২২ নভেম্বর ২০১৯

আসাদ দিবসের মতো আবরার দিবস পালন করা হবে: ডা: জাফরুল্লাহ

আবরারের কবর জিয়ারত করছেন জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ ভাসানী অনুসারী পরিষদ নেতৃবৃন্দ - ছবি : নয়া দিগন্ত

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অন্যতম নেতা ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, আমাদের সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আবরার যে আত্মদান করেছেন আমরা যেন তাকে সবাই মনে রাখি। আমরা যেন তাকে ভুলে না যাই। যেভাবে আমরা আসাদ দিবস পালন করি ঠিক সেভাবে আমরা তাকেও স্মরণ করব এবং তার আদর্শকে ধারণ করবো।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার রায়ডাঙ্গায় ভাসানী অনুসারী পরিষদের উদ্যোগে ছাত্রলীগের হামলায় নিহত বুয়েটছাত্র আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ভাসানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, প্রেসিডিয়াম সদস্য নঈম জাহাঙ্গীর, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী নজরুল, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ-সভাপতি ইউনুস মৃধা, ফরিদ উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জাফর, কৃষক দলের সদস্য লায়ন মিয়া মোহাম্মদ আনোয়ার, ভাসানী অনুসারী পরিষদের ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, সদস্য সচিব কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, যুগ্ম-আহবায়ক মোহাম্মদ জিয়াউল হক আনোয়ার, পলাশ মন্ডল, সাংবাদিক আল আমিন প্রমুখ।

জাফরুল্লাহ বলেন, আমার কাছে খুব কষ্ট লেগেছে যখন শুনেছি আবরারের ছোট ভাইটা ঢাকা কলেজ ছেড়ে এসেছে। কেন তাকে ঢাকা কলেজ ছেড়ে আসতে হবে? একজন স্বজন হারিয়েছে বলে তাকেও ঢাকা কলেজ ছাড়তে হবে? কি জন্য এলো সেটা জানতেই আজকে আমার এখানে আসা। আমি তার সাথে কথা বলতে চাই এবং সে জন্যই এসেছি। তার নিরাপত্তা আমরা সবাই মিলেও কেন দিতে পারবো না?

তিনি বলেন, যদি তার পরিবার ও অন্যান্য জনসাধারণ চায় ওর (আবরারের) কবরটা যত্ন করার জন্য গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র একটা ব্যবস্থা করবে। এখানে লোকজন এলে যেন আবরারের কবর জিয়ারত করতে পারে সে ব্যবস্থা করা।

পরে জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ভাসানী অনুসারী পরিষদ নেতৃবৃন্দ আবরারের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় আবরারের দাদা, চাচা-চাচি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে কথা বলেন। আবরারের বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় তাদের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। 

উল্লেখ্য, গত ৫ সেপ্টেম্বর বুয়েটের শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে রাতভর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নির্যাতনের শিকার হন আবরার ফাহাদ। পরে ভোররাতে সে হলের সিঁড়িতে পাওয়া যায় তার লাশ।


আরো সংবাদ