১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

জাতিসঙ্ঘকে যুক্তরাষ্ট্রের গুডবাই

জাতিসঙ্ঘকে যুক্তরাষ্ট্রের গুডবাই - সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত বর্বরতার নিন্দা করায় জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার পরিষদ ছেড়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এক বছর আগেই জাতিসঙ্ঘে মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিকি হ্যালি অভিযোগ করেন, পরিষদ ধারাবাহিকভাবে ইসরাইলবিরোধী ভূমিকা পালন করছে। ভূমিকা না বদলালে নিজেদের প্রত্যাহারের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

কূটনৈতিক ও মানবাধিকারকর্মীদের বরাতে দ্য গার্ডিয়ান জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া সংস্কার প্রস্তাব যথাযথ অনুসরণ না করাও ওয়াশিংটনের পরিষদ ত্যাগের সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করছে।

২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের বিষয়টি আলোচ্যসূচিতে রেখে আসছে মানবাধিকার পরিষদ।

এ কারণে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বুশ প্রশাসন পরিষদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখেনি। ২০০৯ সালে ওমাবা সরকার পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রকে অন্তর্ভুক্ত করে।

জাতিসঙ্ঘ শেষ হয়ে গেছে, ভেঙে পড়েছে : এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেব এরদোগান বলেছেন- গাজায় ইসরাইলি সেনাবাহিনীর গুলিতে ৬০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহতের ঘটনায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে না পারায় জাতিসঙ্ঘ শেষ হয়ে গেছে।

তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় এক মাহফিলে এরদোগান বলেন, জাতিসঙ্ঘ শেষ হয়ে গেছে, ভেঙে পড়েছে। ভালো বন্ধুত্ব থাকার পরও এই মুহূর্তে আমি জাতিসঙ্ঘের মহাসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছি না।

এরদোগান বলেন, জেরুসালেমকে কখনো ইসরাইলের করায়ত্ত করতে দেয়া হবে না। ফিলিস্তিনি ভাইদের লড়াইয়ে আমরা সমর্থন দিয়ে যাব। দীর্ঘদিন ধরে দখলে থাকা ভূখণ্ডে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সীমান্তে শান্তি ও নিরাপত্তা না আসবে ততদিন সমর্থন দেয়া হবে।

এরদোগান বলেন, ইসরাইলি হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ব্যর্থ হয়েছে। বিশ্বের অন্য কোথাও এমন হত্যাযজ্ঞ ঘটলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অনেক বেশি সক্রিয় হতো। এই নিপীড়নে বিশ্ব চোখ বুজে থাকলেও আমরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে নীরব থাকব না।

 


আরো সংবাদ