উপস্থাপন করা হয়েছে জানিয়ে মিনিস্টার-মাইওয়ান গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড মিডিয়া কে এম জি কিবরিয়া গতকাল নয়া দিগন্তকে বলেন, বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সুসজ্জিত করা হয়েছে মিনিস্টার হাইটেক পার্ক। ফ্রিজ, টিভি, এসিসহ সবধরনের ইলেকট্রনিক পণ্য তৈরি হচ্ছে মিনিস্টারের কারখানায়। মেলা উপলক্ষে মিনিস্টার ১২ হাজার থেকে এক লাখ টাকার টেলিভিশন, ২০ হাজার থেকে ৭০ হাজার টাকার ফ্রিজ এবং ৩৯ হাজার থেকে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা দামের এসি আনা হয়েছে বিক্রয় ও প্রদর্শনের জন্য।
তিনি বলেন, মিনিস্টারের টেলিভিশনের শক্তিশালী আই প্রটেক্টর দেয়া আছে। ভিপিইউ ক্যাপাসিটি সম্পন্ন এসিতে দেয়া হচ্ছে ৭ বছরের কমপ্রেসর গ্যারান্টি। ১২ বছরের গ্যারান্টি দেয়া হচ্ছে মিনিস্টার ফ্রিজে। বাণিজ্যমেলা উপলক্ষে একটি পণ্য কিনে সম্পূর্ণ ফ্রি ওভেন, রাইস কুকার, ওয়াশিং মেশিন, বেল্ডার, আয়রন, গ্যাস স্টোভ প্রভৃতি পেয়ে গ্রাহকেরা বেশ খুশি জানিয়ে তিনি বলেন, সব ছাড়ের পরও বিকাশে পেমেন্ট দেয়ার কারণে প্রত্যেক গ্রাহক পাচ্ছেন অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ ক্যাশব্যাক। মেলাকে কেন্দ্র করে সারা দেশের শো-রুমগুলোয় একই ছাড় দেয়া হচ্ছে বলেও জানান কিবরিয়া।
ব্যাপক আগ্রহ রক্তদানে : বরাবরের মতো এবারো ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করেছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি। আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত আন্তর্জাতিক সংস্থাটির রক্তদান কর্মসূচিতে সার্বিক সহযোগিতা করছে দেশের বৃহত্তম খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান ‘প্রাণ’। মাসব্যাপী ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলায় রেড ক্রিসেন্টের কর্মসূচি চলছে মূল ফটক দিয়ে সামনে এগিয়ে পশ্চিম পাশে বঙ্গবন্ধু প্যাভিলিয়নের পেছনে। সরেজমিন পরিদর্শনে গতকাল অনেক তরুণ-তরুণীকে ব্যাপক আগ্রহসহ রক্ত দিতে দেখা যায়। এমনই একজন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী স¤্রাট। জীবনে প্রথমবার রক্তদান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কয়েক মাস আগের ঘটনা। আমার বড় বোনের অপারেশনের জন্য জরুরি রক্তের প্রয়োজন। কিন্তু রক্ত পাওয়া যাচ্ছিল না। পরে অনেক খুঁজে রক্ত পেয়েছি। আমার এক বন্ধু রক্ত দিয়েছে। কিন্তু পাওয়ার আগে যে কী দুর্ভোগ হয়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না। তাই রক্তের প্রয়োজন কী তা আমি বুঝেছি, এ জন্য রক্ত দান করছি।
মেলায় দায়িত্বরত রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির কর্মকর্তা শাহ রাজিউর রহমান রাজু বলেন, প্রতিবারের মতো এবারো মেলায় আমরা স্বেচ্ছায় রক্তদানের কার্মসূচি আয়োজন করছি। মেলায় যারা রক্ত দিচ্ছেন তাদের বিনামূল্যে পাঁচটি জরুরি রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। যেমনÑ রক্তের গ্রুপ, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, এইচআইভি এবং সিফিলিসের ভাইরাস আছে কি না। রক্তদাতা কারো মধ্যে এসব জীবাণু পাওয়া গেলে গোপনীয়তা রক্ষা করে পরামর্শ বা চিকিৎসা দেয়া হয় বলেও জানান তিনি।


আরো সংবাদ




mp3 indir bedava internet