২২ নভেম্বর ২০১৯

ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ, আতঙ্কে উপকূলবাসী

১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে উপকূলীয় নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। সেই সাথে উপকূলের তিন জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় প্রায় ৫০০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে পড়েছে। বাঁধ ভাঙ্গার আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন উপকুলবাসী।

এদিকে জেলা প্রশাসন,উপজেলা প্রশাসন ও সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে দুর্যোগ মোকাবেলায় খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা খুলনার কয়রা-দাকোপ, সাতক্ষীরার শ্যামনগর-আশাশুনি ও বাগেরহাটের বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ। সিডর-আইলাসহ বিভিন্ন দুর্যোগে পড়া এসব এলাকার সাধারণ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন আতঙ্কে।

খুলনার কয়রা উপজেলার দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ড ইউপি সদস্য বেলাল হোসেন বলেন, কয়রার বেড়িবাঁধের বেশ কিছু এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ। পানির চাপ বাড়ায় যে কোনো সময় বাঁধ ভেঙে গ্রাম তলিয়ে সিডর-আইলার মতো ক্ষতি হতে পারে।

কয়রা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, আতঙ্কের নাম বেড়িবাঁধ, শঙ্কার নাম বেড়িবাঁধ, দুঃখের নাম বেড়িবাঁধ, নির্ঘুম রাতের নামও এই বেড়িবাঁধ। সংকেত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আতঙ্কও বাড়ছে।

এদিকে বুলবুলের প্রভাবে শনিবার সকাল থেকে দমকা বাতাস আর বৃষ্টির তীব্রতা বেড়েছে। উপকূলজুড়ে সিডরের পূর্ব মুহুর্তের পরিস্থিতি বিরাজ করছে বলে জানান স্থানীয়রা। উপজেলা প্রশাসন ও সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকরা মাইকিং করে সতর্কতামূলক প্রচারণায় নেমেছে।

ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় নিরাপদ স্থানে চলে যাওয়ার জন্য মাইকিং করায় ঘরবাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিয়েছেন বেশীরভাগ লোক। মসজিগুলোর মাইক থেকে সতর্কীকরণ বার্তা প্রচার করা হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিংসহ সব সাইক্লোন শেল্টার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সার্বক্ষণিক খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

মোংলা সমুদ্র্রবন্দরে জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা। একইসঙ্গে খোলা হয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের কেন্দ্রীয় একটিসহ দুইটি সাব কন্ট্রোল রুম। উপকূলীয় জনপদে ত্রাণ ও উদ্ধার তৎপরতার জন্য খুলনা নৌঘাঁটি তিতুমীরে পাঁচটি জাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) খুলনার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. সাইদুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান জরুরি মেরামত করে মোটামুটি একটি পর্যায় নিয়ে এসেছি। আশা করি, কোনও সমস্যা হবে না। সেখান থেকে প্রতিনিয়ত জোয়ারের পানি কতদূর পর্যন্ত আসছে তা রেকর্ডিং করা হচ্ছে। আমাদের সবাই মাঠপর্যায়ে রয়েছি।


আরো সংবাদ

আজানের মধুর আওয়াজ শুনতে ভিড় অমুসলিমদের (২৫৪৫৭)ধর্মঘট প্রত্যাহার : কী কী দাবি মেনে নিয়েছে সরকার (২০৯৩৪)মানবতাকে জয়ী করেছে পাকিস্তান : রাবিনা ট্যান্ডন (১৯৪৬৭)কম্বোডিয়ায় কাশ্মির ইস্যুতে বক্তব্য, প্রতিবাদ করায় ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করা হলো বিজেপি নেতাকে (১৯১৮৮)ব্যাংকে ফোন দিয়ে তদবির করে ‘ছাত্রলীগ সভাপতি’ আটক (৯৮৭১)আবারো রুশ-চীনা অস্ত্র কিনবে ইরান, আশঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রের (৯৭৬৩)৪ ভারতীয়কে জাতিসঙ্ঘের সন্ত্রাসী তালিকাভূক্ত করবে পাকিস্তান (৯৫৮৪)৩৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা নিয়ে নেপাল-ভারত তুমুল বিরোধ (৯৩৪৩)গৃহশিক্ষক বিয়েতে বাধা দেয়ায় ছাত্রীর আত্মহত্যা (৯০৫০)ইলিয়াস কাঞ্চনকে যে কারণে সহ্য করতে পারেন না বাস-ট্রাক শ্রমিকরা (৯০১৪)