১৮ নভেম্বর ২০১৮

রফতানি ভর্তুকিতে আরো ৯টি পণ্য

রফতানিকারকেরা ২০১৮-১৯ অর্থবছরে সুবিধা পাবে
-

দেশে রফতানি ভর্তুকির তালিকায় নতুন করে আরো ৯টি পণ্য যোগ হয়েছে। এ নিয়ে ২৫টি পণ্য চলতি ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে সরকারের রফতানি আর্থিক সহায়তা বা ভর্তুকি পাবে। এ ভর্র্তুকি হার হচ্ছে ২ থেকে ২০ শতাংশ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পণ্য রফতানির বিপরীতে এ সুবিধা পাবে রফতানিকারকেরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ গতকাল সোমবার এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১০ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন ৯ ধরনের পণ্য রফতানিতে ভর্তুকি বা নগদ সহায়তা দেয়া হবে। পণ্যগুলো হলো, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য, ফটোভোলটাইক মডিউল, মোটরসাইকেল, কেমিক্যাল পণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড), রেজার ও রেজার ব্লেডস, সিরামিক দ্রব্য, টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) এবং গ্যালভানাইজড শিট/ কয়েল-কোটেড উইথ জিংক, কোটেড উইথ অ্যালুমিনিয়াম এবং জিং ও কালার কোটেড (গলিত শিট)। এ সব পণ্য রফতানির বিপরীতে রফতানিকারেকরা ১০ শতাংশ হারে ভর্তুকি বা আর্থিক সহায়তা পাবেন।
নগদ সহায়তাপ্রাপ্ত পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছেÑদেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা ৪ শতাংশ, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা ৪ শতাংশ, নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা (আমেরিকা, কানাডা ও ইইউ ছাড়া) ৪ শতাংশ, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রফতানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ, হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া ইত্যাদি দিয়ে উৎপাদিত হস্তশিল্প রফতানিতে নগদ সহায়তা ২০ শতাংশ, কৃষিপণ্য ও প্রক্রিয়াজাত কৃষি পণ্যে ২০ শতাংশ, গরু-মহিষের নাড়িভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া) রফতানিতে ১০ শতাংশ, হালকা প্রকৌশল পণ্য রফতানিতে ১৫ শতাংশ, শতভাগ হালাল গোশত রফতানিতে ২০ শতাংশ, বরফ আচ্ছাদনের হারভেদে হিমায়িত চিংড়ি ও অন্যান্য মাছ রফতানিতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া হবে।
চামড়াজাত পণ্য ও আসবাব রফতানিতে ১৫ শতাংশ, জাহাজ, প্লাস্টিক পণ্য ও পেট বোতল-ফ্লেক্স রফতানিতে ১০, শস্য ও শাকসবজির বীজ এবং পাটকাঠি থেকে উৎপাদিত কার্বন রফতানিতে ২০ শতাংশ, পাটজাত দ্রব্যাদি রফতানিতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ সহায়তা পাওয়া যাবে।
এ ছাড়া চলতি অর্থবছরে আলু রফতানিতে ২০ শতাংশ, সাভার চামড়া শিল্প নগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার রফতানিতে ১০ শতাংশ এবং পাটজাত চূড়ান্ত দ্রব্য রফতানিতে ১২ শতাংশ নগদ সহায়তা দেয়া হবে। পাট-সুতা ৭ শতাংশ এবং বৈচিত্র্যকৃত পাটপণ্য রফতানিতে সহায়তা দেয়া হবে ২০ শতাংশ। একই সাথে দেশে উৎপাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য রফতানিতে ১০ শতাংশ এবং আগর ও আতর রফতানিতে ২০ শতাংশ ভর্তুকির বিষয়টি অপরিবর্তিত আছে।
এ রফতানি সহায়তা ১ জুন ২০১৮ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ সাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।

 


আরো সংবাদ