২২ নভেম্বর ২০১৮

পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল গ্রেফতার

-

সাতক্ষীরা তালা উপজেলায় পাঁচ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ৬০ বছরের বৃদ্ধের বিরুদ্ধে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে বৃহস্পতিবার সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার পাটকেলঘাটা থানার লালচন্দ্রপুর এলাকায় ।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে পাটকেলঘাটা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। এরপর রাতেই ধর্ষক পরিমল বিশ্বাসকে (৬০) আটক করেছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, বুধবার বেলা ১২টার দিকে লালচন্দ্রপুর মাঠের পাশে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে পরিমল। এরপর স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে সালিশী বৈঠকে শিশুটির বাবাকে বিশ হাজার টাকার প্রস্তাব দেয়া হয়। একইসঙ্গে ঘটনাটি চেপে যাওয়ার কথাও বলা হয়।

কিন্তু বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকে শিশুটির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হলে বিকেলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। শিশুটি মা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেছেন। অভিযুক্ত বৃদ্ধকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

আরো পড়ুন: নবীগঞ্জে ৪বছরের শিশু ধর্ষণ

নবীগঞ্জ সংবাদদাতা, ২০ নভেম্বর ২০১৬

নবীগঞ্জে সাড়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করেছে এক লম্পট। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশুটিকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের ফুটারচর গ্রামে। ধর্ষিতা শিশুর মা জানান, শনিবার রাত ৮টায় পাশের ঘর থেকে তার ছেলেকে আনতে যান।

এসময় ঘরে রেখে যান তার ৪ বছর বয়সী শিশু কন্যাকে। ফিরে এসে দেখতে পান পাশের ঘরের রুয়েল মিয়া তার ঘরে রয়েছে। তাকে দেখেই রুয়েল মিয়া পালানোর চেষ্টা করে। এতে তার সন্দেহ হলে তিনি রুয়েলকে আটক করেন।

এসময় রুয়েল তার পায়ে ধরে কান্নাকাটি করে ক্ষমা চায়। এক পর্যায়ে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। রুয়েল চলে যাওয়ার পর তিনি দেখতে পান তার শিশু কন্যাটি রক্তাক্ত ও যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে।

তিনি দাবি করেন ঘরে না থাকার সুযোগে পাশের ঘরের রুয়েল তার শিশু কন্যাকে ধর্ষণ করেছে। তিনি সাথে সাথে তার শিশু কন্যাকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে রাত প্রায় সাড়ে ১১টায় হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

ধর্ষিতার পিতা জানান, ঘটনার সময় তিনি বাজারে ছিলেন এবং বাড়িতে এসে তিনি ঘটনাটি শুনেছেন। তিনি এ ঘটনার বিচার দাবি করেন। হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ মিঠুন রায় জানান, এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না।

 

আরো পড়ুন: ময়মনসিংহে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড

ময়মনসিংহ অফিস, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

সাত বছরের শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায়ে রফিকুল ইসলাম কাজলকে (২৭) মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

আজ বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন।

কোর্ট ইন্সপেক্টর নওজেস আলী মিয়া খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

রায়ের বিবরণে প্রকাশ, ২০১২ সালের ২৩ জুন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দড়িভাবখালী গ্রামের পত্রিকার হকার চাঁন মিয়া প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে শহরের উদ্দেশে বের হন। বিকেলে বাড়ি ফেরার পর স্ত্রী রাশিদা বেগম তাকে জানান যে, তাদের শিশুকন্যা সনিয়া আক্তারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরদিন সকাল সাড়ে সাতটার দিকে পার্শ্ববতী সুতিয়াখালি নামাপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিনের পুকুরের পাশের জঙ্গলে সনিয়ার লাশ পাওয়া যায়। প্রত্যক্ষদর্শী রিপা আক্তার চুরখাই গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে রফিকুল ইসলাম কাজল বাড়ি থেকে সোনিয়াকে হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখেছেন।

সাক্ষীদের মতে, সুতিয়াখালী নামাপাড়ার আলাউদ্দিনের বাড়ির পুকুরপাড়ের জঙ্গলে সনিয়াকে ধর্ষণ ও লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর লাশ ফেলে রেখে যায়।

আদালতে আটজন সাক্ষ্যমতে, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ (২) ধারায় দোষী সাব্যস্থ হওয়ায় বিজ্ঞ বিচারক আসামি রফিকুল ইসলাম কাজলকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

আদেশে আসামির স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি (যদি থাকে) ক্রোক করে নিলামে বিক্রয়লব্ধ টাকা ট্রাইব্যুনালে জমা প্রদানের জন্য ময়মনসিংহের ডেপুটি কালেক্টরকে নির্দেশ দিয়েছেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি রফিকুল ইসলাম কাজল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর কবির উদ্দিন ভূইয়া এবং আসামি পক্ষে বিশ্বনাথ পাল মামলা পরিচালনা করেন।

 


আরো সংবাদ