২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮

ইবিতে সাহিত্য ও আইন বিষয়ক বিভাগ ধর্মতত্ত্বে ক্লাস বর্জন, স্মারকলিপি

-

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আসন্ন ভর্তি পরীক্ষায় সাহিত্য ও আইন বিষয়ক দুটি বিভাগ ধর্মতত্ত্ব দেওয়ায় ক্লাস বর্জন, স্মারকলিপি এবং নিজ বিভাগের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছে শিক্ষার্থীরা। বিভাগ দুটি হলো, আইন ও শরীয়াহ অনুষদভূক্ত আল-ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগ এবং মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভগ। ন্যায্য দাবি আদায়ে প্রয়োজনে আন্দোলনের রূপ পরিবর্তন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন উভয় বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ক্লাস বর্জন করে বিভাগ অবরোধ করেছে আল-ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এদিকে সাহিত্য বিষয়ক অন্যান্য বিভাগের মত আরবী সাহিত্যকেও ‘বি’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার দাবিতে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে আরবী সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘আইন ও শরীয়াহ অনুষদভূক্ত আল-ফিকহ্ এন্ড লিগ্যাল স্টাডিজ বিভাগে আইনের কোর্স পড়ানো হয়। একই বিষয় পড়ার পরেও আইন বিভাগ এবং আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগকে মানবিক অনুষদভূক্ত করা হলেও আল-ফিকহকে আলাদা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের বিভাগের মান ক্ষুন্ন করার সামিল। আমরা চাই প্রশাসন আমাদের দাবি মেনে নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত বাতিল করবে। যদি প্রশাসন আমাদের দাবি না মেনে নেয় তাবে কর্মসূচী চালিয়ে যাব।’

এর আগে গত শনিবার একই দাবিতে বিভাগের সামনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ কর্মসূচী পালন করেছিল আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এদিকে আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এটা প্রশাসনের অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত। যদি আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের পরীক্ষা থিওলজি এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের অধীনে হয় তাহলে আমরা আরবী জানা শিক্ষার্থী পাব কিন্তু সাহিত্য ও সংস্কৃতি মনা শিক্ষার্থী পাবনা। এছাড়াও আরবী একটি ভাষা ও সাহিত্য সম্পর্কিত বিভাগ। স্বাভাবিকভাবে মানবিক অনুষদের সাথে পরীক্ষা হবে এটাই নিয়ম। অন্য সব বিশ্ববিদ্যালয়েও আরবী সাহিত্য মানবিক অনুষদের অধীনেই তাদের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। সুতারাং আগের নিয়মেই পরীক্ষা নেওয়া আমাদের জোর দাবি।’


আরো সংবাদ